বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

কারও জীবিকা, কারও উল্লাস

​সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ ​বগুড়ার শেরপুরের বথুয়াবাড়ী নৌকা বাইজ মেলার ব্যস্ত বিনোদন কেন্দ্র। চারদিকে আলোঝলমলে পরিবেশ, তরুণ-তরুণী আর শিশুদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ রাইডে চড়ে আনন্দে চিৎকার করছেন, কেউ আবার দামি রেস্তোরাঁয় বসে পছন্দের খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন। চারপাশের বাতাসে শুধুই আনন্দের গুঞ্জন আর উল্লাসের প্রতিধ্বনি। ​ঠিক এই উল্লাসমুখর পরিবেশেরই এক কোণে, কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা […]

কারও জীবিকা, কারও উল্লাস

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:৩৫

​সেলিম রেজা, শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

​বগুড়ার শেরপুরের বথুয়াবাড়ী নৌকা বাইজ মেলার ব্যস্ত বিনোদন কেন্দ্র। চারদিকে আলোঝলমলে পরিবেশ, তরুণ-তরুণী আর শিশুদের উপচে পড়া ভিড়। কেউ রাইডে চড়ে আনন্দে চিৎকার করছেন, কেউ আবার দামি রেস্তোরাঁয় বসে পছন্দের খাবারের স্বাদ নিচ্ছেন। চারপাশের বাতাসে শুধুই আনন্দের গুঞ্জন আর উল্লাসের প্রতিধ্বনি।

​ঠিক এই উল্লাসমুখর পরিবেশেরই এক কোণে, কাঠফাটা রোদ আর ভ্যাপসা গরমের মাঝে দাঁড়িয়ে আছেন ৪০ বছর বয়সী আশরাফুল ইসলাম। কাঁধে তার রঙিন বেলুনের ঝাঁকা। কপালে জমে থাকা ঘাম মুছে তিনি তাকিয়ে আছেন চাকা ঘুরিয়ে আনন্দ পাওয়া ওই শিশুদের দিকে।

শিশুদের আনন্দ যেখানে ‘উল্লাস’, আশরাফুলের কাছে সেটাই ‘জীবিকা’। একটি বেলুন বিক্রি হলে তবেই রাতে তার ঘরে জ্বলবে চুলো। এটিই আমাদের চেনা সমাজের চেনা বাস্তবতা যেখানে একজনের বিনোদন বা উল্লাসের ক্ষেত্রটি অন্য আরেকজনের বেঁচে থাকার নির্মম লড়াই।

​উৎসবের নেপথ্যে একদল মানুষের ক্লান্তিহীন শ্রম

​শুধু বিনোদন কেন্দ্রই নয়, যেকোনো উৎসব-পার্বণে এই বৈপরীত্য সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে। ঈদে, পূজায় কিংবা নববর্ষের উৎসবে যখন সাধারণ মানুষ নতুন পোশাকে ঘুরে বেড়ায়, তখন রিকশাচালক, স্ট্রিট ফুড বিক্রেতা, কিংবা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েক গুণ।

​রিকশাচালক ও পরিবহন শ্রমিক:

উৎসবের দিনে মানুষের যাতায়াতের আনন্দ বাড়িয়ে দিতে তারা দিনরাত হাড়ভাঙা খাটুনি খাটেন। সবার যখন ছুটির আনন্দ, তাদের তখন বাড়তি আয়ের সুযোগ।

​ফেরিওয়ালা ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী: 

মেলার মাঠে বা রাস্তার মোড়ে খেলনা, বাঁশি কিংবা আইসক্রিম নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলোর উৎসব পালনের সময় মেলে না। ক্রেতাদের আনন্দ দেওয়াই তাদের রুটি-রুজির উৎস।

​”মানুষ যখন পরিবার নিয়ে ঘুরতে বের হয়, তখন আমাদের আয় একটু ভালো হয়। তাদের আনন্দ দেখে ভালো লাগে, কিন্তু দিনশেষে আমাদের কাছে এটা শুধুই পেট চালানোর যুদ্ধ।” এমন কথা বলেন মো. করিম, মেলা প্রাঙ্গণের এক ফুচকা বিক্রেতা।

​ব্যবধান কমাক সহমর্মিতা:

​অর্থনৈতিক বৈষম্যের এই চিরন্তন রূপটি সহজে বদলানো সম্ভব না হলেও, দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটিয়ে এই ব্যবধান কিছুটা কমানো সম্ভব বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

​তারা বলছেন, যারা আমাদের আনন্দ বা উল্লাসের মুহূর্তগুলোকে সহজ ও রঙিন করে তুলছেন, তাদের প্রতি আমাদের আরও সংবেদনশীল হওয়া উচিত। সামান্য বাড়তি বকশিস, একটু মৃদু হাসি কিংবা একটুখানি সম্মানজনক আচরণই পারে তাদের এই কঠিন জীবিকাকে কিছুটা হলেও ম্লান থেকে উজ্জ্বল করতে।

​দিনশেষে, উৎসবের আলো সবার জীবনে সমানভাবে না পৌঁছালেও, “কারও উল্লাস” যেন “কারও জীবিকার” প্রতি অবহেলা বা নিষ্ঠুরতার কারণ না হয়ে দাঁড়ায় এমনটাই প্রত্যাশা সচেতন মহলের।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।