বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল হক

প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনসেবামূলক কার্যক্রমেও ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক। এবার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে জুলাই মাসে সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে সেরা হয়েছে গলাচিপা উপজেলা। জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে জুলাই মাসে গলাচিপা উপজেলায় গড়ে ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। দেশের উপজেলা […]

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে দেশসেরা গলাচিপার ইউএনও ইজাজুল হক

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ আগস্ট ২০২৬, ২১:১৪

প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জনসেবামূলক কার্যক্রমেও ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবুজর মো. ইজাজুল হক। এবার জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে জুলাই মাসে সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে সেরা হয়েছে গলাচিপা উপজেলা।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে জুলাই মাসে গলাচিপা উপজেলায় গড়ে ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। দেশের উপজেলা পর্যায়ে এটিই সর্বোচ্চ অর্জন। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয় (জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন) এবং বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জুলাই মাসে গলাচিপা উপজেলায় জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪২৮টি। এর বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ৬৩৭টি। অন্যদিকে মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১৬টি, সেখানে নিবন্ধন হয়েছে ৩১৮টি।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন মিলিয়ে গলাচিপার সামগ্রিক অর্জন দাঁড়িয়েছে ২১১ দশমিক ৫ শতাংশে। উপজেলা পর্যায়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে খুলনার দাকোপ উপজেলা, যার অর্জন ১৩০ শতাংশ।

জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে বিশেষ করে শূন্য থেকে এক বছর বয়সী শিশুদের নিবন্ধনের ওপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি মৃত্যু নিবন্ধনের ক্ষেত্রেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। মাঠপর্যায়ে নিয়মিত তদারকি, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে নিবন্ধন কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করা হয়।

জুলাই মাসের জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বিভাগীয় পর্যায়েও সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে বরিশাল বিভাগ। লক্ষ্যমাত্রার ৭৭ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করে বিভাগগুলোর মধ্যে প্রথম হয়েছে বরিশাল। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রংপুর বিভাগ, যার অর্জন ৬৫ দশমিক ৮ শতাংশ।

জেলা পর্যায়েও সাফল্যের শীর্ষে রয়েছে পটুয়াখালী। ১১৩ দশমিক ৯ শতাংশ অর্জন করে জেলার মধ্যে প্রথম হয়েছে পটুয়াখালী জেলা। জন্ম নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৬৯২টি, এর বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ২ হাজার ১৯৯টি। আর মৃত্যু নিবন্ধনের লক্ষ্যমাত্রা ৭৩০টির বিপরীতে নিবন্ধন হয়েছে ১ হাজার ৬৭টি।

ফলে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা—তিন স্তরেই জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বরিশাল বিভাগের সাফল্য বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। আর উপজেলা পর্যায়ে সর্বোচ্চ ২১১ দশমিক ৫ শতাংশ অর্জন করে গলাচিপা উঠে এসেছে সবার ওপরে।

দেশসেরা এই অর্জনের কৃতিত্ব এককভাবে নিজের বলে মনে করেন না ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি এবং নিবন্ধন কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাকেই তিনি এ সাফল্যের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন।

ইউএনও আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, “দেশসেরা হওয়ায় আমি আনন্দিত। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনের সঙ্গে জড়িত প্রত্যেকে যার যার জায়গা থেকে পরিশ্রম করেছেন। আমি টিম লিডার হিসেবে নিয়মিত তদারকি করেছি। সকলকে একই সুতোয় গাঁথা সম্ভব হয়েছে বলেই আজকের এ সাফল্য।”

পটুয়াখালী জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ শহীদ হোসেন চৌধুরী এ অর্জনকে পুরো জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, “এ ক্রেডিট পুরো জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর। তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল এটি। একেবারে রুট লেভেলের গ্রাম পুলিশ থেকে শুরু করে ডিডিএলজি—সকলেই আন্তরিকভাবে চেষ্টা করেছেন। আমি সত্যিই আনন্দিত।”

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে এবার দেশসেরা হওয়া ইউএনও ইজাজুল হকের জন্য নতুন হলেও এ ধরনের সাফল্য তার জন্য নতুন নয়। এর আগেও তিনি এ কার্যক্রমে ধারাবাহিক সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। গত দুই মাসে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বরিশাল বিভাগের সেরা ইউএনও হওয়ার কৃতিত্ব অর্জন করেন তিনি।

এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুমকী উপজেলা জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রমে বর্ষসেরা উপজেলা নির্বাচিত হয়েছিল। সে সময় দুমকী উপজেলার ইউএনও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন আবুজর মো. ইজাজুল হক। একই সময়ে তিনি পেয়েছিলেন বর্ষসেরা ইউএনওর স্বীকৃতিও।

গলাচিপায় যোগদানের পরও একই কার্যক্রমে তার ধারাবাহিক সাফল্য প্রশাসনিক দক্ষতা, নিয়মিত তদারকি, মাঠপর্যায়ে সমন্বয় এবং দলগতভাবে কাজ করার সক্ষমতার প্রতিফলন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।