বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পরিচালকের পদবি না পাওয়ায় পবিপ্রবি শিক্ষকের হতাশা, তালাবদ্ধ অফিসকক্ষ নিয়ে বিতর্ক

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পরিচালকের অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ সংকট। সংকটের কেন্দ্রবিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলামের পরিচালকের পদবি না পাওয়া। ইতোমধ্যে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। কার্যালয়ের চাবি না থাকায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ২২:৫৯

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পরিচালকের অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ সংকট। সংকটের কেন্দ্রবিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলামের পরিচালকের পদবি না পাওয়া।

ইতোমধ্যে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। কার্যালয়ের চাবি না থাকায় নিজের বিভাগীয় কক্ষেই শাখা পরিচালকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন নবনিযুক্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক।

জানা যায়, গত ৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ছাত্র উপদেষ্টা (বর্তমান পদবি—ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক) পদটি শূন্য হয়। জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পরপরই ছাত্র উপদেষ্টা হতে আগ্রহী হন এবিএম সাইফুল ইসলাম। যদিও ক্যানসার আক্রান্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকাকালে ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকারের ওপর অর্পণ করেছিলেন। নিয়োগের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অধ্যাপক সুজাহাঙ্গীর ভারপ্রাপ্ত ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

ড. জিল্লুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছাত্র উপদেষ্টার বাইরেও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে দুটি পদই শূন্য হয়। পরবর্তীতে গত ৪ আগস্ট (সোমবার) ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টার পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক ড. সুজাহাঙ্গীরকে এবং রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ছাত্র উপদেষ্টা হওয়ার অভিপ্রায়ে পরিচালক নিয়োগের কিছুদিন আগে ড. সাইফুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলো নিয়ে মিটিং আহ্বান করেন। পরবর্তীতে এই মিটিং আহ্বান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটি একবার স্থগিতও করা হয়। এরপরও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তৎকালীন ছাত্র উপ-উপদেষ্টা ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগ করলেও তিনি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালকের কার্যালয়ে নিজস্ব একটি তালা ঝুলিয়ে রেখে যান। তাঁকে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি জানান, প্রয়াত অধ্যাপক জিল্লুর রহমানের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কার্যালয়ে থাকার কারণে তালা লাগিয়েছেন।

পরবর্তীতে ড. সাইফুল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে দাবি করেন, তাঁকে না দিয়ে তার জুনিয়র একজন শিক্ষককে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। অথচ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ড. সাইফুল ও ড. সুজাহাঙ্গীর দু’জনই ২০০৭ সালের ১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

চাকরিতে যোগদানের পর ২০১৪ সালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ড. সাইফুল বরখাস্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক (গ্রেড-৪) হিসেবে কর্মরত আছেন। অপরদিকে ড. সুজাহাঙ্গীর অধ্যাপক (গ্রেড-২) হিসেবে কর্মরত আছেন।

এ বিষয়ে নবনিযুক্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার বলেন, “জুলাই পরবর্তী সময়ে কোনো পদবি নিয়ে আমরা শিক্ষকরা রেষারেষি করব—এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন। শিক্ষকদের প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত শিক্ষার মান ও গবেষণা নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকে সেটিই আমাদের কাম্য।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম কার্যালয়ে তালা লাগানোর কথা স্বীকার করে বলেন, “ড. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর আমি নিজ উদ্যোগে নিজস্ব একটি তালা পরিচালকের কক্ষে লাগিয়ে দিই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি কোনো ইনভেন্টরি কমিটি গঠন করে, আমি সেই কমিটির কাছেই কেবল চাবি হস্তান্তর করব।”

ড. সুজাহাঙ্গীর অধ্যাপক অথচ আপনি সহযোগী অধ্যাপক হয়েও তাঁকে আপনার জুনিয়র বলেছেন কেন–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা দু’জনই ২০০৭ সালের একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। বিগত বছরগুলোতে আমি বঞ্চিত হয়েছি, আমাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। ড. সুজাহাঙ্গীর আমার চেয়ে বয়সে ছোট, তাই আমাকে দায়িত্ব না দিয়ে আমার জুনিয়রকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে— এমন বিবৃতি দিয়েছি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।