ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকের (MoU) অংশ হিসেবে ইরানের বন্দর ও উপকূলীয় এলাকায় আরোপিত নৌ অবরোধ প্রত্যাহার করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বৃহস্পতিবার মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকোম) এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানি বন্দরগুলোতে জাহাজ চলাচলে আর কোনো বাধা দেওয়া হবে না এবং অবরোধ কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে।
গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল ইরানের বন্দরগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার, যা স্বাক্ষরের একদিনের মধ্যেই কার্যকর করা হলো।
তবে এখনও বহাল রয়েছে হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আরোপিত অবরোধ। তেহরানের পরমাণু কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনার মধ্যে ইরান ওই গুরুত্বপূর্ণ জলপথে বিধিনিষেধ আরোপ করে। ইসলামাবাদ সমঝোতার গুরুত্বপূর্ণ শর্তগুলোর একটি হলো হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করা।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স আশা প্রকাশ করে বলেছেন, ইরান শিগগিরই এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেবে। তার দাবি, চুক্তি স্বাক্ষরের পর টানা দুই রাত হরমুজে চলাচলকারী জাহাজে কোনো হামলার ঘটনা ঘটেনি।
বিশ্বের জ্বালানি বাণিজ্যের একটি বড় অংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। ফলে এ জলপথে অবরোধ জারি হওয়ার পর বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ও বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়ে। বিশ্লেষকদের মতে, চুক্তির সব শর্ত যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হলেও তেলের বাজার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও কয়েক সপ্তাহ থেকে দুই মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?