মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবিতে মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও কয়েকজন শিক্ষক মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন। এক পর্যায়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের কক্ষে বসে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেখানেও উত্তেজনা থামেনি। বিপরীত পক্ষ করিডোরে মুখোমুখি হলে আবার সংঘর্ষ বাধে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ নভেম্বর ২০২৫, ২২:৫৬

রোকুনুজ্জামান, জবি

‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, ফটকের সামনে, শান্ত চত্বরে ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের দপ্তরের সামনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনায় উভয় পক্ষের একাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

‎জানা গেছে, সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রায় ১৫-১৬ জন শিক্ষার্থী মার্কেটিং বিভাগের তিন শিক্ষার্থীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ।

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও কয়েকজন শিক্ষক মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন। এক পর্যায়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের কক্ষে বসে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেখানেও উত্তেজনা থামেনি। বিপরীত পক্ষ করিডোরে মুখোমুখি হলে আবার সংঘর্ষ বাধে।

এ বিষয়ে মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সামি উদ্দিন সাজিদ বলেন, ‎“সোমবার সকালে বাসে আমরা গল্প করছিলাম। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদি নামের একজন বারবার ধমক দিচ্ছিলেন। আমরা শুধুই অনুরোধ করেছিলাম, সুন্দরভাবে কথা বলতে। কিন্তু তিনি বিষয়টি বাড়িয়ে ফেলেন। এরপর শুনি তিনি আমাদের খুঁজছেন।”

‎তিনি আরও বলেন,“মঙ্গলবার তিনি বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে মারধর করেন। আচরণ দেখে মনে হয়েছে, আক্রমণটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল।”

‎এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, এটি নাকি সাধারণ বিভাগীয় ঘটনা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তির বিষয়। কারণ মারামারি থেকে শুরু করে বিচার পর্যন্ত বেশ কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে যা বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সমঝোতার বৈঠকটি সাধারণ কোনো প্রশাসনিক স্থানে না হয়ে অনুষ্ঠিত হয় অধ্যাপক রইছ উদ্দিনের কক্ষে। সেখানে জবির ১৫-১৬-১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা প্রবেশ করেন। পরে তারা উচ্চস্বরে চেঁচামেচি করে অন্য শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়। রুমে রাখা হয় কেবল আহত শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন শিক্ষককে।

তাই সাধারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে-

  • দুই বিভাগের বিবাদ নিষ্পত্তি কেন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের রুমে করা হলো?
  • ‎সিনিয়রদের বের করে রেখে গোপনে সমঝোতার প্রয়োজন পড়লো কেন?
  • আর যদি ঘটনা রাজনৈতিক না হয়, ছাত্রদল ঘনিষ্ঠরা সেখানে গেল কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

‎এ বিষয়ে জবি ছাত্রদল এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ঘটনাটিতে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বিবৃতিতে বলা হয়,

“আসসুন্নাহ হলের দুই শিক্ষার্থী বাসে করে আসার পথে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে তা দুই বিভাগের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদলের নেতারা কেবল ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকায় সমাধানের উদ্যোগে এগিয়ে যান।”

‎তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রক্টর ও সভাপতিদের উপস্থিতির পরও বারবার সংঘর্ষ, গোপন আলোচনা এবং ভিসির উপস্থিতি, সব মিলিয়ে বিষয়টিতে প্রশাসনের দুর্বলতা ও রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন বা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।

‎শিক্ষার্থীদের দাবি,“সাধারণ মারামারি হলে খোলা জায়গায় অথবা প্রক্টর অফিসের মতো যথাযথ প্রশাসনিক দপ্তরের মাধ্যমে বিচার হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু যখন বিচার হয় কারও ব্যক্তিগত রুমে, যখন সিনিয়রদের বের করে রাখা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকেও বিষয়টি সমাধানের জন্য ক্যাম্পাসে বিএনপি পন্থি শিক্ষক বলে সমাধিক পরিচিত কোনো শিক্ষকের কক্ষে যেতে হয়, তখন বোঝা যায় ক্ষমতার অঘোষিত প্রভাব কাজ করছে।”

‎এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‎“এমন পরিবেশে নিরাপদ শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। ছাত্র, শিক্ষক, প্রশাসন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আরো শক্ত হাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, “প্রাথমিকভাবে দুই বিভাগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। পরে তা বড় আকার ধারণ করে। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে, তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।