শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে : শামসুজ্জামান দুদু

দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, শুধু আলোচনা করে নয়, মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। সোমবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে গণতন্ত্র ফোরাম […]

গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে : শামসুজ্জামান দুদু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুলাই ২০২৬, ১৭:০০

দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেন, শুধু আলোচনা করে নয়, মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।

সোমবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত শিক্ষা বিস্তারে অন্তরায় মাদক ও আওয়ামী দোসরের গভীর ষড়যন্ত্র শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমি যদি সত্য কথা বলি, তাহলে সরকার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুব একটা খুশি হবে না। একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে পরিবর্তন এসেছে। গত সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট ও গণবিরোধী সরকার, আর সেই সময়ও মাদক একটি বড় সমস্যা ছিল।

কিন্তু পরিবর্তনের পর আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, আমি যে গলিতে থাকি সেখানে মাদকের বিস্তার এতটাই ভয়াবহ হয়েছে যে চলাফেরা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু বলাও যাচ্ছে না।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। তারা সম্মান দেখিয়েছেন, অঙ্গীকারও করেছেন যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু একটি ছোট গলির অভিজ্ঞতাই যদি সারা দেশের চিত্র হয়, তাহলে আমরা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছি।

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারের মানুষ। মাদকের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার নিয়ে সংসদেও সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়, শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, আন্দোলন সবকিছুই এই মাদকের কারণে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা শুধু বলছি ছাত্রছাত্রীরা মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু তাদের সহায়তায় আমরা কতটা এগিয়ে যেতে পেরেছি বা কী উদ্যোগ নিয়েছি, সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। কোনো তরুণ-তরুণী যদি মাদকের প্রতি আকৃষ্ট হয়, সেটাই শেষ কথা নয়।

তাদের কীভাবে সেই পথ থেকে ফিরিয়ে আনা যায়, কীভাবে মুক্ত করা যায় সেই উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে যত আলোচনা করি, কোনো লাভ হবে না। সরকারের কঠিন ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, এ কথা বলা সহজ। কিন্তু মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা কতটা ক্ষমতাশালী, কতটা বিত্তবান এবং কতটা প্রভাবশালী তা আমরা কমবেশি সবাই জানি।

সেই কারণে জনাব তারেক রহমান যে ৩১ দফার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে যেকোনো শর্তে, যেকোনোভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁর হাত শক্তিশালী না করা পর্যন্ত এই আলোচনা বাস্তবে রূপ নেবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। সেই মেরুদণ্ড যদি মাদকের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে জাতির ভবিষ্যৎও ধ্বংস হবে। মাদকের পাশাপাশি আরেকটি ফ্যাসিস্ট শক্তিও রয়েছে, যারা চায় না দেশ সুন্দরভাবে এগিয়ে যাক। আজকের উদ্যোক্তারা সেই বিষয়টিও সামনে এনেছেন।

তাই আমি শুধু এতটুকু বলব, সকল আলোচকের বক্তব্যের প্রতি আমি সমর্থন জানাই। ক্ষমতা থাক বা না থাক, আমরা ১৮ বছর আন্দোলন করে একটি পরিবর্তন এনেছি। এখন সেই পরিবর্তনকে অর্থবহ করতে না পারলে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে না পারলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গণতন্ত্রকে রক্ষা করা।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে […]

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ২৭ মে পাঁচ ধাপে শুরু ইউপি নির্বাচন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১২ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৫

আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে ধাপে ধাপে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। পাঁচ ধাপে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। যা ২০২৭ সালের ২৭ মে শেষ হতে পারে। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে সোমবার (১২ অক্টোবর) বৈঠকে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বৈঠক শেষে নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ জানানো হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রথম ধাপে আগামী ২১ জানুয়ারি ৮১৫টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি দ্বিতীয় ধাপে আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৭২৭ ইউনিয়ন পরিষদে ভোট হতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় ধাপে আগামী ২ মে ৭৯০ ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন হতে পারে।

এদিকে আগামী ১৩ মে চতুর্থ ধাপে ৯৫১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে পারে। আর সবশেষ পঞ্চম ধাপে বাকি ইউনিয়ন পরিষদে আগামী ২৭ মে ভোট অনুষ্ঠিত হতে পারে।

তবে সোমবারের বৈঠক শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের চূড়ান্ত তারিখ ঘোষণা করা হবে। ইতোমধ্যে আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এ নিয়ে বৈঠক শুরু হয়েছে। যেখানে অন্যদের মধ্যে নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ, আব্দুর রহমানেল মাছউদ, বেগম তাহমিদা আহমদ, মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকারসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত রয়েছেন।

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা […]

প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ ১০ বছর করার সিদ্ধান্তে অনড় সরকার, বিরোধীদলকে আলোচনায় আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১:০৫

প্রধানমন্ত্রীর পদে কোনো ব্যক্তির সর্বোচ্চ ১০ বছর থাকার প্রস্তাব থেকে সরকার সরে আসেনি বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ। ব্যক্তিতান্ত্রিক বা স্বৈরতান্ত্রিক ব্যবস্থা ঠেকাতেই এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিশেষ কমিটির চতুর্থ বৈঠক শেষে সংসদের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সর্বোচ্চ ১০ বছর করার প্রস্তাব নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। কেউ কেউ এটিকে অগণতান্ত্রিক ও জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকারের পরিপন্থি মনে করেন। তবে সরকারের অবস্থান হলো, কোনো ব্যক্তি যেন ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী পদে থাকতে না পারেন।

তিনি বলেন, বিরোধী দল বা অন্য কোনো পক্ষ থেকে বিকল্প প্রস্তাব এলে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটির আলোচনায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

কমিটির কার্যক্রম প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, গণমাধ্যমের সম্পাদক, সাংবাদিক নেতা, মিডিয়া ব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে মতবিনিময় হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও বিকেন্দ্রীকরণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে পরিবর্তনসহ বিভিন্ন প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ নিয়েও আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জুলাই জাতীয় সনদে এ বিষয়ে ঐকমত্য থাকায় সরকার সেই অনুযায়ী এগোতে চায়। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংসদ নেবে।

সবার মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন তৈরি করে সংসদে উপস্থাপনের মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সংবিধান সংশোধনী আনার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।