বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

বানিজ্য

থামছে না কেন গার্মেন্টস উত্তেজনা?

সরকারের নানা উদ্যোগের পরও পোশাক খাতের শ্রম অসন্তোষ ও অস্থিরতা কাটছে না। দফায় দফায় মালিক, শ্রমিক ও সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবি মেনে নেওয়ার পরও শ্রম অসন্তোষ পুরোপুরি কাটানো সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ন্যায্য মূল্যে শ্রমিকদের নিত্যপ্রয়োজনীর পণ্য দেওয়া হচ্ছে। তার পরও পোশাক শিল্পাঞ্চলে শ্রম অসন্তোষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা […]

নিউজ ডেস্ক

২০ নভেম্বর ২০২৪, ১২:৩৮

সরকারের নানা উদ্যোগের পরও পোশাক খাতের শ্রম অসন্তোষ ও অস্থিরতা কাটছে না। দফায় দফায় মালিক, শ্রমিক ও সরকার ত্রিপক্ষীয় বৈঠকে শ্রমিকদের ১৮ দফা দাবি মেনে নেওয়ার পরও শ্রম অসন্তোষ পুরোপুরি কাটানো সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া সরকারি ব্যবস্থাপনায় ন্যায্য মূল্যে শ্রমিকদের নিত্যপ্রয়োজনীর পণ্য দেওয়া হচ্ছে। তার পরও পোশাক শিল্পাঞ্চলে শ্রম অসন্তোষ মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, সরকারকে অস্থিতিশীল করার জন্য ধাপে ধাপে পরিকল্পিতভাবে এই অস্থিরতা তৈরি করা হচ্ছে। এর পেছনে আওয়ামী লীগের উসকানি. ঝুট সন্ত্রাস, ভারতের সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতা এবং মালিকদের পেটোয়া বাহিনীর যোগসূত্র থাকতে পারে।

এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ১৫ থেকে ২০ জন পোশাক শিল্পের মালিককে কঠোর নজরদারিতে আনা গেলে এই শ্রম অসন্তোষ থামানো সম্ভব বলে মনে করছেন তারা। তাদের মতে, শ্রম অসন্তোষে পেছন থেকে কমবেশি ৫০ জন মালিক ইন্ধন দিচ্ছেন।শ্রমিক নেতারা জানান, ৯৫ শতাংশ কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ ঘটে বকেয়া বেতনের জন্য।

তবে এখন প্রায় পাঁচ হাজার কারখানার মধ্যে মাত্র কয়েকটিতে বকেয়া রয়েছে। এমন বকেয়া আগেও ছিল। এবার রাজনৈতিক পটপরির্বতনের সুযোগ নিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে কিছু অতি উৎসাহী শ্রমিক উদ্ভট সব দাবি করে প্রথমে কারখানার চাকা বন্ধ করে।
পরে তাদের রাস্তায় নামিয়ে দেয়।

এদিকে বিজিএমইএর তথ্য অনুসারে, গতকালও মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছেন দুই কারখানার শ্রমিকরা। গাজীপুর মহানগরীর জিরানী ও চক্রবর্তী এলাকার দুটি কারখানার শ্রমিকরা এক মাসের বকেয়া বেতনসহ বিভিন্ন দাবিতে চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন।

শ্রমিকরা জানান, বেক্সিমকো ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে পোশাক ও সিরামিক কারখানায় ৪১ হাজার কর্মী রয়েছেন। এর মধ্যে আরএমজি কারখানার শ্রমিকরা সপ্তাহখানেক ধরেই সড়ক অবরোধ করে গত মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধের দাবি জানাচ্ছেন।

অন্যদিকে জিরানী ডরিন ফ্যাক্টরির ১৩ জন স্টাফ ছাঁটাই ও কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে গতকাল সকাল থেকে একই মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করছেন ওই কারখানার শ্রমিকরা।

তবে মূলস্ফীতি আর মজুরি বকেয়ার ফলে শ্রমিকদের অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে। মজুরি না পেলে প্রথমে তারা বাড়িওয়ালার রোষানলে পড়েন। পরে মুদি দোকানের মাসিক বকেয়া নিয়ে অসম্মানের শিকার হতে হয়। এর ফলে বাধ্য হয়ে শ্রমিকদের মাঠে নামতে হয়।

চলমান শ্রমিক অসন্তোষে বেক্সিমকো গ্রুপের কারখানাসহ অন্য কয়েকটি কারখানার অসন্তোষ পরিকল্পিতভাবে ঘটানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ঐক্য ফোরামের সভাপতি নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, চলমান শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্ট, রাজনৈতিক। বেশির ভাগ কারখানার মালিক আওয়ামী লীগ সরকারের দোসর। বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে এই অসন্তোষ।

জাতীয় গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল হক আমিন কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কয়েকটি কারখানার বকেয়া থাকতে পারে। এটাকে পুঁজি করে আগুনে ঘি ঢেলে দিচ্ছেন কিছু ব্যবসায়ী। এমন ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৫০ জনের বেশি হবে না। এদের ১৫ থেকে ২০ জনকে কঠোর নজরদারিতে আনা গেলে এই সংকট শিগগিরই থেমে যাবে।’

পোশাক খাত নিয়ে কয়েকজন শ্রমিক নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করে কালের কণ্ঠকে জানান, ক্ষমতার পালাবদলের পর পোশাক কারখানায় কাজ কমছে। ক্রেতারা এখন কার্যাদেশ কমিয়ে দিয়েছে। এর সুযোগ নিচ্ছে প্রতিযোগী দেশ। তাদের রপ্তানি আয় বাড়ছে। ভারত সরকার নানা ধরনের প্রণোদনা দিয়ে পোশাক খাতকে উৎসাহিত করছে।

এদিকে বিজিএমইএর সাবেক এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে আন্তরিক নয় বিজিএমইএ সহায়ক কমিটি। সরকার সম্প্রতি বিজিএমইএ পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে প্রশাসক নিয়োগ করে। প্রশাসককে সহায়তার জন্য সহায়ক কমিটিও করা হয়। কিন্তু সেই কমিটিও কার্যকর ভূমিকা রাখছে না বলে অভিযোগ রয়েছে বিজিএমইএ সদস্যদের।

নিট পোশাক খাতের সংগঠন বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘সরকার পতনের পর তৈরি পোশাক খাতের শ্রমিক অসন্তোষ তীব্র আকার ধারণ করে। সরকারের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার আশ্বাস দেওয়ার পরও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে না।

এর সঙ্গে বকেয়া বেতন, ঝুট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ ও বিদেশি ষড়যন্ত্র, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে কিছু কারখানা মালিকের অনুপস্থিতিও শ্রমিক অসন্তোষ সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে। এই পরিস্থিতিতে ১০-১৫ শতাংশ ক্রয়াদেশ বাতিল হয়ে গেছে। কয়েকটি দেশ এই সুযোগ ব্যবহার করে ক্রেতাগোষ্ঠী টানার চেষ্টা করছে।’

একসময়ের দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বেক্সিমকো গ্রুপ বর্তমানে চরম আর্থিক সংকটে ভুগছে। এই সংকটের কারণে শাইনপুকুর সিরামিকস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির বন্ধ কারখানার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৪টিতে।

গত আগস্ট থেকে বেক্সিমকোর কারখানাগুলো কাঁচামাল আমদানির জন্য এলসি (লেটার অব ক্রেডিট) খুলতে না পারায় উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে। গাজীপুরের চন্দ্রা-নবীনগর মহাসড়কে শ্রমিকদের টানা পাঁচ দিনের অবরোধের পর এই সংকট আরো প্রকট হয়ে ওঠে।

বানিজ্য

বাজারের ব্যাগ ভরতে বাড়তি খরচ, ডিমের হালি ৫৫ টাকা

রাজধানীর বাজারে ডিম, সবজি ও বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম বেড়েছে। ফার্মের ডিমের ডজন ১৬৫ টাকা এবং অধিকাংশ সবজি কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

নিউজ ডেস্ক

০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫:৪০

রাজধানীর বাজারে একই সঙ্গে বেড়েছে ডিম, সবজি ও সয়াবিন তেলের দাম। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অধিকাংশ সবজির কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা যোগ হয়েছে। ফার্মের মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে হালিপ্রতি ৫৫ টাকায়। বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও লিটারে ৫ টাকা বেড়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারের খুচরা দামে এই ঊর্ধ্বগতি দেখা যায়।

আমিষের সাশ্রয়ী উৎস হিসেবে পরিচিত ফার্মের ডিমের দাম এখন প্রতি ডজন ১৬৫ টাকা। চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ৫৫ টাকা। বিক্রেতাদের ভাষ্য, ডজন হিসেবে কিনলেও এখন আর আগের মতো দাম কম রাখার সুযোগ নেই।

তেল-সবজিতেও বাড়তি চাপ

নতুন দাম নির্ধারণের পরও খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়নি। গত সপ্তাহের তুলনায় লিটারে ৫ টাকা বেড়ে তেল বিক্রি হচ্ছে ২০৪ টাকায়।

সবজির মধ্যে বেগুন, করলা, বরবটি, ঢ্যাঁড়স, পটল ও কাঁকরোলের দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১২০ টাকার মধ্যে রয়েছে। আগাম শিম কিনতে সবচেয়ে বেশি খরচ করতে হচ্ছে। প্রতি কেজির দাম উঠেছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়।

সাধারণ শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া গেলেও দেশি শসার দাম ৮০ থেকে ১০০ টাকা। লম্বা বেগুন ১০০ টাকা ও গোল বেগুন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। টমেটোর দাম ১২০ থেকে ১৪০ টাকা। বরবটি, ঝিঙে, করলা ও কচুরমুখির কেজি ৮০ টাকা। আকারভেদে প্রতিটি লাউয়ের দাম রাখা হচ্ছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের কেজি ছিল ১২০ টাকা। এখন একই পরিমাণ মরিচ কিনতে দিতে হচ্ছে ১৬০ টাকা। তবে পেঁপের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকা থাকায় এই সবজিতে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা।

বাজার করতে আসা ইব্রাহিম জানান, প্রায় প্রতিটি সবজির দাম অন্তত ১০ টাকা করে বেড়েছে। ৮০ টাকার নিচে খুব কম সবজি পাওয়া যাচ্ছে। টমেটো ও বেগুনের মতো নিয়মিত কেনা পণ্যের কেজিও ১০০ টাকা ছাড়িয়েছে।

শাকের দামে তুলনামূলক স্বস্তি

অন্যান্য সবজির তুলনায় শাকের দাম কম রয়েছে। লাল ও কলমি শাক প্রতি আঁটি ২০ টাকা, কচু শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা এবং ডাঁটা শাক ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি আঁটি পুঁইশাকের দাম ৪০ থেকে ৫০ টাকা এবং লাউ শাকের দাম ৪০ থেকে ৬০ টাকা।

মাংস স্থির, মাছের বাজার চড়া

মুরগি ও গরুর মাংসের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। ব্রয়লার মুরগির কেজি ১৯০ টাকা, সোনালি মুরগি ৩২০ টাকা এবং গরুর মাংস ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

মাছ কিনতেও ক্রেতাদের বড় অঙ্কের টাকা গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়ার কেজি ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা এবং পাঙাশ ২৩০ থেকে ২৫০ টাকা। রুই-কাতলা পাওয়া যাচ্ছে ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায়। বড় রুইয়ের দাম ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা হলেও মাঝারি রুই বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।

চিংড়ির কেজি আকারভেদে এক হাজার থেকে এক হাজার ৩০০ টাকা। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ট্যাংরা ও শোল ৭০০ টাকা এবং ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং দেশি কইয়ের দাম ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

চাষের কই প্রায় ৩০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা এবং চাষের শিং আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা ও নদীর বেলে মাছসহ কয়েক ধরনের মাছের দাম কেজিপ্রতি এক হাজার টাকা ছাড়িয়েছে।

মাঝারি রুইয়ের কেজি ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা। দেশি ও বেশি চাহিদাসম্পন্ন মাছের দাম তুলনামূলক বেশি। বিশেষ করে নদীর বেলে মাছ কিনতে এক হাজার টাকার বেশি খরচ হচ্ছে।

জাতীয়

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা […]

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

জাতির আকাঙ্ক্ষা-প্রত্যাশা পূরণে এবারের বাজেট করা হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক

১১ জুন ২০২৬, ১০:০২

বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কল্যাণের কথা বিবেচনায় নিয়েই এবারের বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

তিনি বলেন, দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে বাজেটের সব বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এবারের বাজেটের প্রেক্ষাপটও কিছুটা ভিন্ন। দীর্ঘদিন পর একটি নির্বাচিত সরকারের অধীনে জাতীয় বাজেট উপস্থাপিত হতে যাচ্ছে। ফলে জাতির প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষাও অনেক বেশি। সেই প্রত্যাশা, চিন্তা-ভাবনা ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দেশের অর্থনীতির আগামী এক বছরের রূপরেখা তুলে ধরতে বাজেট অধিবেশনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যতটুকু সামর্থ্য রয়েছে, তার মধ্যেই বাজেট করতে হয়েছে। একটি বিধ্বস্ত ও ভঙ্গুর অর্থনীতি থেকে দেশকে স্থিতিশীলতার পথে নিয়ে গিয়ে আগামী দিনে একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য রয়েছে। সেই লক্ষ্য অর্জনের একটি প্রচেষ্টা এই বাজেটে প্রতিফলিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশের সব নাগরিককে এর অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। জাতীয় ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে সবাই যাতে অংশ নিতে পারে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল যেন সমাজের সব স্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়, সেদিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই এই বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। সীমিত সম্পদের মধ্যেও সবাইকে সঙ্গে নিয়ে এই বাজেট বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হবে।

বানিজ্য

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি। সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট […]

চুপ্পুর বিরুদ্ধে ইসলামী ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১০ আগস্ট ২০২৬, ১৬:১৮

ঋণের নামে ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন চুপ্পু ও এস আলমসহ মোট ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ দায়ের করেছে বাংলাদেশ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি।

সোমবার দুপুরে দুদকের কার্যালয়ে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর ‘সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড’ নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম।

আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ৪টি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।