রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

সংসদ নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে- রেজাউল করিম বাদশা

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ইসলাম বিএনপির সমালোচনা করেন। অথচ জামায়াতকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে, এ বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তারা অপরাজনীতি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ তাদের […]

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৩ মার্চ ২০২৫, ২০:০১

রবিউল ইসলাম বগুড়া শিবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ

বগুড়া জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা বলেছেন, বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম সংবিধানে সংযোজন করেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ইসলাম বিএনপির সমালোচনা করেন। অথচ জামায়াতকে বাংলাদেশে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। জামায়াতে ভোট দিলে বেহেশত পাওয়া যাবে, এ বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে তারা অপরাজনীতি করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ তাদের মুখোশ ঠিকই বোঝে।

তিনি আরো বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতো কোন স্বৈরশাসক যেন বাংলাদেশে জন্ম নিতে না পারে, তাই বিএনপি হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার করতে চায়। মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন বিএনপি গণমানুষের দল।

কোন দলের অপপ্রচারে কোন কাজ হবে না। বগুড়ার সন্তান তারেক রহমানের হাত ধরেই বগুড়াসহ পুরো দেশের উন্নয়ন সাধিত হবে ইনশাআল্লাহ। যতই মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করুক না কেন, বগুড়া তথা দেশের মানুষ ধানের শীষের সাথেই আছেন, থাকবেন। এসময় উপস্হিত সবাই হাত তুলে ধানের শীষের সাথে থাকার অঙ্গিকার করেন। 

জেলা বিএনপির সভাপতি আরো বলেন, একটি মহল সংসদ নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে। কিন্তু কোন লাভ হবে না। আমরা ১৭ বছর ভোটাধিকারের আন্দোলন করেছি। দেশের আজকের যে অবস্হা তা অনির্বাচিত সরকার থাকার জন্য হয়েছে। দ্রুত সংসদ নির্বাচন দিয়ো জনগণের সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করুন। নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত বিএনপি রাজপথে থাকবে। বিএনপি চাঁদাবাজি-দখলবাজিকে প্রশ্রয় দেয় না। দিবেও না।

১৩ মার্চ, ২০২৫, বৃহঃবার বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজলার কিচক ইউপির কিচক উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে কিচক ইউনিয়ন বিএনপি আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপরোক্ত কথা গুলি বলেন তিনি। 

উক্ত ইফতার মাহফিলে বিএনপি নেতাকর্মীসহ কয়েক হাজারের বেশি সাধারণ জনতা অংশগ্রহণ করেন। এসময় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুস্হতা কামনা করে দোয়া করা হয়।

কিচক ইউনিয়নের ৯ টি ভোট কেন্দ্র কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ, সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধি এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সন্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিল কিচক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মীর শাহে আলম, সাধারন সম্পাদক এ্যাড. আব্দুল ওহাব, সাবেক সাধারন সম্পাদক এস এম তাজুল ইসলাম,

সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুব আলম মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মাষ্টার হারুনুর রশিদ, পৌর বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আব্দুল করিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের , সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক প্রফেসর নজরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষক দলের সহ-সভাপতি আফছার আলী, উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এবিএম মাসুদ রানা মাছুম, সাধারন সম্পাদক রায়হানুল হক রনি, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি বিপুল রহমান।

উক্ত ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপি’র মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক একেএম ইদ্রিস আলী, সমবায় বিষয়ক সম্পাদক আনোয়ারুল হক মুকুল, যুগ্ম সম্পাদক আব্দুল হান্নান, পৌর বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুর রহমান, উপজেলা যুবদলের সাধারন সম্পাদক আব্দুল্লাহ যোবায়ের, সিনিয়র সহ-সভাপতি রনি মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিউল আলম আক্কাস,

পৌর যুবদলের সভাপতি আবু শাহিন, সাধারণ সম্পাদক মাহদী হাসান তমাল, সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান সুজন, সহ-সভাপতি আলমগীর হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান বুলেট, শিবগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম সোহেল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শাহিনুর ইসলাম শাহীন, যুগ্ম সম্পাদক শামীম হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি জুয়েল হোসেন বাপ্পি, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল বারিক মোল্লা, সিনিয়র সহ-সভাপতি আইয়ুব কাজী, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক জনি মন্ডল ,

তাঁতী দল সাধারণ সম্পাদক আবু বক্কর, মহিলা দল নেত্রী মিনারা বেগম, ফাইমা আক্তার, খাদিজা আক্তার, শ্রমিক দল নেতা রেজাউল, মিজানুর রহমান, এজাজুল, সাইফুল, মৎস্যজীবী দল নেতা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রদলের সাধারন সম্পাদক মীর মুন, সাংগঠনিক সম্পাদক তারেক মিলু, সহ-সভাপতি আল রাহী, পৌর ছাত্রদলের সভাপতি শাহিনুর ইসলাম আলামিন, সাধারণ সম্পাদক সাকিব হাসান, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন বাঘ, যুবদল নেতা সাগর, কাওসার, ছাত্রদল নেতা রাফি, নাসির, কিচক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা কিচক ইউনিয়ন বিএনপি নেতা রাব্বিন আহমেদ, মহসিন আলী, ফরহাদ ফকির প্রমুখ।

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি। রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, […]

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

শিশু রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে যা সেবন করেন ঘাতক সোহেল, চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ

নিউজ ডেস্ক

২৪ মে ২০২৬, ১১:২১

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঘাতক সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিচ্ছে পুলিশ। একইসঙ্গে রামিসাকে ধর্ষণ-হত্যার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছেন আসামি।

রোববার (২৪ মে) সকালে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান এ তথ্য নিছিত করেন। তিনি বলেন, শনিবার ডিএনএ টেস্ট রিপোর্ট পেয়েছি। কিছু কাজ বাকি আছে, কাজ চলছে। আজই আদালতে দুজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেব।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্তকে ২০ মে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ জবানবন্দি রেকর্ড করেন এবং পরে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

তদন্ত কর্মকর্তারা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি শিশু রামিসাকে কৌশলে একটি কক্ষে নিয়ে গিয়ে অপরাধ সংঘটিত করেন। ঘটনার পর তিনি প্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং পরে পালিয়ে যান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসাকে ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে সোহেল। পরে তিনি শিশুটির গলা কেটে মরদেহ কয়েক টুকরো করেন। শিশুটির চিৎকার শুনে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা যখন দ্রুত সেখানে যায়।

কিন্তু এর আগেই, সোহেল রামিসার মরদেহ বিছানার নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে টয়লেটের ভেতরে একটি বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় বুধবার ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন।

পরে এ মামলায় গত বুধবার ২০ মে গ্রেপ্তার আসামি সোহেল রানা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন। ঘটনার আগে ইয়াবা সেবন করেছিলেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেন এই ঘাতক।

জবানবন্দিতে সোহেল জানায়, ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে রামিসা ঘর থেকে বের হলে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তাকে রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। এরপর বাথরুমে নিয়ে ছোট্ট রামিসাকে ধর্ষণ করে সোহেল। এতে জ্ঞান হারায় শিশুটি। এর মধ্যে তার মা দরজায় কড়া নাড়তে থাকেন। এসময় সোহেল তাকে গলা কেটে হত্যা করে। মরদেহ গুম করার জন্য তার মাথা ধারালো ছুরি দিয়ে কেটে গলা থেকে আলাদা করে। দুই হাত কাঁধ থেকে আংশিক বিচ্ছিন্ন করে মরদেহ বাথরুম থেকে শয়নকক্ষে এনে খাটের নিচে রাখে। এছাড়া ছুরি দিয়ে যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত করে। ঘটনার সময় তার স্ত্রী একই রুমে ছিলেন। পরে জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যায় সে। মাদক সেবন করে বিকৃত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়া এই আসামি আদালতকে জানান, ভুক্তভোগীর পরিবারের সঙ্গে পূর্ব কোন শত্রুতা ছিল না।

সারাদেশ

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার […]

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

ধর্ষণের পর হত্যা করা হয় শিশু লামিসাকে, মরদেহ লুকাতেই মাথা বিচ্ছিন্ন

নিউজ ডেস্ক

২০ মে ২০২৬, ১০:১০

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবী এলাকায় সাত বছর বয়সী শিশু লামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহ গুম করতে ঘাড় থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয় এবং শরীরের অন্য অংশও টুকরো করার চেষ্টা চালানো হয়

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পাশের ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া সোহেল রানা (৩০) ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে (২৬) মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৯ মে) রাতে পল্লবী থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন) এস এন নজরুল ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেন।

পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্কুলে নিয়ে যাওয়ার জন্য লামিসাকে খুঁজতে থাকেন তার মা। এক পর্যায়ে বাসার দরজার সামনে শিশুটির একটি জুতা পড়ে থাকতে দেখেন তিনি। সন্দেহ থেকে পাশের ফ্ল্যাটের দরজায় ধাক্কা দিতে থাকেন, কিন্তু দরজা ভেতর থেকে আটকানো ছিল। মায়ের চিৎকারে এলাকাবাসী এসে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে শিশু লামিসার মরদেহ দেখতে পায়। এ সময় মূল আসামি সোহেল রানা জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গেলেও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়।

এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘সম্ভবত বাথরুমে শিশুটির সঙ্গে মূল আসামির অবৈধ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। আলামত সংগ্রহ করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) পাঠানো হয়েছে। শিশুটির সঙ্গে আসামির কোনো যৌন ক্রিয়া হয়েছে কি না তা পরবর্তীতে বিস্তারিত জানা যাবে।’

মরদেহ টুকরো করার পরিকল্পনা প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘পরবর্তীতে মরদেহ লুকানোর জন্যই সম্ভবত মাথা বিচ্ছিন্ন করা হয়। হাত কেটে টুকরো করার চেষ্টাও করা হয়। কিন্তু শিশুটির মা দরজায় ধাক্কাধাক্কি শুরু করলে মূল আসামি জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। পুরো পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে পারেননি তিনি।’

প্রাথমিক তদন্তের বরাত দিয়ে এস এন নজরুল ইসলাম বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আমাদের ধারণা, ধর্ষণের কারণে শিশুটির রক্তপাত শুরু হলে তাকে হত্যা করে মরদেহ গুম করার পরিকল্পনা করেন অভিযুক্ত ব্যক্তি।’

গ্রেপ্তার সোহেল রানার চরিত্র সম্পর্কে পুলিশ জানায়, তার বিরুদ্ধে নাটোরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা রয়েছে। তার স্ত্রীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে ডিএমপির এই কর্মকর্তা বলেন, ‘তিনি সম্ভবত বিকৃত যৌনরুচিসম্পন্ন একটা লোক। তিনি তার স্ত্রীকেও বিভিন্নভাবে টর্চার করেছেন।’

ঘটনার পর প্রধান আসামি সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের প্তুল্লা থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মিরপুর ১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্প সংলগ্ন বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে পল্লবী থানা পুলিশ, সিআইডি ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন।