সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান, সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা

দীর্ঘ ২০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আজ (বুধবার) বরিশাল আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ ফজর নামাজ পড়েই ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠের দখল নিয়েছেন। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় এই ঐতিহাসিক মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ […]

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান, সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা

২০ বছর পর বরিশাল যাচ্ছেন তারেক রহমান, সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন নেতাকর্মীরা

নিউজ ডেস্ক

০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:১৫

দীর্ঘ ২০ বছরের প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় আজ (বুধবার) বরিশাল আসছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। প্রিয় নেতাকে একনজর দেখতে ভোর থেকেই বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হতে শুরু করেছেন। কেউ কেউ ফজর নামাজ পড়েই ঐতিহাসিক বেলস পার্ক মাঠের দখল নিয়েছেন।

বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টায় এই ঐতিহাসিক মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে তার। সমাবেশে বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের বিএনপি ও মিত্র জোটের প্রার্থীরা উপস্থিত থাকবেন।

বাবুগঞ্জ থানার জাহাঙ্গীর নগর ইউনিয়ন থেকে এসেছেন নাসিমা বেগম ও কাকলী আক্তার। তারা স্থানীয় মহিলা দলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তারেক রহমানকে দেখতে তারা গতকাল রাতেই বরিশালে এসে এক আত্মীয়ের বাসায় উঠেছিলেন। নাসিমা বেগম বলেন, “ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে মাঠে এসেছি। আমি রোজা রেখেছি। আমাদের ব্যক্তিগত চাওয়া নেই, শুধু চাই দেশটা সুন্দর হোক।” একই প্রত্যাশা কাকলী আক্তারেরও; তিনি চান নতুন প্রজন্মের জন্য একটি শান্ত ও সুন্দর বাংলাদেশ।

পিরোজপুরের নেছারাবাদ থেকে ভোরে লঞ্চে করে আসা যুবদল কর্মী সাইদুল ইসলাম বলেন, “আমাদের নেতা শহরে আসছেন, আমরা ঘরে থাকি কীভাবে? তাই ভোরেই চলে এসেছি।”

মাঠ ঘুরে দেখা যায়, প্রস্তুতির কোনো কমতি নেই। পূর্ব পাশে বিশাল মঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। নারী নেতাকর্মীদের বসার জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা জায়গা ঘেরাও করে সেখানে কলাপাতা বিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। পুরো শহর ও সমাবেশস্থল ছেয়ে গেছে ব্যানার-ফেস্টুন আর তোরণে।

সর্বশেষ ২০০৮ সালে এই মাঠে নির্বাচনী জনসভা করেছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। দীর্ঘ ১৬ বছর পর সেই একই মাঠে এবার দলটির পরবর্তী প্রজন্মের কাণ্ডারি তারেক রহমানের আগমনে দক্ষিণাঞ্চলে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বরিশাল বিভাগের ২১টি আসনের মধ্যে বিএনপি দুটি আসন মিত্রদের ছেড়ে দিয়েছে। পটুয়াখালী-৪ আসনে গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুর এবং ভোলা-১ আসনে বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। এছাড়া পিরোজপুর ও পটুয়াখালীর কয়েকটি আসনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীদের সঙ্গে বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ঝালকাঠি জেলা বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন ব্যাপারী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “বরিশাল বিভাগের ৯০ শতাংশ আসনে ধানের শীষের প্রার্থীরা জয়ী হবেন।”

দলীয় কর্মসূচি অনুযায়ী, বেলা ১১টায় ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারযোগে বরিশাল পৌঁছাবেন তারেক রহমান। দুপুর ১২টায় সমাবেশে যোগ দিয়ে ১টার দিকে তিনি ফরিদপুরের উদ্দেশে রওনা হবেন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন, “জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার হাত ধরে বরিশালে যে উন্নয়ন হয়েছে, তারেক রহমান সেই ধারাকে পূর্ণতা দেবেন। তাকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের প্রত্যাশা অনেক।”

উল্লেখ্য, তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৬ সালে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব হিসেবে বরিশাল সফর করেছিলেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫১১

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৭