রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

অর্থনীতি

আকাশপথের পর এবারই প্রথম সমুদ্রপথে দুবাইতে কাঁঠাল রপ্তানি করলো বাংলাদেশ

বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানিতে যুক্ত হলো নতুন এক দিগন্ত। এবারই প্রথম আকাশপথের পাশাপাশি সমুদ্রপথে কাঁঠাল রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত মে মাসে রাজধানী ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্স স্টাইল সমুদ্রপথে ৩ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৩ টন) কাঁঠাল রপ্তানি করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইয়ে। রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে দুবাইয়ের জেবল আলী বন্দরে কাঁঠাল পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ২৬ […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৫, ১৯:০৮

বাংলাদেশের কৃষি রপ্তানিতে যুক্ত হলো নতুন এক দিগন্ত। এবারই প্রথম আকাশপথের পাশাপাশি সমুদ্রপথে কাঁঠাল রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। গত মে মাসে রাজধানী ঢাকার রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ইউনিভার্স স্টাইল সমুদ্রপথে ৩ হাজার ৫০০ কেজি (সাড়ে ৩ টন) কাঁঠাল রপ্তানি করে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ দুবাইয়ে।

রপ্তানিকারকরা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে দুবাইয়ের জেবল আলী বন্দরে কাঁঠাল পৌঁছাতে সময় লেগেছে প্রায় ২৬ দিন। তবে আশার খবর হচ্ছে—এই দীর্ঘ সময়েও কাঁঠালের মান প্রায় অক্ষত ছিল।

ইউনিভার্স স্টাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইফুজ্জামান মানিক বলেন, “৩৫ শতাংশ কাঁঠালের গায়ের রঙ স্বাভাবিক ছিল, আর বাকিগুলোর বাইরের রঙ কিছুটা কালো হলেও ভেতরের ফল একেবারে ভালো ছিল।”

তিনি আরও জানান, এই সফল রপ্তানিকে ঘিরে তারা এখন সমুদ্রপথে কাঁঠাল ও আনারসসহ আরও দেশি ফল রপ্তানির পরিকল্পনা করছেন। এ লক্ষ্যে টাঙ্গাইলে একটি ওয়্যারহাউস স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংঘনিরোধ উইং সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের কাঁঠাল এখন যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন, আয়ারল্যান্ড ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে কাঁঠালের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

উল্লেখ্য, ২০২৪-২৫ অর্থবছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত ৪৪৮ টন কাঁঠাল রপ্তানি হয়েছে। আগের অর্থবছরে রপ্তানি হয়েছিল ২ হাজার ২৪ মেট্রিক টন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রপ্তানিতে সরকার সহযোগিতা করলে সমুদ্রপথে ফল রপ্তানি কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। এতে পরিবহন খরচ কমবে এবং বৈদেশিক আয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

অর্থনীতি

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে। জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার […]

যে কারণে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৫

সাধারণত বৈশ্বিক সংকটের সময় বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে স্বর্ণের দিকে ঝুঁকে পড়েন, ফলে স্বর্ণের দাম দ্রুত বেড়ে যায়। কিন্তু এবারের চিত্র ভিন্ন। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চললেও এবার এমন চিত্র দেখা যাচ্ছে না। এর বদলে স্বর্ণের দাম কমছে।

জানুয়ারিতে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ছিল ৫ হাজার ৩০৩ ডলার। গত শুক্রবার (১২ জুন) এটি নেমে আসে ৪ হাজার ২৩৫ ডলারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা বলেছে, বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্বের কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো হয়ত সুদের হার কমাবে না। উলটো দাম নিয়ন্ত্রণ রাখতে তারা সুদের হার আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। এতে করে স্বর্ণের প্রতি বিনিয়োগকারীরা খুব বেশি আগ্রহী হচ্ছেন না।

বর্তমান এই মুদ্রাস্ফীতির বড় একটি কারণ হলো হরমুজ প্রণালি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের হামলার প্রতিবাদে যুদ্ধের শুরু থেকেই হরমুজ অবরোধ করে রেখেছে ইরান। এতে করে গ্যাস ও তেলের সরবরাহ ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। যার প্রভাবে বেড়েছে মুদ্রাস্ফীতি।

যুক্তরাষ্ট্রে গত তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ মুদ্রাস্ফীতি দেখা যাচ্ছে। এছাড়া দেশটির চাকরির বাজারও থমকে আছে। ফলে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুদহার কমাবে এমন কোনো সম্ভাবনা খুবই কম।বিনিয়োগকারীদের কাছে স্বর্ণ মুদ্রাস্ফীতি মোকাবেলার একটি হাতিয়ার (হেজ) হিসেবে কাজ করলেও, উচ্চ সুদের হার সাধারণত এই মূল্যবান ধাতুর ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। স্বর্ণকে মূলত একটি ‘মুনাফাহীন’ সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ নিজস্ব মূল্য বৃদ্ধি ছাড়া এটি থেকে বাড়তি কোনো আয় বা লভ্যাংশ আসে না। অন্য কথায়, স্বর্ণ থেকে মুনাফা করতে হলে কেবল এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার ওপরই নির্ভর করতে হয়।

আলজাজিরাকে আর্থিক খাতের ওয়েবসাইট ‘অপশনস্প্রেডার্স ডটকমের’ প্রধান অপশন অ্যানালিস্ট জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেন, ‘যেকোনো সম্পদের তুলনায় স্বর্ণ প্রকৃত অর্থের (টাকার) সবচেয়ে কাছাকাছি একটি রূপ। এখান থেকে কোনো লভ্যাংশ পাওয়া যায় না, আবার দাম না বাড়া পর্যন্ত এর বাড়তি কোনো মূল্যও তৈরি হয় না। মানুষ মূলত মূল্যবৃদ্ধির ওপর ভরসা করেই স্বর্ণ কেনে।’জাস্টিন কার্ডওয়েল বলেছেন, যা সুদহার বৃদ্ধি ও স্বর্ণকে সরাসরি প্রতিযোগিতার মধ্যে ফেলে। সুদহার বেশি থাকলে স্বর্ণ বিনিয়োগ হিসেবে তার ক্ষমতা হারায় এবং মানুষ তখন বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের দিকে ঝুঁকে।

নোবেল গোল্ড ইনভেস্টমেন্টের প্রধান নির্বাহী কলিন প্লাম আলজাজিরাকে বলেন, যখন ডলার শক্তিশালী হয় তখন স্বর্ণ চাপটি টের পায়। যখন ডলার দুর্বল থাকে তখন স্বর্ণের দাম বাড়ে। বর্তমানে ডলার শক্তিশালী। যার চাপটি টের পাচ্ছে স্বর্ণ। তবে সামনে কি হবে সেটি নিশ্চিত নয়।

অর্থনীতি

আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল এলো বাংলাদেশে

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা চাপে থাকলেও এর মধ্যেই আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল দেশে এসেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের একটি জাহাজ ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছায়। চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন […]

আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল এলো বাংলাদেশে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৭ মার্চ ২০২৬, ০২:১৩

দেশের জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা চাপে থাকলেও এর মধ্যেই আরও একটি জাহাজে করে ৩০ হাজার টন জ্বালানি তেল দেশে এসেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে ‘এমটি গ্রান কুভা’ নামের একটি জাহাজ ১০ হাজার টন ডিজেল ও ২০ হাজার টন জেট ফুয়েল নিয়ে দেশে পৌঁছায়। চুক্তি অনুযায়ী এই জ্বালানি সরবরাহ করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান ইউনিপেক।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানায়, জাহাজে আনা ডিজেল পরিবহণ ও শিল্প খাতে ব্যবহার করা হবে। অন্যদিকে জেট ফুয়েল সরবরাহ করা হবে দেশের বিমানবন্দরগুলোতে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহে বিলম্বের কারণে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ তৈরি হয়েছে। চলতি মাসে তেল নিয়ে ১৭টি জাহাজ দেশে আসার কথা ছিল। এর আগে এসেছে আটটি। আর আজ এলো একটি জাহাজ।

জাহাজ আসার বিষয়টি নিশ্চিত করে বিপিসির চেয়ারম্যান মো. রেজানুর রহমান বলেন, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ডিজেল ও জেট ফুয়েল নিয়ে জাহাজটি আজ সকালে দেশে এসেছে। এখন জ্বালানিসংকট নেই। বিকল্প উৎস থেকেও তেল সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

বিপিসি সাধারণত সরকার থেকে সরকার (জিটুজি) চুক্তি ও আন্তর্জাতিক দরপত্রের মাধ্যমে জ্বালানি আমদানি করে থাকে। বছরে ৬৫ থেকে ৬৮ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানি করা হয়। এর মধ্যে প্রায় ১৫ লাখ টন অপরিশোধিত তেল, যা মূলত সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে।

মোট চাহিদার ২০ শতাংশ অপরিশোধিত আকারে এনে দেশে পরিশোধন করা হয়, বাকি ৮০ শতাংশ পরিশোধিত অবস্থায় আমদানি করা হয়। ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়াসহ আটটি দেশ থেকে।

এদিকে জানা গেছে, আগামী এপ্রিলে সমুদ্রপথে ১৪টি জাহাজ এবং পাইপলাইনে ৩টি পার্সেলের মাধ্যমে মোট ৩ লাখ টন ডিজেল, ৫০ হাজার টন জেট ফুয়েল, ২৫ হাজার টন অকটেন এবং ৫০ হাজার টন ফার্নেস তেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে, এখন পর্যন্ত মাত্র ১ লাখ ১০ হাজার টন ডিজেল এবং পাইপলাইনে ২০ হাজার টন সরবরাহের নিশ্চয়তা পাওয়া গেছে। এছাড়া, আগামী মে মাসে ১৭টি জাহাজে সাড়ে তিন লাখ টন ডিজেলসহ অন্যান্য জ্বালানি আসার সূচি ঠিক করা হয়েছে।

অর্থনীতি

মার্চে এসেছে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, ইতিহাসে সর্বোচ্চ

এ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪৬ হাজার ৯২ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি ১২২.৭৫ হিসাবে)। ইতিহাসে এই প্রথম পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২৫ সালের মার্চে। সে মাসে প্রবাসীরা মোট ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন বা ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স […]

মার্চে এসেছে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, ইতিহাসে সর্বোচ্চ

মার্চে এসেছে পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স, ইতিহাসে সর্বোচ্চ

নিউজ ডেস্ক

০২ এপ্রিল ২০২৬, ১০:১৯

এ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে ৩ দশমিক ৭৫ বিলিয়ন বা ৩৭৫ কোটি ডলার। বাংলাদেশী মুদ্রায় এর পরিমাণ ৪৬ হাজার ৯২ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি ১২২.৭৫ হিসাবে)। ইতিহাসে এই প্রথম পৌনে ৪ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

এর আগে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স এসেছিল ২০২৫ সালের মার্চে। সে মাসে প্রবাসীরা মোট ৩ দশমিক ২৯ বিলিয়ন বা ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে পাঠান। মূলত রোজা ও ঈদের মতো উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশে রেমিট্যান্সের প্রবাহ বৃদ্ধি পায়। গত বছর ২ মার্চ পবিত্র রমজান শুরু হয়ে ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়। আর চলতি বছর রমজান শুরু হয়েছিল ১৯ ফেব্রুয়ারি। এরপর ২১ মার্চ ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হয়ে গেলেও এখনো রেমিট্যান্সের উচ্চপ্রবাহ অব্যাহত আছে। ঈদুল ফিতরের পর ব্যাংক খোলে ২৪ মার্চ। পরবর্তী আটদিনেই দেশে রেমিট্যান্স এসেছে প্রায় ৯৩ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে চলতি মার্চে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১৪ শতাংশ।

এ নিয়ে টানা চার মাস ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে প্রবাসী আয়। গত বছরের ডিসেম্বরে দেশে বৈধপথে রেমিট্যান্স আসে ৩২২ কোটি ডলার। এরপর চলতি ২০২৬ সালের প্রথম মাস তথা জানুয়ারিতে প্রবাসীরা দেশে ৩১৭ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠান। এরপর ফেব্রুয়ারিতে প্রবাসী আয় আসে ৩০২ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে দেশের ইতিহাসে একক মাস হিসেবে এখন পর্যন্ত পাঁচবার ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে প্রবাসী আয়। আর প্রথমবারের মতো এবার সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করেছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এখন পর্যন্ত ২৬ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার প্রবাসী আয় এসেছে দেশে। যেখানে গত অর্থবছরের একই সময়ে প্রবাসী আয় এসেছিল ২১ দশমিক ৭৮ বিলিয়ন ডলার। এক বছরের ব্যবধানে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০ দশমিক ৩ শতাংশ।

অর্থ পাচার কমে আসায় ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক ধারা অব্যাহত আছে বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান। বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, ‘৫ আগস্ট-পরবর্তী সময় থেকেই বৈধপথে প্রবাসী আয়ের প্রবৃদ্ধি উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় এখন প্রবাসীরা বেশি অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন এবং এক্ষেত্রে তারা ব্যাংকিং ব্যবস্থার ওপরই বেশি আস্থা রাখছেন। আশা করি, সামনের দিনগুলোতেও প্রবৃদ্ধির এ ধারা অব্যাহত থাকবে।’

রেমিট্যান্সের এ প্রবাহের ওপর ভিত্তি করে দেশের রিজার্ভের ভিতও মজবুত হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশের বর্তমান গ্রস রিজার্ভ (১ এপ্রিল পর্যন্ত) ৩৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের হিসাব পদ্ধতি (বিপিএম৬) অনুযায়ী এটি ২৯ দশমিক ৬১ বিলিয়ন ডলার।