শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

ফিচার

‘আ. লীগ ফিরবে’ বলা অভিযুক্ত ইউএনও প্রত্যাহার নয়, পেয়েছেন ‘পদোন্নতি ’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি “আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে” বলে মন্তব্য করেছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক নেতার কাছ থেকে এ অভিযোগ পাওয়ার পর জনপ্রশাসন সচিব তাকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। ফরিদপুরের সদরপুরের এই ইউএনওকে বদলির জন্য অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এটি প্রত্যাহার নয় বরং “পদোন্নতি দিয়ে বদলি”। আল […]

নিউজ ডেস্ক

১৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৩২

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি “আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে” বলে মন্তব্য করেছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের এক নেতার কাছ থেকে এ অভিযোগ পাওয়ার পর জনপ্রশাসন সচিব তাকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। ফরিদপুরের সদরপুরের এই ইউএনওকে বদলির জন্য অবমুক্ত করা হয়েছে। তবে জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, এটি প্রত্যাহার নয় বরং “পদোন্নতি দিয়ে বদলি”।

আল মামুন এখন গাইবান্ধার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করবেন, যা প্রশাসন ক্যাডারে ইউএনও (সিনিয়র সহকারী সচিব) পদের চেয়ে এক ধাপ উঁচু পদ।

জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যা বিবিসি বাংলাকে জানান, মামুনের বদলির আদেশ অভিযোগ ওঠার আগেই জারি হয়েছিল।

তিনি আরও যোগ করেন, “প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে অবমুক্ত করা হয়েছে।”

বর্তমানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) রুবানা তানজিন সদরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পালন করছেন।

কী হয়েছিল সেদিন?

গত বুধবার জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের সদস্যদের সাথে ফরিদপুরের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতবিনিময় সভা হয়। সেখানে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রতিনিধি আনিসুর রহমান সজল সদরপুরের ইউএনও আল মামুনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন যে, কয়েকদিন আগে তিনি (মামুন) ‘আওয়ামী লীগের ফিরে আসা’ সংক্রান্ত বক্তব্য দিয়েছিলেন।

সভায় উপস্থিত জনপ্রশাসন সচিব ওই ইউএনওকে ‘তাৎক্ষণিক’ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন বলে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলোর খবরে বলা হয়।

সজলের বর্ণিত ঘটনার দিন সদরপুরের ইউএনওর কক্ষে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

‘আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে’ এমন বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ উঠলেও স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা ইউএনওর পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন। সংবাদ সম্মেলন এবং মানববন্ধন করে প্রতিবাদও জানিয়েছে দল দুটি।

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কাজী বদরুজ্জামান দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগ ফিরে আসবে – এমন কোনো কথা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেননি। আমি কর্মসূচির স্থান এবং উনার রুমে দুই জায়গাতেই ছিলাম।’

বদরুজ্জামান যোগ করেন, ‘ইউএনও আল মামুন ‘উপদেশের সুরে’ বলেছিলেন, আপনারা যদি ঐক্যবদ্ধ না থাকেন তাহলে কিন্তু আওয়ামী লীগ সুযোগ পাবে ফিরে আসার।’

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতা সজল মিথ্যাচার করেছেন বলে দাবি তার।

তবে আনিসুর রহমান সজলের দাবি, তিনি নিজে যা শুনেছেন তাই উপস্থাপন করেছেন সংস্কার কমিশনের মতবিনিময় সভায়। ইউএনও সরাসরি ‘আওয়ামী লীগ ফিরে আসার’ কথা বলেছেন নাকি বিশেষ পরিস্থিতিতে সেই ‘সুযোগ’ তৈরি হতে পারে বোঝাতে বলেছেন তা আলাদা করে দেখার পক্ষে নন তিনি।

‘জনগণের একজন সেবক তার অফিসে বসে কোনো রাজনৈতিক কথা বলবেন কেন? আমি শুধু এই মানসিকতার সংশোধনের জন্য বলেছিলাম,’ বলছিলেন সজল।

অবশ্য মতবিনিময় সভার ভিডিও ফুটেজে তাকে বলতে শোনা গেছে, তিনি (ইউএনও) আমাদেরকে অফিসে ডেকে ছলে-কৌশলে বলার চেষ্টা করে ‘আওয়ামী লীগ উইল বি কাম ব্যাক, টুডে অর টুমরো।’

এ ব্যাপারে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে বদলি হওয়া কর্মকর্তা আল-মামুনের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তবে, স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমে তিনি এ ধরনের কথা বলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

‘রাজনৈতিক বক্তব্য’ ও ‘তদন্ত ছাড়াই শাস্তি’

ফরিদপুরে সংস্কার কমিশনের মতবিনিময়ে কমিশনের চেয়ারম্যান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মোখলেসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রতিনিধির অভিযোগ শুনে মোখলেসুর রহমান ইউএনওকে তাৎক্ষণিক প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন।

তবে শেষ পর্যন্ত সেই নির্দেশ প্রতিপালিত হয়নি, প্রত্যাহার করা হয়নি ইউএনও আল মামুনকে।

স্বাভাবিক নিয়মে তার পদোন্নতি হয়েছে বলে বিবিসি জানান জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান মোল্যা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক সৈয়দা লাসনা কবির বলেন, জনপ্রশাসনে যারা আছেন, প্রথমত তাদের কোনো রাজনৈতিক বক্তব্য এখতিয়ার নেই।

‘এমন কোথাও কোনো রাজনৈতিক বক্তব্যও দেয়া উচিত না যেটা পাবলিক (প্রকাশিত) হতে পারে,’ যোগ করেন অধ্যাপক কবির।

আবার কোনো রকম তদন্ত ছাড়া ‘তাৎক্ষণিক’ শাস্তি দেওয়াও উচিত নয় বলে অভিমত তার।

তিনি বলেন, ‘কর্মকর্তা আসলেই বলেছেন কি না, আসলেই ছাত্র প্রতিনিধি শুনেছেন কি না সেটা তো তদন্ত করে বের করে আনতে হবে। তার আগে প্রত্যাহার বা বদলির সিদ্ধান্ত কোনো অবস্থাতেই ঠিক নয়।’

শেখ হাসিনার পতনের পর সরকারি, আধা-সরকারি, এমনকি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পদত্যাগের হিড়িক দেখা গেছে।

এক্ষেত্রে কেউ কেউ স্বেচ্ছায় পদ ছেড়েছেন। আবার অনেক প্রতিষ্ঠানে বিক্ষোভ, অপমান-অপদস্তসহ নানান চাপের মুখে কর্তা ব্যক্তিরা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।

শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভের মুখে দায়িত্ব ছেড়ে দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বেশিরভাগ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, সহ-উপাচার্য, প্রক্টরসহ শীর্ষ পদের ব্যক্তিরা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে প্রধান বিচারপতিসহ আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরাও পদত্যাগ করেন। পদত্যাগ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্য কমিশনাররাও।

দেশজুড়ে প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল আনা হয়। সচিব থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনওসহ বিভিন্ন পদে পরিবর্তন আসে।

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নয়ই সেপ্টেম্বর যোগদান করেন আল মামুন। তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ৩৪ ব্যাচের কর্মকর্তা।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৩১