বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

প্রায় এক দশকেও কুবিতে চালু হয়নি নতুন বিভাগ

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি : বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন পাওয়ার প্রায় এক দশকেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নতুন দুটি বিভাগ এখনো চালু করা হয়নি। প্রয়োজনীয় শিক্ষক পদের বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত সংকটের কারণে বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা (বর্তমানে প্রস্তাবিত পরিবেশ বিজ্ঞান এবং লজিস্টিক্স অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং) বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। শিক্ষার্থীদের অ়ভিযোগ, দুই […]

প্রায় এক দশকেও কুবিতে চালু হয়নি নতুন বিভাগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুলাই ২০২৬, ২০:১৫

রাফি হোসেন, কুবি প্রতিনিধি :

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) অনুমোদন পাওয়ার প্রায় এক দশকেও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) নতুন দুটি বিভাগ এখনো চালু করা হয়নি। প্রয়োজনীয় শিক্ষক পদের বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত সংকটের কারণে বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান এবং মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা (বর্তমানে প্রস্তাবিত পরিবেশ বিজ্ঞান এবং লজিস্টিক্স অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং) বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের অ়ভিযোগ, দুই বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় উচ্চশিক্ষার চাহিদা, গবেষণার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ ও শিক্ষার্থীদের বিষয় নির্বাচনের সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রত্যাশিত অগ্রগতি অর্জন করতে পারেনি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠাকালীন সাতটি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়। সর্বশেষ ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে বিশ্ববিদ্যালয়টির একাডেমিক বিভাগের সারিতে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ এবং আইন বিভাগ সংযুক্ত হয়।

পরবর্তীতে, ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কুবির বিজ্ঞান অনুষদের অধীনে বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ এবং ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের অধীনে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগ চালুর অনুমোদন দেওয়া হলেও অবকাঠামো ও শ্রেণিকক্ষ সংকটের কারণে বিভাগ দুটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৯তম একাডেমিক কাউন্সিল মিটিংয়ে নতুন ১৮টি বিভাগ ও ৪টি অনুষদ চালুর সুপারিশ করা হয়। তন্মধ্যে পূর্ব অনুমোদিত মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের পরিবর্তে প্রস্তাব করা হয় লজিস্টিক্স অ্যান্ড মার্চেন্ডাইজিং বিভাগ।

আর বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের পরিবর্তে রাখা হয় পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ। পরবর্তীতে এই বিভাগগুলো চালু করতে কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ নেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দুইটি বিভাগের অনুমোদন পেলেও শিক্ষক নিয়োগের পদের বরাদ্দ না থাকায় নতুন বিভাগ চালু করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে সমসাময়িক ও একই সময়ে প্রতিষ্ঠিত অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত নতুন বিভাগ ও ইনিস্টিউট চালু হলেও কুবিতে নতুন বিভাগের দেখা নেই। সর্বশেষ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) ২০২৩ সালে চারুকলা বিভাগকে অনুষদ করে এর অধীনে তিনটি নতুন বিভাগ (ড্রইং এন্ড পেইন্টিং, প্রিন্টমেকিং ও ভাস্কর্য) চালু করা হয়।

পাশাপাশি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ চালু হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী প্রমা বড়ুয়া বলেন , ‘সময়োপযোগী ও চাহিদাসম্পন্ন বিষয় না থাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে।’

​তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কোনো বিভাগ চালু না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টি সমসাময়িক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তুলনায় পিছিয়ে পড়ছে। ফিশারিজ, বায়োটেকনোলজি ও মাইক্রোবায়োলজির মতো চাহিদাসম্পন্ন বিষয় না থাকায় মেধাবী শিক্ষার্থীরা অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে ঝুঁকছে।

একই সঙ্গে সীমিত বিভাগের কারণে শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও কর্মক্ষেত্রের সুযোগও সংকুচিত হচ্ছে।”

পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. সাকিব হোসেন বলেন , বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্যের নেতৃত্বে দীর্ঘদিনের অবকাঠামোগত ও একাডেমিক সংকটের কার্যকর সমাধান হবে আশা করছি। অনুমোদনের প্রায় ১০ বছর পরও কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি বিভাগ চালু হয়নি, আর প্রস্তাবিত ১৮টি বিভাগের ভবিষ্যৎও অনিশ্চিত।

সীমিত অবকাঠামো ও শ্রেণীকক্ষ-ল্যাব সংকটের কারণে বিদ্যমান বিভাগগুলোও একাডেমিক কার্যক্রম পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। নতুন ক্যাম্পাসের কাজ শেষ হলে এ স্থবিরতা কাটবে বলে আশা করছি। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক থেকে প্রথমবার উপাচার্য নিয়োগ পাওয়ায় সংকট নিরসনে আমরা আশাবাদী।’

বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ চালুর প্রস্তাবকারী রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান বলেন, “আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ চালু প্রধান প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে আবকাঠামোগত সংকট।

আমি বিজ্ঞান অনুষদের ডিন থাকাকালীন বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগ চালু করার প্রস্তাব জানালে তা একাডেমিক কাউন্সিল এবং ইউজিসি থেকে অনুমোদন পায়। আমরা ভর্তির জন্য বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছিলাম। কিন্তু অবকাঠামোগত সংকটের কারণে তখন এ বিভাগটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

তাছাড়া গুণগত মান নিশ্চিত না করে নামে মাত্র নতুন বিভাগ চালু করে আমরা শিক্ষার্থীদের ক্ষতি করতে চায়নি।”

‎নতুন বিভাগ চালুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য ড. মাসুদা কামাল জানান, “বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন বিভাগ খোলার অনুমতি দিলেও প্রয়োজনীয় শিক্ষক নিয়োগের পদ বরাদ্দ দেয়নি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

ফলে প্রশাসনিক অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত কোনো নতুন বিভাগ চালু করা সম্ভব হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পুনরায় নতুন করে ১৮টি বিভাগ এবং ৪টি অনুষদ চালুর অনুমতি চেয়ে ইউজিসির কাছে আবেদন জমা দিয়েছে। ইউজিসি থেকে অনুমোদন পেলেই বিভাগগুলো চালুর প্রক্রিয়া শুরু হবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডারে বড় পরিবর্তন, এইচএসসি পরীক্ষাও হবে ডিসেম্বরে

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে। বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে […]

নিউজ ডেস্ক

০২ মে ২০২৬, ১৬:০০

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা ডিসেম্বরের মধ্যেই শেষ করে দ্রুত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। পাশাপাশি নতুনভাবে সাজানো হচ্ছে কারিকুলামও। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনজানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এই নতুন পদ্ধতি চালু করা হতে পারে।

বর্তমানে এসএসসি পরীক্ষা ফেব্রুয়ারিতে এবং এইচএসসি পরীক্ষা এপ্রিলে শুরু হলেও প্রতিকূল আবহাওয়া ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে প্রায়ই সময়সূচি পিছিয়ে যায়। এতে উচ্চ মাধ্যমিক শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে দীর্ঘ বিরতি তৈরি হয়, যা অনেক শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ধারাবাহিকতায় প্রভাব ফেলে। এসব সমস্যা মাথায় রেখেই নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই যদি সব পরীক্ষা সম্পন্ন করা যায়, তাহলে সিলেবাস, ক্লাস টেস্ট ও বোর্ড পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই শেষ করা সম্ভব হবে। ফলে শিক্ষার্থীরা জানুয়ারিতেই পরবর্তী শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে এবং দুই বছরের মধ্যেই নির্ধারিত পাঠক্রম শেষ করতে পারবে।

নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ডিসেম্বর মাসকে পুরোপুরি পরীক্ষার জন্য নির্ধারণ করা হবে। এ সময়ের মধ্যে বোর্ডগুলোকে পরীক্ষা গ্রহণ ও দ্রুত ফল প্রকাশ করতে হবে। ফল প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে।

তিনি আরও জানান, লক্ষ্য হচ্ছে—শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর বয়সে এসএসসি এবং ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পাস করে কোনো সেশনজট ছাড়াই উচ্চশিক্ষায় যেতে পারবে। কারিকুলাম সংস্কারের কাজ চলছে এবং সবকিছু প্রস্তুত থাকলে ২০২৭ সাল থেকেই এটি কার্যকর করা হতে পারে।

তবে নতুন সময়সূচি বাস্তবায়ন নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস সম্পন্ন করার ওপর। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আগে পরিকল্পনা ঠিক করা জরুরি—অ্যাকাডেমিক বছর ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে এবং সে অনুযায়ী পুরো শিক্ষা কার্যক্রম সাজাতে হবে।

এদিকে শিক্ষাবিদদের মতে, দেশের আবহাওয়া ও ভৌগোলিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে পাবলিক পরীক্ষার সময় নির্ধারণ করে একটি বাস্তবসম্মত নতুন অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার প্রণয়ন করা প্রয়োজন।

শিক্ষাঙ্গন

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। […]

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১২ মে ২০২৬, ২৩:০১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের আয়োজনে ‘কেস ক্র্যাকিং সিমপ্লিফায়েড আন্ডার রাইজ এআই ক্যাম্প’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নবযুগ কনফারেন্স রুমে এ সেমিনারের আয়োজন করা হয়।

এআই ক্যাম্পের উদ্যোগে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ হ্যাক ম্যানেজার মো. ইয়াসিন আরাফাত। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাইজের ডিজিটাল গ্রোথ অফিসার শাম্মি আক্তার রুমি এবং বাংলালিংকের ইন্টার্ন (এইচআর) নোমান কিবরিয়া। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহকারী অধ্যাপক তরিকুল ইসলাম জনি।

সেমিনারে অংশগ্রহণকারীদের কেস সমাধানের কৌশল, কৌশলগত চিন্তাভাবনা, সমস্যা সমাধান এবং কাঠামোবদ্ধ বিশ্লেষণ বিষয়ে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যারিয়ার ক্লাবের সভাপতি শিহাব সারওয়ার বলেন, ‘বর্তমান সময়ে বড় কোনো মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে কাজ করার স্বপ্ন অনেক শিক্ষার্থীরই থাকে। সেই পথে বিজনেস কেস কম্পিটিশনের অভিজ্ঞতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই লক্ষ্যেই আমরা সেমিনারটি আয়োজন করেছি যাতে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হতে পারে। আশা করছি শিক্ষার্থীরা ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টের কাছ থেকে সরাসরি শেখার সুযোগ পেয়েছে।’

উল্লেখ্য, সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের প্রায় ২৫০ জনের অধিক শিক্ষার্থীঅংশ নেন।