শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

নবীগঞ্জের কুর্শি কমিউনিটি ক্লিনিকে নানা অনিয়ম, দায়িত্বে থাকা কাজী মত্তকীর বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ

শাহরিয়ার আহমেদ শাওনঃ হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি কমিউনিটি ক্লিনিক নানা অনিয়ম দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত! সহকারী (ভারপ্রাপ্ত) কাজী মত্তকীর মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এখানে কমর্রত স্বাস্থ্য সেবাদানকারী কাজী মত্তকীরের স্বেচ্ছাচারিতায় ও দায়িত্বে অবহেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেয়া কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছে৷ বিগত ২ মাস যাবৎ ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ […]

নবীগঞ্জের কুর্শি কমিউনিটি ক্লিনিকে নানা অনিয়ম, দায়িত্বে থাকা কাজী মত্তকীর বিরুদ্ধে উঠছে গুরুতর অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০২ এপ্রিল ২০২৬, ০০:৫২

শাহরিয়ার আহমেদ শাওনঃ

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি কমিউনিটি ক্লিনিক নানা অনিয়ম দূর্নীতির আখড়ায় পরিণত! সহকারী (ভারপ্রাপ্ত) কাজী মত্তকীর মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

এখানে কমর্রত স্বাস্থ্য সেবাদানকারী কাজী মত্তকীরের স্বেচ্ছাচারিতায় ও দায়িত্বে অবহেলায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা দেয়া কার্যক্রম ভেঙ্গে পড়েছে৷ বিগত ২ মাস যাবৎ ক্লিনিকটি তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল বলে স্থানীয় এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান৷

এ কারণে অনেক মানুষ চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ না পেয়ে নানা রকম হয়রানীর শিকার হচ্ছেন। সরজমিনে সকাল ১০টার সময় গ্রামের লোকজন ওই ক্লিনিকে ওষুধ নিতে গিয়ে দেখেন একইভাবে ক্লিনিক বন্ধ।

এতে তারা সেখানে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেও কর্তব্যরত কেউ বা ক্লিনিকের সহকারীকে পান নি। পরে তারা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে (টিএইচও) এর মোবাইল নাম্বারে বিষয়টি অবগত করেন। এতে দুপুর অনুমান সাড়ে ১২টায় ক্লিনিক সহকারী এসে তালাবদ্ধ কমিউনিটি ক্লিনিক খুলেন৷

এ বিষয়ে এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, বিগত দুই মাস ধরে কমিউনিটি ক্লিনিকটি তালা বদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তাল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। তাকে অপসারণের জন্য প্রতিবাদ সভা ও গণস্বাক্ষর করে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান সাধারণ নাগরিক বৃন্দ।

স্থানীয়রা জানান, নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের কুর্শি কমিউনিটি ক্লিনিকে গতকাল রবিবার (২৯ মাচ) উল্লেখিত সময়ে কুর্শি, ফুটারমাটি ও ষাইটকাহন এলাকার সেবা গ্রহণকারীরা ক্লিনিকের সামনে জড়ো হয়ে দূর্নীতিবাজ স্বাস্থ্য সহকারীর অপসারাণ দাবী করেন। 

অভিযোগকারীরা বলেন, বিগত ২ মাস ধরে ক্লিনিক বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এই ক্লিনিকের সহকারী মাঝে মধ্যে ক্লিনিক খুললেও বিগত দুই বছর যাবৎ যোগদান করার পর থেকেই নানান অনিয়ম ও দূর্নীতির মাধ্যমে স্বাস্থ্য সেবার নামে অনিয়মই যেন তার কাছে নিয়মে পরিণত হয়েছে৷ হতদরিদ্রের কাছ থেকে জনপ্রতি ২০ টাকা নিয়ে ঔষধ দেয়ার অহরহ অভিযোগ পাওয়া গেছে। 

প্রায়ই হতদরিদ্র রোগীদের ঔষধ নেই বলে নিজের ব্যাগে ভরে অন্যত্র ঔষধ নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী জনতারা অতিষ্ঠ হয়ে এই অসাধু স্বাস্থ্য সহকারীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে অভিযোগ দায়ের করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছেনা। অবশেষে সাধারণ জনতা উক্ত কিমিউনিটি ক্লিনিক (হাসপাতাল) এর সামনে জড়ো হয়ে প্রতিবাদ করতে বাধ্য হন ভূক্তভোগীরা। 

এ সময় ক্লিনিকে তালাবদ্ধ থাকায় উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শন ইনচার্জ বিপ্লব দাশ এর সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই স্বাস্থ্য সহকারীর বিরুদ্ধে এর পূর্বে অভিযোগ পেয়েছেন বলেও জানান। এবং নবীগঞ্জ স্বাস্থ্য কর্মকর্তার নিকট এ বিষয়টি আলাপ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি। গণমাধ্যম কর্মীদের উপস্থিতি 

খবর পেয়ে স্বাস্থ্য সহকারী কাজী মত্তকীর মিয়া দুপুর অনুমান সাড়ে ১২টার দিকে উক্ত ক্লিনিকে উপস্থিত হন। এ সময় ক্লিনিকের সামনে উপস্থিত জনতা তাকে ঘিরে কারণ জানতে চাইলে হাসপাতালে কোন প্রকার ঔষধ নাই বলে জানান তিনি। এ সময় ক্লিনিকের ভিতরে ডুকে দেখা যায় অনেক গুলো ঔষধ বিদ্যমান আছে। এসব দেখার পর সে কিছু ঔষধ আছে বলেও স্বীকার করেন। এদিকে নির্ধারিত সময়ে

ক্লিনিক তালাবদ্ধ রাখার বিষয়ে অভিযুক্ত “দূনীতিবাজ সহকারী বহিস্কার হও তাড়াতাড়ি” এ স্লোগানে স্লোগানে উত্তাল হয়ে ওঠেন জনতা। 

পরে গ্রামের মুরুব্বিয়ানদের সহযোগীতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়৷ এলাকাবাসী এই দূনীতিবাজ কর্মকর্মতাকে তাদের ক্লিনিকে না আসার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আবেদন সহ নতুন কর্মকর্তা নিয়োগের অনুরোধ জানান। 

সাংবাদিকরা তার কাছে বিগত দুই বছরের ঔষধ প্রাপ্তির তালিকা এবং রোগীদের মধ্যে ঔষধ বিতরণের তালিকা দেখতে চাইলে তিনি

নিদিষ্ট কোন কিছুই সঠিকভাবে দেখাতে পারেনি এবং তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য নয় বলেও জানান তিনি৷ 

এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী৷

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।