মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে : শামসুজ্জামান দুদু

দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। তিনি বলেন, শুধু আলোচনা করে নয়, মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়। সোমবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে গণতন্ত্র ফোরাম […]

গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে : শামসুজ্জামান দুদু

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ জুলাই ২০২৬, ১৭:০০

দেশে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবর্তন এলেও মাদকের বিস্তার আগের চেয়ে আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।

তিনি বলেন, শুধু আলোচনা করে নয়, মাদক নির্মূলে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। সরকারের কঠোর পদক্ষেপ ছাড়া এ সংকট মোকাবিলা সম্ভব নয়।

সোমবার (২০ জুলাই) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত শিক্ষা বিস্তারে অন্তরায় মাদক ও আওয়ামী দোসরের গভীর ষড়যন্ত্র শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

শামসুজ্জামান দুদু বলেন, আমি যদি সত্য কথা বলি, তাহলে সরকার এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর খুব একটা খুশি হবে না। একটি গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশে পরিবর্তন এসেছে। গত সরকার ছিল ফ্যাসিস্ট ও গণবিরোধী সরকার, আর সেই সময়ও মাদক একটি বড় সমস্যা ছিল।

কিন্তু পরিবর্তনের পর আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় মনে হয়েছে, আমি যে গলিতে থাকি সেখানে মাদকের বিস্তার এতটাই ভয়াবহ হয়েছে যে চলাফেরা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে। কিছু বলাও যাচ্ছে না।

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলেছি। তারা সম্মান দেখিয়েছেন, অঙ্গীকারও করেছেন যে মাদকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন। কিন্তু একটি ছোট গলির অভিজ্ঞতাই যদি সারা দেশের চিত্র হয়, তাহলে আমরা একটি ভয়াবহ পরিস্থিতির মধ্যে আছি।

বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কক্সবাজারের মানুষ। মাদকের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার নিয়ে সংসদেও সম্প্রতি আলোচনা হয়েছে। আমার কাছে মনে হয়, শিক্ষা, সংস্কৃতি, রাজনীতি, আন্দোলন সবকিছুই এই মাদকের কারণে ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে আমরা শুধু বলছি ছাত্রছাত্রীরা মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু তাদের সহায়তায় আমরা কতটা এগিয়ে যেতে পেরেছি বা কী উদ্যোগ নিয়েছি, সেটাও আমাদের ভাবতে হবে। কোনো তরুণ-তরুণী যদি মাদকের প্রতি আকৃষ্ট হয়, সেটাই শেষ কথা নয়।

তাদের কীভাবে সেই পথ থেকে ফিরিয়ে আনা যায়, কীভাবে মুক্ত করা যায় সেই উদ্যোগ নিতে হবে। তা না হলে যত আলোচনা করি, কোনো লাভ হবে না। সরকারের কঠিন ও কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে, এ কথা বলা সহজ। কিন্তু মাদকের সঙ্গে যারা জড়িত, তারা কতটা ক্ষমতাশালী, কতটা বিত্তবান এবং কতটা প্রভাবশালী তা আমরা কমবেশি সবাই জানি।

সেই কারণে জনাব তারেক রহমান যে ৩১ দফার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখিয়েছেন, সেটি বাস্তবায়ন করতে হলে যেকোনো শর্তে, যেকোনোভাবে তাঁর পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁর হাত শক্তিশালী না করা পর্যন্ত এই আলোচনা বাস্তবে রূপ নেবে না।

তিনি আরও বলেন, আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে আসছি, শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। সেই মেরুদণ্ড যদি মাদকের মাধ্যমে ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে জাতির ভবিষ্যৎও ধ্বংস হবে। মাদকের পাশাপাশি আরেকটি ফ্যাসিস্ট শক্তিও রয়েছে, যারা চায় না দেশ সুন্দরভাবে এগিয়ে যাক। আজকের উদ্যোক্তারা সেই বিষয়টিও সামনে এনেছেন।

তাই আমি শুধু এতটুকু বলব, সকল আলোচকের বক্তব্যের প্রতি আমি সমর্থন জানাই। ক্ষমতা থাক বা না থাক, আমরা ১৮ বছর আন্দোলন করে একটি পরিবর্তন এনেছি। এখন সেই পরিবর্তনকে অর্থবহ করতে না পারলে, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সঠিক দায়িত্ব পালন করতে না পারলে গণতন্ত্র বিপন্ন হবে। এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো গণতন্ত্রকে রক্ষা করা।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।