মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে ঘিরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে অন্তর্ভুক্তীকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরদিন (২৯ জুলাই) সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় গড়ায়। এতে আহত হন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান […]

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে ঘিরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ১৩:৫৮

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে অন্তর্ভুক্তীকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরদিন (২৯ জুলাই) সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় গড়ায়। এতে আহত হন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান ছাত্রদল কর্মী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে বিদ্রোহী হলের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। একপর্যায়ে সমস্যা সমাধানে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ হাসান (মামুন সরকার) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তার সামনেই রিজওয়ানুল করিম রাব্বী ও যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল আহমেদ জনির মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।

পরে দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার জের ধরে পরদিন সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে খাবার খাওয়ার সময় রাব্বিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও সংগঠনের শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ তুলে কয়েকজন নেতা-কর্মী মারধর করেন।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানা, শাহজালাল আহমেদ জনি এবং সদস্য পাভেল খান, আবু সাইদসহ আরও কয়েকজন অংশ নেন। এ সময় তাদের হাতে স্ট্যাম্প, রড ও কাঠ দেখা যায়। পরে আহত অবস্থায় রাব্বিকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

পরে এই ঘটনার জেড়ে কয়েক দফায় ২ গ্রুপে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সূত্রমতে, মারধরে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা সবাই ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান হোসেন প্রধানের অনুসারী ছিলেন। বর্তমানে তারা বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এছাড়া রাব্বিকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে।

আবার অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালে সাংবাদিকদের মারার অভিযোগে ৩ বছরের জন্য বহিষ্কার হন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী। তবে জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিরোধী আন্দোলনেও অংশ নেন। পর ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানা বলেন, “রাব্বী আগে ছাত্রলীগকর্মী ছিল। ৫ আগস্টের পর সে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হতে চায়। তবে তার উগ্র আচরণ ও সংগঠনের ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা আমরা মেনে নেব না।

রাতের ঘটনায় সে সিনিয়র নেতাদের গায়ে হাত তোলে, যা চরম অপমানজনক। ফ্যাসিস্টদের কোনো চিহ্ন ছাত্রদলে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে তাকে আমরা প্রতিহত করবই।”

অন্যদিকে মারধরের শিকার রিজওয়ানুল করিম রাব্বী বলেন, “ছাত্রলীগের সময় প্রোগ্রাম করা বাধ্যতামূলক থাকায় সেখানে থাকতে হয়েছে। আমার কোনো পদ ছিল না। ছাত্রলীগের রাজনীতি করার উদ্দেশ্য থাকলে পদ নিয়েই রাজনীতি করতাম।

আমি জুলাই আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলাম এবং ভিসিবিরোধী আন্দোলন করেছি। আমার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।”

মারধরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “রাতের ঘটনায় সদস্য সচিবের সামনে বেয়াদবি করায় আমি প্রতিবাদ করি। তখন কয়েকজন আমার ওপর হামলা চালায়। আবার সকালে ডাইনিংয়ে বসে খাওয়ার সময় লাঠি, রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে আমাকে মারধর করা হয়।”

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়র ঝামেলা থেকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর আমি ও সদস্য সচিব দুই পক্ষকে ডেকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছি। এমন ঘটনা মোটেও কাম্য নয়।”

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকার বলেন, “ঘটনাটি ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করেছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।”

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।