রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

শিক্ষার মানোন্নয়নে রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ

শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী হওয়া, বাড়িতে নিয়মিত পড়াশোনা এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়। এবারের দাখিল পরীক্ষায় রশিকনগর […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ আগস্ট ২০২৬, ২২:৩০

শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং অভিভাবকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসায় অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১৯ আগস্ট) মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সমাবেশে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিতি, শ্রেণিকক্ষে মনোযোগী হওয়া, বাড়িতে নিয়মিত পড়াশোনা এবং নৈতিক ও মানবিক মূল্যবোধ বিকাশে অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

এবারের দাখিল পরীক্ষায় রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ২৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। তাদের মধ্যে ৬ জন উত্তীর্ণ হয়েছে। এতে প্রতিষ্ঠানটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে ২৬ দশমিক ০৯ শতাংশ। প্রত্যাশিত ফলাফল না হওয়ায় শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফলাফল উন্নত করতে শিক্ষক-অভিভাবক সমন্বয় জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজ ভূঁইয়া। মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ হালিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মাদ্রাসার সুপার আজিজুল হক, সহকারী সুপার আনিসুর রহমান, সহকারী মৌলভী জহিরুল ইসলাম, হাদিস শিক্ষক মহিবুল্লাহসহ শিক্ষক, অভিভাবক ও স্থানীয় নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তাফিজ ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষার মানোন্নয়নে শুধু শিক্ষকদের ভূমিকা যথেষ্ট নয়; শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবক—তিন পক্ষের সম্মিলিত দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন। শিক্ষকরা নির্দিষ্ট সময়ে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করেন। দিনের বাকি সময় শিক্ষার্থীরা পরিবারের পরিবেশে থাকে। তাই সন্তান নিয়মিত পড়াশোনা করছে কি না, সময়মতো মাদ্রাসায় যাচ্ছে কি না এবং পড়াশোনায় কোনো সমস্যা হচ্ছে কি না—এসব বিষয়ে অভিভাবকদের নিয়মিত খোঁজখবর রাখতে হবে।

তিনি বলেন, শুধু ভালো ফলাফল নয়, শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তোলাও শিক্ষার অন্যতম লক্ষ্য। এ জন্য পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাদ্রাসা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মোঃ হালিম বলেন, রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসা দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে শিক্ষাদান করে আসছে। তবে এবারের দাখিল পরীক্ষার ফলাফল প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি। মাদ্রাসার শিক্ষার মানোন্নয়ন ও সুনাম ধরে রাখতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় মোবাইল ফোনের অতিরিক্ত ব্যবহার নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই অভিভাবকদের সন্তানদের মোবাইল ব্যবহারের বিষয়ে নজরদারি বাড়াতে হবে এবং প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময় ও অভিভাবকের তত্ত্বাবধানে মোবাইল ব্যবহারের সুযোগ দিতে হবে।

মাদ্রাসার সুপার আজিজুল হক বলেন, এবারের দাখিল পরীক্ষায় দীঘিনালা উপজেলার অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল আশানুরূপ হয়নি। রশিকনগর দাখিল মাদ্রাসাও এর ব্যতিক্রম নয়। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফলের জন্য শিক্ষকরা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের আরও কার্যকর ও মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

অভিভাবক জামাল উদ্দিন বলেন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নে শিক্ষকদের পাশাপাশি অভিভাবকদেরও আরও সচেতন হতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী নিয়মিত মাদ্রাসায় উপস্থিত না হলে দ্রুত অভিভাবকদের জানানো প্রয়োজন। এতে সময়মতো প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।

সমাবেশে অভিভাবকরা শিক্ষার পরিবেশ উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা, বাড়িতে পড়াশোনার প্রতি নজরদারি বৃদ্ধি এবং শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ গঠনে শ্রেণিকক্ষের পাঠদানের পাশাপাশি পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। শিক্ষার মানোন্নয়ন ও ফলাফল উন্নত করতে এ ধরনের অভিভাবক সমাবেশ ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখা হবে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।