বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

কুবিতে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসবের পর্দা নামল

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি: ‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস)-এর উদ্যোগে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসব ফাইনাল পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে স্কুল-কলেজ […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০০:২৩

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি:

‘যুক্তির বর্ণমালায় গ্রন্থিত হোক মুক্তির কবিতা’ প্রতিপাদ্যে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) ডিবেটিং সোসাইটি (সিওইউডিএস)-এর উদ্যোগে প্রথম জাতীয় বিতর্ক উৎসব ফাইনাল পর্বের মাধ্যমে শেষ হয়েছে। এতে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ফাইনাল দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়।

কুবি ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. মুহসিন জামিলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল হাকিম এবং সংগঠনের মডারেটর ও গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল্লাহ আল মাহবুব। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুল-কলেজ থেকে আগত বিতার্কিকরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও নবাব ফয়জুন্নেছা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মধ্যে “অপরিকল্পিত নগরায়নই পরিবেশ দূষণের মূল কারণ” বিষয়ের উপর ফাইনাল বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। এতে জয়লাভ করে ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এ পর্বে শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক নির্বাচিত হন একই প্রতিষ্ঠানের মারুফ হাসান।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির মধ্যে “এই সংসদ মনে করে যে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বয়কট কালচার মত প্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী” শীর্ষক বিষয়ের উপর ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়। এতে চ্যাম্পিয়ন হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি। শ্রেষ্ঠ বিতার্কিক ও টুর্নামেন্ট সেরা নির্বাচিত হন একই দলের ইরফান অপূর্ব।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো: মুহসিন জামিল বলেন, আমরা প্রতিষ্ঠার বারো বছরে পদার্পন করলে ও এখন পর্যন্ত কোনো জাতীয় বিতর্ক উৎসব আয়োজন করতে পারিনি। কিন্তু এই বার সকলের প্রচেষ্টায় দেশের মোট ৩২টি বিশ্ববিদ্যালয় টিম এবং কুমিল্লা অঞ্চলের মোট ১০টি স্কুল-কলেজের সমন্বয়ে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। আজকে ফাইনাল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর সমাপ্তি অধিবেশন হয়েছে। কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির এই জাতীয় বিতর্ক উৎসবের যাত্রা অদূর ভবিষ্যতে ও অব্যাহত রাখবে এবং এর মাধ্যমে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটিতে নবীন শিক্ষার্থীদেরকে বিতার্কিক হিসেবে গড়ে তোলবে। তাদের জীবনের সৃজনশীলতা এবং ভবিষ্যতের উন্নতির জন্য কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি কাজ করবে।

মডারেটর ও গনিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো.আব্দুল্লাহ আল মাহবুব বলেন, “মঞ্চে উপস্থিত প্রত্যেক অতিথিই প্রধান অতিথি হওয়ার যোগ্য তবুও আমাদের সীমাবদ্ধতার জন্য প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এই প্রোগ্রামটির আয়োজন করার ক্ষেত্রে ডিবেটিং সোসাইটির সাবেক ও বর্তমান সদস্যদের, আন্তরিক সহযোগিতার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে এবং স্পন্সর ও অন্যান্য সহযোগীদের কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমরা প্রথমবারের মতো এই আয়োজনটি করেছি, আমাদের কোনো ভুল হয়ে থাকলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন।”

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কুবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “আমরা যখন বিশ্বিবদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করি তখন একটা চেয়ারও পাইনি, আমরা নিজেদের খরচে মার্কার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিস কিনেছি। তাই আমাদের সেই জায়গা থেকে একটি অনুভূতি কাজ করে। এরপর ৬ষ্ঠ ব্যাচ এসে ডিবেটিং সোসাইটি সহ আরো ক্লাব শুরু করে। যার ফলশ্রুতিতে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯টির মতো নিবন্ধিত সংগঠন হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বিতর্কের মাধ্যমে আপনাদের উপস্থাপনা ও শব্দচয়ন এবং বিপক্ষ দলকে কীভাবে আঘাত করা যায় এর জন্য আপনারা অনেক পড়াশোনা এবং পরিশ্রম করেছেন। আপনারা এক একজন বড় হয়ে দেশের কল্যানে কাজ করবেন। আপনারা যারা স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ করেছেন সবাইকে কৃতজ্ঞতা জানাই।”

কুবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, ‘অনেকে ডিবেটিং সোসাইটিকে অন্য সাংস্কৃতিক সংগঠনের মতো করলে ও আমি ভিন্ন মত পোষণ করি। এটি একটি বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন। ডিবেটিং যারা করে এরা বুদ্ধির চর্চা করে। অপজিশনের মতামতকে খন্ডন করার জন্য যথেষ্ট বুদ্ধি লাগে। সুতরাং এটি বুদ্ধিবৃত্তিক কাজ কেবলমাত্র সাংস্কৃতিক কাজ নয় এটা বুদ্ধির পরীক্ষা। বর্তমানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের আউটকাম বেসইড এডুকেশনে দিক দিয়ে দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছে।এই সাফল্য অব্যাহত থাকুক।’

উল্লেখ্য, প্রতিযোগিতায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ৩২টি দল এবং স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১০ টি দল অংশগ্রহণ করে।

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।