সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

পরিচালকের পদবি না পাওয়ায় পবিপ্রবি শিক্ষকের হতাশা, তালাবদ্ধ অফিসকক্ষ নিয়ে বিতর্ক

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পরিচালকের অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ সংকট। সংকটের কেন্দ্রবিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলামের পরিচালকের পদবি না পাওয়া। ইতোমধ্যে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। কার্যালয়ের চাবি না থাকায় […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ আগস্ট ২০২৫, ২২:৫৯

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। পরিচালকের অফিসকক্ষে তালাবদ্ধ থাকা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিশেষ সংকট। সংকটের কেন্দ্রবিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. এবিএম সাইফুল ইসলামের পরিচালকের পদবি না পাওয়া।

ইতোমধ্যে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এখনো কোনো সমাধান আসেনি। কার্যালয়ের চাবি না থাকায় নিজের বিভাগীয় কক্ষেই শাখা পরিচালকের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন নবনিযুক্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক।

জানা যায়, গত ৩ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়াত অধ্যাপক ড. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে ছাত্র উপদেষ্টা (বর্তমান পদবি—ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক) পদটি শূন্য হয়। জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পরপরই ছাত্র উপদেষ্টা হতে আগ্রহী হন এবিএম সাইফুল ইসলাম। যদিও ক্যানসার আক্রান্ত অবস্থায় চিকিৎসাধীন থাকাকালে ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকারের ওপর অর্পণ করেছিলেন। নিয়োগের আগ মুহূর্ত পর্যন্ত অধ্যাপক সুজাহাঙ্গীর ভারপ্রাপ্ত ছাত্র উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।

ড. জিল্লুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত ছিলেন। ছাত্র উপদেষ্টার বাইরেও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে দুটি পদই শূন্য হয়। পরবর্তীতে গত ৪ আগস্ট (সোমবার) ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টার পদে বিশ্ববিদ্যালয়ের জামায়াতপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক ড. সুজাহাঙ্গীরকে এবং রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য পদে বিএনপিপন্থী শিক্ষক অধ্যাপক ড. মামুন অর রশিদকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

ছাত্র উপদেষ্টা হওয়ার অভিপ্রায়ে পরিচালক নিয়োগের কিছুদিন আগে ড. সাইফুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি ব্যতীত ক্রিয়াশীল সংগঠনগুলো নিয়ে মিটিং আহ্বান করেন। পরবর্তীতে এই মিটিং আহ্বান নিয়ে প্রশ্ন উঠলে সেটি একবার স্থগিতও করা হয়। এরপরও ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালকের পদবি না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে তৎকালীন ছাত্র উপ-উপদেষ্টা ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম পদত্যাগ করেন।

পদত্যাগ করলেও তিনি ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালকের কার্যালয়ে নিজস্ব একটি তালা ঝুলিয়ে রেখে যান। তাঁকে একাধিকবার ফোন করেও সাড়া মেলেনি বলে জানিয়েছেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডির মাধ্যমে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। এসময় তিনি জানান, প্রয়াত অধ্যাপক জিল্লুর রহমানের ব্যক্তিগত জিনিসপত্র কার্যালয়ে থাকার কারণে তালা লাগিয়েছেন।

পরবর্তীতে ড. সাইফুল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিওতে দাবি করেন, তাঁকে না দিয়ে তার জুনিয়র একজন শিক্ষককে ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালকের দায়িত্ব দেওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেছেন। অথচ অনুসন্ধানে সংশ্লিষ্ট নথি বিশ্লেষণ করে জানা যায়, ড. সাইফুল ও ড. সুজাহাঙ্গীর দু’জনই ২০০৭ সালের ১ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেন।

চাকরিতে যোগদানের পর ২০১৪ সালে আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ড. সাইফুল বরখাস্ত হয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক (গ্রেড-৪) হিসেবে কর্মরত আছেন। অপরদিকে ড. সুজাহাঙ্গীর অধ্যাপক (গ্রেড-২) হিসেবে কর্মরত আছেন।

এ বিষয়ে নবনিযুক্ত ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা শাখার পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সুজাহাঙ্গীর কবির সরকার বলেন, “জুলাই পরবর্তী সময়ে কোনো পদবি নিয়ে আমরা শিক্ষকরা রেষারেষি করব—এটি কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষার্থীদের একাডেমিক উন্নয়ন। শিক্ষকদের প্রতিযোগিতা হওয়া উচিত শিক্ষার মান ও গবেষণা নিয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ে যেন শিক্ষার্থীবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকে সেটিই আমাদের কাম্য।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক ড. এবিএম সাইফুল ইসলাম কার্যালয়ে তালা লাগানোর কথা স্বীকার করে বলেন, “ড. জিল্লুর রহমানের মৃত্যুর পর আমি নিজ উদ্যোগে নিজস্ব একটি তালা পরিচালকের কক্ষে লাগিয়ে দিই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যদি কোনো ইনভেন্টরি কমিটি গঠন করে, আমি সেই কমিটির কাছেই কেবল চাবি হস্তান্তর করব।”

ড. সুজাহাঙ্গীর অধ্যাপক অথচ আপনি সহযোগী অধ্যাপক হয়েও তাঁকে আপনার জুনিয়র বলেছেন কেন–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “আমরা দু’জনই ২০০৭ সালের একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। বিগত বছরগুলোতে আমি বঞ্চিত হয়েছি, আমাকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। ড. সুজাহাঙ্গীর আমার চেয়ে বয়সে ছোট, তাই আমাকে দায়িত্ব না দিয়ে আমার জুনিয়রকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে— এমন বিবৃতি দিয়েছি।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. ইকতিয়ার উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি মুঠোফোন রিসিভ করেননি।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।