বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পুঁজি পাচার হয়েছে ভারতে

দেশের অর্থনীতিতে মন্দা চলছে করোনা সংক্রমণের আগে থেকেই। ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের পর আরো খারাপ অবস্থায় পড়ে দেশের অর্থনীতি। ২০২২ সালে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিলে দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব প্রকট আকার ধারন করে। এর মধ্যে, ভয়াবহ ডলার সংকট টাকার মান কমিয়ে দেয়। যা পুরো অর্থনীতিকে আক্রান্ত করে। এর নেতিবাচক প্রভাব এখনও অর্থনীতিতে বিদ্যমান। অর্থনীতির এমন […]

নিউজ ডেস্ক

০৭ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:৫৯

দেশের অর্থনীতিতে মন্দা চলছে করোনা সংক্রমণের আগে থেকেই। ২০২০ সালে করোনার সংক্রমণের পর আরো খারাপ অবস্থায় পড়ে দেশের অর্থনীতি। ২০২২ সালে বৈশ্বিক মন্দা দেখা দিলে দেশের অর্থনীতিতেও এর প্রভাব প্রকট আকার ধারন করে। এর মধ্যে, ভয়াবহ ডলার সংকট টাকার মান কমিয়ে দেয়।

যা পুরো অর্থনীতিকে আক্রান্ত করে। এর নেতিবাচক প্রভাব এখনও অর্থনীতিতে বিদ্যমান। অর্থনীতির এমন দুঃসময়েও দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় নিট পুঁজি বিদেশে সরানোর প্রবণতা বেড়েছে। এক বছরে এ প্রবণতা বৃদ্ধির পরিমাণ ৬০ শতাংশ।

গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়েছে ভারতে ৩ কোটি ১৫ লাখ ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে সংযুক্ত আরব আমিরাতে ১ কোটি ৮ লাখ ডলার, তৃতীয় আয়ারল্যান্ডে ১৩ লাখ ডলার।

বাংলাদেশি উদ্যোক্তারা বিদেশে সবচেয়ে বেশি পুঁজি বিনিয়োগ করেছেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে ৭ কোটি ১ লাখ ডলার ও খনিজ খাতে ৯৪ লাখ ডলার। এছাড়া টেক্সটাইল, সেবা ও বাণিজ্য খাতে কিছু পুঁজি বিনিয়োগ করা হয়েছে।

৫ বছরের মধ্যে গত অর্থবছরেই সর্বোচ্চ পরিমাণ পুঁজি দেশ থেকে বৈধভাবে বিদেশে নেওয়া হয়েছে। এটা টাকার অঙ্কে ২৪০ কোটি এবং বৈদেশিক মুদ্রায় প্রায় ২ কোটি ডলার।

এছাড়া অবৈধভাবে আরো কয়েকশগুণ বেশি পুঁজি বিদেশে সরানো হয়েছে। সম্প্রতি প্রকাশিত অর্থনীতি বিষয়ক শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে গত ১৫ বছরে দেশ থেকে প্রতিবছর গড়ে ১৬০০ কোটি ডলার পাচার হয়েছে।
সূত্র জানায়, আগে দেশ থেকে বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগের কোনো অনুমোদন দেওয়া হতো না।

২০২১-২২ অর্থবছরে দেশ থেকে নিট পুঁজি নেওয়া হয়েছে ৬৯ লাখ ডলার। মুনাফা থেকে বিনিয়োগ করা হয় ২ কোটি ৬ ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশ থেকে নিট পুঁজি হিসাবে নেওয়া হয় ৪১ লাখ ডলার। মুনাফা থেকে বিনিয়োগ হয় ২ কোটি ৭৮ লাখ ডলার। ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করা হয় ২ কোটি ৭৪ লাখ ডলার।

মোট বিনিয়োগ হয় ৬ কোটি ৫২ লাখ ডলার। এর মধ্যে মুনাফা বাবদ দেশে আনা হয় ৫৮ লাখ ডলার। ফলে নিট বিনিয়োগ ছিল ৫ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। ওই বছরে বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৩৭ কোটি ১০ লাখ ডলার।

২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশ থেকে নিট পুঁজি নেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৪৯ লাখ ডলার। মুনাফা থেকে বিনিয়োগ করা হয় ১ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। ঋণ নিয়ে ওই বছরে নতুন কোনো বিনিয়োগ হয়নি।

বরং আগে নেওয়া ঋণ থেকে ২ কোটি ৪০ লাখ ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। ওই বছরে মোট বিনিয়োগ হয় ৩ কোটি ৭৫ লাখ ডলার। এর মধ্যে মুনাফা বাবদ ফেরত আনা হয় ২ কোটি ৭০ লাখ ডলার। ফলে নিট বিনিয়োগ ছিল ১ কোটি ৫ লাখ ডলার।

আলোচ্য সময়ে বিদেশে বিনিয়োগের নিট স্থিতি ছিল ৩০ কোটি ৬৪ লাখ ডলার। ২০১৯-২০ অর্থবছরে এ স্থিতি ছিল ৩১ কোটি ৯৮ লাখ ডলার।

আগের নেওয়া ঋণ পরিশোধ করায় ২০২২-২৩ অর্থবছরের তুলনায় গত অর্থবছরে বিদেশে নিট পুঁজির স্থিতি কমেছে ৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আগের ২০২২-২৩ অর্থবছরে এ স্থিতি কমেছিল ১৪ দশমিক ০৪ শতাংশ
গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পুঁজি পাচার হয়েছে ভারতে লাখ ডলার, ঋণ নিয়ে বিনিয়োগ করা হয় ৪ কোটি ৩২ লাখ ডলার।

মোট বিনিয়োগ করা হয়েছে ৭ কোটি ৫৪ লাখ ডলার। এর মধ্যে মুনাফা হিসাবে ফেরত আনা হয় ৪৭ লাখ ডলার। এ হিসাবে ওই বছরে নিট বিনিয়োগ ছিল ৭ কোটি ৭ লাখ ডলার। ওই বছরে বিদেশে নিট বিনিয়োগের স্থিতি ছিল ৩৯ কোটি ৭১ লাখ ডলার।

অর্থনীতি

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে। জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার […]

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৫

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে।

জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার (১২ জুন) এটি নেমে আসে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হয়ত সুদের হার কমাবে না। উলটো দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে করে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীরা খুব বেশি আগ্রহী হচ্ছেন না।

বর্তমান এই মুদ্রাস্ফীতির বড় একটি কারণ হলো হরমুজ প্রণালি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে ইরান। এতে করে গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি।

যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার কমাবে এমন কোনো সম্ভাবনা খুবই কম।বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলার একটি হাতিয়ার (হেজ) হিসেবে কাজ করলেও, উচ্চ সুদের হার সাধারণত এই মূল্যবান ধাতুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ নিজস্ব মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া এটি থেকে বাড়তি কোনো আয় বা লভ্যাংশ আসে না। অন্য কথায়, স্বর্ণ থেকে মুনাফা করতে হলে কেবল এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়।

আলজাজিরাকে আর্থিক খাতের ওয়েবসাইট ‘অপশনস্প্রেডার্স ডটকমের’ প্রধান অপশন অ্যানালিস্ট জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেন, ‘যেকোনো সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ প্রকৃত অর্থের (টাকার) সবচেয়ে কাছাকাছি একটি রূপ। এখান থেকে কোনো লভ্যাংশ পাওয়া যায় না, আবার দাম না বাড়া পর্যন্ত এর বাড়তি কোনো মূল্যও তৈরি হয় না। মানুষ মূলত মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভরসা করেই স্বর্ণ কেনে।’জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেছেন, যা সুদহার বৃদ্ধি ও স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে। সুদহার বেশি থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার ক্ষমতা হারায় এবং মানুষ তখন বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকে।

নোবেল গোল্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কলিন প্লাম আলজাজিরাকে বলেন, যখন ডলার শক্তিশালী হয় তখন স্বর্ণ চাপটি টের পায়। যখন ডলার দুর্বল থাকে তখন স্বর্ণের দাম বাড়ে। বর্তমানে ডলার শক্তিশালী। যার চাপটি টের পাচ্ছে স্বর্ণ। তবে সামনে কি হবে সেটি নিশ্চিত নয়।

অর্থনীতি

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ […]

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এ দিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ […]

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৪৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংককে মোট ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১ হাজার কোটি টাকা। তবে বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চার মাস বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংককে আর্থিক সহায়তা দেয়নি।

গভর্নরের ভাষ্য, পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট গভীর হওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।