সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বস্তুনিষ্ঠ ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ওপরই প্রতিষ্ঠিত প্রকৃত সাংবাদিকতা: তথ্যমন্ত্রী

মতামত, অনুমান বা অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না; প্রকৃত সাংবাদিকতা পরিচালিত হয় বস্তুনিষ্ঠ সত্য ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে—এমন মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকস (দায়রা) আয়োজিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬’-এর একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন। ‘দক্ষিণ এশিয়ার […]

বস্তুনিষ্ঠ ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ওপরই প্রতিষ্ঠিত প্রকৃত সাংবাদিকতা: তথ্যমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

২৫ জুলাই ২০২৬, ১৭:১৫

মতামত, অনুমান বা অ্যাক্টিভিজম দিয়ে সাংবাদিকতা হয় না; প্রকৃত সাংবাদিকতা পরিচালিত হয় বস্তুনিষ্ঠ সত্য ও ডেটাভিত্তিক তথ্যের ভিত্তিতে—এমন মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

শনিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ঢাকা ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালেটিকস (দায়রা) আয়োজিত ‘বেঙ্গল ডেল্টা কনফারেন্স-২০২৬’-এর একটি প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

‘দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যম কি ভিন্ন ভিন্ন রূপে একই ধরনের হুমকির সম্মুখীন হয়?’ শীর্ষক আলোচনায় আরও অংশ নেন হিমাল সাউথ এশিয়ান-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক কনক মণি দীক্ষিত, সাবেক প্রেস সচিব ও ওয়াদা পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল আলম এবং দ্য হিন্দু-এর কূটনৈতিক সম্পাদক সুহাসিনী হায়দার। আলোচনা সঞ্চালনা করেন নেত্র নিউজ-এর নির্বাহী সম্পাদক নাজমুল আহসান।

প্যানেল আলোচনায় তথ্যমন্ত্রী বলেন, সাংবাদিকতা একজন স্বাধীন সাংবাদিকের চিন্তাভাবনা, পর্যবেক্ষণ ও পেশাদার বিশ্লেষণের ওপর নির্ভরশীল। তবে যে কোনো সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা নিশ্চিত করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তার ভাষায়, সাংবাদিকরা তাদের পর্যবেক্ষণ ও লেখনীর মাধ্যমে বাস্তব ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরেন, কিন্তু সেই উপস্থাপনা অবশ্যই নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে হতে হবে।

দক্ষিণ এশিয়ার গণমাধ্যমের চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও পাকিস্তানসহ এ অঞ্চলের দেশগুলোর গণমাধ্যম প্রায় একই ধরনের সমস্যার মুখোমুখি। আগে যেখানে বাকস্বাধীনতা ছিল প্রধান আলোচনার বিষয়, বর্তমানে প্রযুক্তি ও মোবাইল সাংবাদিকতার বিস্তারের ফলে ভুয়া তথ্য ও অপতথ্য প্রতিরোধ করে জনগণকে বিভ্রান্তির হাত থেকে রক্ষা করাই গণমাধ্যমের অন্যতম বড় দায়িত্ব হয়ে উঠেছে।

সাংবাদিকতার সংজ্ঞা ও জনমানুষের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সাংবাদিকতার কোনো একক সংজ্ঞা নেই এবং সময়ের সঙ্গে এর ধরনও পরিবর্তিত হয়েছে। সমাজে একটি বিষয় নিয়ে ভিন্নমত থাকতেই পারে, তবে একজন দায়িত্বশীল সাংবাদিকের কাজ হলো ব্যক্তিগত আবেগ বা মতাদর্শের ঊর্ধ্বে উঠে সত্যনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরা।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, সাংবাদিকদের ‘অ্যাক্টিভিস্ট’ হয়ে ওঠা উচিত নয়। তার মতে, সাংবাদিকতার মূল ভিত্তি হলো উপাত্ত ও প্রমাণনির্ভর সত্য অনুসন্ধান। নির্ভরযোগ্য তথ্য ছাড়া কোনো ধারণা বা অনুমান সংবাদ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তাই সমাজকে সঠিকভাবে তুলে ধরতে বস্তুনিষ্ঠ সংবাদচর্চার পরিবেশ বজায় রাখা প্রয়োজন।

প্যানেল আলোচনায় সাবেক প্রেস সচিব ও ওয়াদা পত্রিকার সম্পাদক শফিকুল আলম বলেন, প্রিন্ট বা টেক্সটভিত্তিক সাংবাদিকতার যুগের তুলনায় বর্তমান ডিজিটাল যুগে সমাজ ও সংবাদকক্ষ উভয়ই বেশি বিভাজনের মুখে পড়েছে। তার মতে, বর্তমানে সাংবাদিকদের প্রায়ই পেশাগত স্বাধীনতা ও আনুগত্যের পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হয়।

তিনি বলেন, অতীতে সংবাদপত্র বন্ধ করে দেওয়া বা সেন্সরশিপ আরোপের মাধ্যমে গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করা হতো। এখন অনেক ক্ষেত্রে সংবাদকক্ষ বা সাংবাদিকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও প্রভাবের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়।

প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের প্রসঙ্গ তুলে শফিকুল আলম বলেন, টেক্সটভিত্তিক সাংবাদিকতার অর্থনৈতিক ভিত্তি আগের তুলনায় দুর্বল হয়ে পড়েছে। মানুষ এখন দীর্ঘ প্রতিবেদন পড়ার পরিবর্তে ভিডিওভিত্তিক কনটেন্টের প্রতি বেশি আগ্রহী। ফলে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্র ছাড়া টেক্সটভিত্তিক সাংবাদিকতার পরিসর ক্রমেই সংকুচিত হচ্ছে এবং তার জায়গা দখল করছে ডিজিটাল ভিডিওমাধ্যম।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।