বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ২৭

মেহেদী হাসান,যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন সাংবাদিক সহ ২৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর সদর হাসপাতালে ও চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে […]

যবিপ্রবি শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক সংঘর্ষ, আহত ২৭

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৭:৪০

মেহেদী হাসান,যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ জন সাংবাদিক সহ ২৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।

তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. এম আর খান মেডিকেল সেন্টারে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট যশোর সদর হাসপাতালে ও চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে আজ বুধবার সকালে অভিযুক্ত সেই ইভটিজারকে আটক করে যৌথবাহিনী।

মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকটস্থ আমবটতলা বাজার নামক স্থানে এ সংঘর্ষের ঘটনা শুরু হয়।

ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী বলেন, “গত ২৪ নভেম্বর আমি ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কাজ করার জন্য আমবটতলার ইলেকট্রনিক্স দোকানে রাত ৮ টায় যাই। তখন সেই দোকানে ইলেকট্রিক ওয়্যার খুলতে ছিলাম। ভুলবশত আমার হাত হালকা কেটে যায়, কিন্তু আমি সেই দিকে খেয়াল করি না।

দোকানদার আমার হাত জোরপূর্বক টেনে নেয় এবং ঔষধ লাগানোর চেষ্টা করে। এরপর আমি আমার কাজ শেষ করে দ্রুত বের হয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তখন সে আমার ব্যক্তিগত বিষয়ে প্রশ্ন করে এবং অশালীন কথাবার্তা শুরু করে। কথাগুলো এমন ছিলো ‘আপনার জীবনে কোনো কষ্ট আছে কিনা? আপার হাত কেটে গেছে, কোনো অনুভূতি নেই।

আপনার বাসা বরিশালে কিনা? আপনার বয়ফ্রেন্ড আছে? তা থাকলে তো তাদের জীবন তো শেষ।’ এসব কথা শোনার পর আমি রেগে যাই। তা দেখে সে আরও মজা নিতে থাকে। আমি সেখান থেকে দ্রুত টাকা দিয়ে বের হয়ে যেতে চাইলে সে বলে— ‘টাকা দিতে হবে না, আপনি আরও ব্যাটারি নিয়ে আসেন, আমার সামনে বসে ব্যাটারি খুলেন, আমি দেখি।

আমি আপনাকে আমার পকেট থেকে টাকা দিচ্ছি।’ আমি তার এই অশালীন কথা শুনে সেখান থেকে চলে যাচ্ছিলাম, তখন সে আমাকে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করে এবং শুভরাত্রি বলে।”

এবিষয়ে কেমিকৌশল বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সাব্বির বলেন, আমাদের এক জুনিয়র ছাত্রীকে একজন দোকানদার অশালীন ভাষায় যৌন হয়রানি করে। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি।

তখন ছাত্রীটি কেদেঁ বলে যে দোকানদার তার সঙ্গে অসভ্যভাবে কথা বলেছে। আমরা তাকে অনুরোধ করি আমাদের ছোট বোনের কাছে ক্ষমা চাইতে। কিন্তু ক্ষমা চাওয়ার বদলে তিনি বাজার কমিটির কয়েকজনকে ডেকে আমাদের মারধর করে।

এতে আমি, আমার জুনিয়র ও ব্যাচমেট সবাই আহত হই। কোনোভাবে আমরা সেখান থেকে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে আসি। বিষয়টি তাৎক্ষণিক প্রক্টর এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালককে ফোন করলেও কোনো সহায়তা পাইনি।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয়দের ধাওয়া পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংবাদ সংগ্রহের সময় ছোড়া ইটপাটকেলে আহত হন ডেইলি ক্যাম্পাসের সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম ও রাইজিং বিডির সাংবাদিক ইমদাদুল ইসলাম।

এছাড়াও সাংবাদিকদের ফোন কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করে উত্তেজিত জনতা, একপর্যায়ে সাব্বির হোসেন নামের আরেক সাংবাদিকের সাইকেল ভেঙ্গে পুড়িয়ে দেয় তারা।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বডি চেষ্টা করলেও তারা ব্যর্থ হন। পরবর্তীতে এ সংঘর্ষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। সংঘর্ষের তিন ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীরা।

সংঘর্ষের এক পর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, প্রক্টরিয়াল টিমের সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকাবাসী ও শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন। পরবর্তীতে রাত ৯ টার পরে সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও পুলিশের যৌথবাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এরপর আহত শিক্ষার্থীদের দেখতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারে যান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষসহ আরও অনেকে। সেসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সময়মতো ঘটনাস্থলে উপস্থিত করতে না পারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগের দাবিতে তাদেরকে অবরুদ্ধ করে শিক্ষার্থীরা।

এ বিষয়ে প্রক্টর ড. মোঃ ওমর ফারুক বলেন, “একটি ছাত্রীকে ইভটিজিং করাকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ ঘটে। আমাদের প্রক্টরিয়াল বডিসহ অনেক শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেছি, কিন্তু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আসতে দেরি করায় পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যায়।

সংঘর্ষে আমাদের বেশ কিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। এখন শিক্ষার্থীদের একাংশ ভিসি স্যারকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিলেন। ভিসি স্যারের নিকট শিক্ষার্থীরা ৬টি দাবি তুলে ধরেন। পরবর্তীতে সবগুলো দাবি পূরণের আশ্বাস দেন এবং আসামিকে গ্রেফতার করা নিশ্চিত করেন। 

ঘটনা প্রসঙ্গে যবিপ্রবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল মজিদ বলেন, ঘটনাটি আমি সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে জানতে পারি। বিষয়টি জানার সাথে সাথে আমি এসপি, জিওসি, র‍্যাবসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করি।

তারা বিষয়টি শোনেন ঠিকই, কিন্তু আমরা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো তাৎক্ষণিক সহযোগিতা পাইনি। পুলিশের সময়মতো হস্তক্ষেপ পেলে সংঘর্ষ এত বড় আকার ধারণ করত না।দুঃখজনকভাবে, পুলিশ দেরিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পরও তারা সক্রিয়ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়।

পুলিশের সহযোগিতার অভাবেই ঘটনা বড় হয়েছে। পুলিশের ভূমিকায় আমরা হতাশ। পুলিশের এমন দায়িত্বহীনতায় দেশের সার্বিক নিরাপত্তা হুমকির মুখে।

তিনি আরো বলেন, আহত শিক্ষার্থীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে আমরা দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাজার কমিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসবো, যাতে এমন বিরূপ আচরণের পুনরাবৃত্তি আর না ঘটে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।