সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জুলাই বিপ্লব’ এ আহতদের নিয়ে পাটাতন কুবির আলোচনা সভা

কুবি প্রতিনিধি: কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’ এর উদ্দ্যোগে ‘জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাম্পাসের ভূমিকা’ প্রসঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নাম্বার কক্ষে আলোচনা সভাটি শুরু হয়। এরপর আহত শিক্ষার্থীরা […]

নিউজ ডেস্ক

১১ ডিসেম্বর ২০২৪, ২৩:১২

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন ‘পাটাতন’ এর উদ্দ্যোগে ‘জুলাই বিপ্লব পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ক্যাম্পাসের ভূমিকা’ প্রসঙ্গে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩ টার দিকে সংগঠনটির সভাপতি মাসুম বিল্লাহ’র সঞ্চালনায় কোরআন তেলাওয়াত ও জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে প্রশাসনিক ভবনের ৪১১ নাম্বার কক্ষে আলোচনা সভাটি শুরু হয়।
এরপর আহত শিক্ষার্থীরা জুলাই বিপ্লবের সময়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। আলোচনা শেষে আন্দোলনে আহত উপস্থিত শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করেন ‘পাটাতন’।
উক্ত আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মুতাসীম বিল্লাহ এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান খান। এছাড়া, জুলাই বিপ্লবে আহত শিক্ষার্থী জারা বিনতে শহীদের পিতা শংকুচাইল ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক শহীদুল ইসলামসহ জুলাই বিপ্লবে আহত অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুতাসিম বিল্লাহ বলেন, ‘আজকে আমি প্রথমেই স্মরণ করছি শহীদ আব্দুল কাইয়ুমকে। এতো শহিদের রক্তের বিনিময়ে আমরা ফ্যাসিবাদের উৎখাত করার পরও কেন আমরা ফ্যাসিবাদী চিন্তা-চেতনা, ধ্যান-ধারণা থেকে বের হয়ে আসতে পারছি না? জুলাই বিপ্লবের পর জাতিকে উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়াটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
আমরা ফ্যাসিবাদ শাসকদের তাড়িয়েছি কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া সিস্টেমকে বিতাড়িত করতে পারিনি। এই জায়গাটায় কাজ করা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জুলাই বিপ্লব পরবর্তী সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মানে আমাদের ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষের যদি সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পারি এবং এটা যদি আমরা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসগুলো থেকে শুরু করতে পারি তাহলে জুলাই অভ্যুত্থানের দেখা স্বপ্ন আমরা বাস্তবায়ন করতে পারব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী ওমর ফারুক বলেন, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সূচনা ঘটে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের উপর পুলিশি হামলার মাধ্যমে। তারপর  ঢাকায় আমাদের বোনদের এবং শিক্ষার্থীদের উপর ছাত্রলীগের অশিক্ষিত টোকাইরা যখন হামলা করে, তা দেখে আমরা ঘরে বসে থাকতে পারি নাই। আমরা তখন কোনকিছুর পরোয়া না করে আন্দোলনে নেমেছিলাম। কিন্তু এখন বর্তমান সময়ে সমন্বয়ক নিয়ে পলিটিক্স চলতেছে।
অনেকেই নিজেদের এখন সমন্বয়ক দাবী করছে। যখন আমরা অনেকে আন্দোলনের সময় আহত হয়েছিলাম, হাসপাতালে ছিলাম তখন তো এতো সমন্বয়ক দেখি নাই, গুটিকয়েকজন আহতদের খোঁজ খবর নিয়েছে। আমরা আসলে এই বাংলাদেশ দেখার জন্য আন্দোলন করি নাই।’
কুমিল্লা পলিটেকনিকের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান শুভ  বলেন, ‘একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে হয়ে আমাদের প্রথম দায়িত্ব ছিলো আন্দোলনে যোগ দেয়া। কারণ আমাদের এতো টাকা নেই যে আমরা টাকা দিয়ে বা কোন কোটায় চাকরি পাবো। তাই আমি এই বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে যোগ দেই প্রথম থেকেই ।
আন্দোলন চলাকালীন টমছম ব্রীজের কাছে গুলাগুলির সময় আমার চোখে গুলি লাগে এবং আমার এক চোখ হারাই৷ এখন অবধি আমার চোখের ৫ টি অপারেশন হয়েছে। আমার চোখের চিকিৎসার টাকা বহন করেন ছাত্রশিবির এবং ভাইয়েরা। তারপর ৫ আগষ্ট আমরা স্বাধীন হই।
কিন্তু এখনো চাচ্ছে অনেকে আমাদের মধ্যে ফাটল তৈরি করতে। আমরা সবাই এক থাকবো এবং দেশের কাজে আবারও একসাথে নামবো।’
আন্দোলনকারী জারার অভিভাবক (বাবা) বলেন, ‘আমরা হয়তো ধরেই নিয়েছিলাম যে আমরা আগামী ৪৫ সাল পর্যন্ত এই অন্ধকারচ্ছন্ন এবং হাসিনার স্বৈরাচারের কবল থেকে আমাদের রক্ষা হবে না। কিন্তু আমাদের সন্তানেরা এই স্বৈরাচারের কবল থেকে, বৈষম্য থেকে আমাদের জাতিকে উদ্ধার করেছে। এই আন্দোলনে আমার স্ত্রী সন্তানও যোগদান করেছিলো। আমার মেয়ে ভিক্টোরিয়াতে পড়ে, সেও জীবনের ঝুকি নিয়ে প্রতিটি আন্দোলনে গিয়েছে।’
পাটাতনের সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘আজকে এই প্রোগ্রামের আয়োজন করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটা জ্ঞানের রাজ্যে পরিনত করা। তাছাড়া জুলাই বিপ্লব শহিদ, আহত সবাইকে আরো একবার স্মরণ করা এবং তাদের এই চেতনাকে ধারণ করে ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিনির্মানে সহযোগিতা করা।’

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।