সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

আকাশপথের পর এবারই প্রথম সমুদ্রপথে দুবাইতে কাঁঠাল রপ্তানি করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানিতে যুক্ত হলো নতুন এক দিগন্ত। এবারই প্রথম আকাশপথের পাশাপাশি সমুদ্রপথে কাঁঠাল রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত মে মাসে রাজধানী ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্স স্টাইল সমুদ্রপথে ৩ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৩ টন) কাঁঠাল রপ্তানি করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইয়ে। রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে দুবাইয়ের জেবল আলী বন্দরে কাঁঠাল পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ২৬ […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৫, ১৯:০৮

বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানিতে যুক্ত হলো নতুন এক দিগন্ত। এবারই প্রথম আকাশপথের পাশাপাশি সমুদ্রপথে কাঁঠাল রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত মে মাসে রাজধানী ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্স স্টাইল সমুদ্রপথে ৩ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৩ টন) কাঁঠাল রপ্তানি করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইয়ে।

রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে দুবাইয়ের জেবল আলী বন্দরে কাঁঠাল পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ২৬ দিন। তবে আশার খবর হচ্ছে—এই দীর্ঘ সময়েও কাঁঠালের মান প্রায় অক্ষত ছিল।

ইউনিভার্স স্টাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুজ্জামান মানিক বলেন, “৩৫ শতাংশ কাঁঠালের গায়ের রঙ স্বাভাবিক ছিল, আর বাকিগুলোর বাইরের রঙ কিছুটা কালো হলেও ভেতরের ফল একেবারে ভালো ছিল।”

তিনি আরও জানান, এই সফল রপ্তানিকে ঘিরে তারা এখন সমুদ্রপথে কাঁঠাল ও আনারসসহ আরও দেশি ফল রপ্তানির পরিকল্পনা করছেন। এ লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে একটি ওয়্যারহাউস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ উইং সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাঁঠাল এখন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে কাঁঠালের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪৪৮ টন কাঁঠাল রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ২ হাজার ২৪ মেট্রিক টন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রপ্তানিতে সরকার সহযোগিতা করলে সমুদ্রপথে ফল রপ্তানি কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। এতে পরিবহন খরচ কমবে এবং বৈদেশিক আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অর্থনীতি

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়। পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ […]

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল চালু, রাত থেকেই বাড়বে গ্যাস সরবরাহ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৪ আগস্ট ২০২৬, ০১:২৩

প্রায় এক মাসের ভোগান্তির পর সাগরে ভাসমান দুটি এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু হয়েছে। এতে করে মধ্যরাত নাগাদ এই কার্গো থেকে এলএনজি সরবরাহ শুরু হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

এলএনজিবাহী একটি কার্গো আজ শনিবার দুপুরের দিকে মহেশখালী সাগর উপকূলে অবস্থিত এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে পৌঁছায়।

পেট্রোবাংলার পক্ষ থেকে জানান হয়, বিকেল ৪টা নাগাদ এলএনজি থেকে সরবরাহ ঘণ্টায় ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে পৌঁছেছে; দুপুর ১২টার দিকে সরবরাহ ছিল ৫৮১ মিলিয়ন ঘনফুট। বিকেলে এলএনজিসহ গ্যাসের মোট সরবরাহ দাঁড়িয়েছে ২৩০৭ মিলিয়ন ঘনফুট।

দেশে দৈনিক ৩৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদা থাকলেও নিয়মিত ২৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়। তবে গত ২১ জুলাই সাগরে ভাসমান এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে আগুন লেগে গেলে সরবরাহ কমতে থাকে।

গত এক মাসে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির দুইটি টার্মিনালে বারবার বিপত্তি দেখা দিলে দেশে একই সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট দেখা দেয়। এর মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদন কমে গিয়ে সারা দেশে সর্বোচ্চ ৩৭৬৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং দেখতে হয়েছিল।রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির একজন কর্মকর্তা জানান, দুপুর ২টার দিকে এক্সিলারেটের এফএসআরইউর কাছে একটি এলএনজি কার্গো এসে পোঁছায়। ৭ ঘণ্টা পর আনলোড শুরু হবে।

এ দিকে গ্যাসের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে অচল হয়ে আছে সারা দেশের শিল্প কারখানা। নতুন করে গ্যাস আসার খবরে ফের উৎপাদন শুরু করার পরিকল্পনা করছেন শিল্প মালিকেরা। তবে যেসব এলাকায় গ্যাস নেই সেখানে গ্যাস পৌঁছাতে দুই থেকে তিন দিন সময় লেগে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিতরণ সংস্থা তিতাস।

অর্থনীতি

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ […]

ইসলামী ব্যাংককে ১৩ হাজার কোটি টাকা ধার দেওয়া হয়েছে: গভর্নর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুন ২০২৬, ১৮:৪৫

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান জানিয়েছেন, তারল্য সংকট মোকাবিলায় ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসিকে এখন পর্যন্ত ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আমানতকারীদের স্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথমার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে গভর্নর এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিভিন্ন ব্যাংককে মোট ১৭ হাজার কোটি টাকা তারল্য সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে এ সহায়তার পরিমাণ দাঁড়ায় ৫১ হাজার কোটি টাকা। তবে বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম চার মাস বাংলাদেশ ব্যাংক কোনো ব্যাংককে আর্থিক সহায়তা দেয়নি।

গভর্নরের ভাষ্য, পরবর্তীতে ইসলামী ব্যাংকের তারল্য সংকট গভীর হওয়ায় পরিস্থিতি বিবেচনায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সহায়তা দেওয়া হয়। তিনি জানান, কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকিং খাতের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে এবং আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মুদ্রানীতি ঘোষণার সময় গভর্নর আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং উৎপাদনমুখী খাতে ঋণপ্রবাহ নিশ্চিত করাই কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বর্তমান অগ্রাধিকার। একই সঙ্গে ব্যাংকিং খাতে সুশাসন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা জোরদারে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে বলেও জানান তিনি।

অর্থনীতি

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি। বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের […]

বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক আবদুর রহমান খান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৮ জুলাই ২০২৬, ১৮:১১

বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরবর্তী নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান। সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হলে বিশ্বব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তিনি।

বর্তমানে বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পদে দায়িত্ব পালন করছেন অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সাবেক জ্যেষ্ঠ সচিব শরীফা খান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ইতোমধ্যে আবদুর রহমান খানের নিয়োগ সংক্রান্ত ফাইলের অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।

বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদে সদস্য দেশগুলোর প্রতিনিধিত্ব করেন। ঋণ, অনুদান, উন্নয়ন প্রকল্প, নীতিগত সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন আর্থিক কার্যক্রম সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশ নেন তিনি। অন্যদিকে বিকল্প নির্বাহী পরিচালক নির্বাহী পরিচালকের অনুপস্থিতিতে তার দায়িত্ব পালন করেন এবং পরিচালনা পর্ষদের কার্যক্রমে সহায়তা করেন।