বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

শিক্ষাঙ্গন

জবিতে মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও কয়েকজন শিক্ষক মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন। এক পর্যায়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের কক্ষে বসে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেখানেও উত্তেজনা থামেনি। বিপরীত পক্ষ করিডোরে মুখোমুখি হলে আবার সংঘর্ষ বাধে।

প্রতিনিধি ডেস্ক

১১ নভেম্বর ২০২৫, ২২:৫৬

রোকুনুজ্জামান, জবি

‎জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মার্কেটিং ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ২ নম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার, ফটকের সামনে, শান্ত চত্বরে ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যানের দপ্তরের সামনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনায় উভয় পক্ষের একাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

‎জানা গেছে, সোমবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর মঙ্গলবার সকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রায় ১৫-১৬ জন শিক্ষার্থী মার্কেটিং বিভাগের তিন শিক্ষার্থীর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। এতে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে কয়েক দফা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে উভয় পক্ষ।

‎পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম ও কয়েকজন শিক্ষক মধ্যস্থতায় এগিয়ে আসেন। এক পর্যায়ে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রইছ উদ্দিনের কক্ষে বসে সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে সেখানেও উত্তেজনা থামেনি। বিপরীত পক্ষ করিডোরে মুখোমুখি হলে আবার সংঘর্ষ বাধে।

এ বিষয়ে মার্কেটিং বিভাগের ২০২৩-২৪ সেশনের শিক্ষার্থী সামি উদ্দিন সাজিদ বলেন, ‎“সোমবার সকালে বাসে আমরা গল্প করছিলাম। রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাদি নামের একজন বারবার ধমক দিচ্ছিলেন। আমরা শুধুই অনুরোধ করেছিলাম, সুন্দরভাবে কথা বলতে। কিন্তু তিনি বিষয়টি বাড়িয়ে ফেলেন। এরপর শুনি তিনি আমাদের খুঁজছেন।”

‎তিনি আরও বলেন,“মঙ্গলবার তিনি বেশ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আমাকে হাত ধরে টেনে নিয়ে মারধর করেন। আচরণ দেখে মনে হয়েছে, আক্রমণটি পূর্বপরিকল্পিত ছিল।”

‎এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ক্যাম্পাসে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে যে, এটি নাকি সাধারণ বিভাগীয় ঘটনা নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব-প্রতিপত্তির বিষয়। কারণ মারামারি থেকে শুরু করে বিচার পর্যন্ত বেশ কিছু বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে যা বিষয়টিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, সমঝোতার বৈঠকটি সাধারণ কোনো প্রশাসনিক স্থানে না হয়ে অনুষ্ঠিত হয় অধ্যাপক রইছ উদ্দিনের কক্ষে। সেখানে জবির ১৫-১৬-১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল সংশ্লিষ্ট কয়েকজন নেতা প্রবেশ করেন। পরে তারা উচ্চস্বরে চেঁচামেচি করে অন্য শিক্ষার্থীদের বের করে দেয়। রুমে রাখা হয় কেবল আহত শিক্ষার্থী এবং কয়েকজন শিক্ষককে।

তাই সাধারণ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মচারীদের মনে প্রশ্ন উঠেছে-

  • দুই বিভাগের বিবাদ নিষ্পত্তি কেন রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের রুমে করা হলো?
  • ‎সিনিয়রদের বের করে রেখে গোপনে সমঝোতার প্রয়োজন পড়লো কেন?
  • আর যদি ঘটনা রাজনৈতিক না হয়, ছাত্রদল ঘনিষ্ঠরা সেখানে গেল কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

‎এ বিষয়ে জবি ছাত্রদল এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ঘটনাটিতে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। বিবৃতিতে বলা হয়,

“আসসুন্নাহ হলের দুই শিক্ষার্থী বাসে করে আসার পথে নিজেদের মধ্যে মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে। পরে তা দুই বিভাগের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। ছাত্রদলের নেতারা কেবল ক্যাম্পাসে উপস্থিত থাকায় সমাধানের উদ্যোগে এগিয়ে যান।”

‎তবে প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, প্রক্টর ও সভাপতিদের উপস্থিতির পরও বারবার সংঘর্ষ, গোপন আলোচনা এবং ভিসির উপস্থিতি, সব মিলিয়ে বিষয়টিতে প্রশাসনের দুর্বলতা ও রাজনৈতিক প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

‎বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ ঘটনায় কোনো আনুষ্ঠানিক তদন্ত কমিটি গঠন বা ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা এখনো পাওয়া যায়নি।

‎শিক্ষার্থীদের দাবি,“সাধারণ মারামারি হলে খোলা জায়গায় অথবা প্রক্টর অফিসের মতো যথাযথ প্রশাসনিক দপ্তরের মাধ্যমে বিচার হওয়া উচিত ছিলো। কিন্তু যখন বিচার হয় কারও ব্যক্তিগত রুমে, যখন সিনিয়রদের বের করে রাখা হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকেও বিষয়টি সমাধানের জন্য ক্যাম্পাসে বিএনপি পন্থি শিক্ষক বলে সমাধিক পরিচিত কোনো শিক্ষকের কক্ষে যেতে হয়, তখন বোঝা যায় ক্ষমতার অঘোষিত প্রভাব কাজ করছে।”

‎এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‎“এমন পরিবেশে নিরাপদ শিক্ষা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। ছাত্র, শিক্ষক, প্রশাসন সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও সহযোগিতায় আরো শক্ত হাতে বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করা উচিত।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, “প্রাথমিকভাবে দুই বিভাগের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। পরে তা বড় আকার ধারণ করে। ইতোমধ্যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে, তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শিক্ষাঙ্গন

যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে শেকৃবির সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার

শেকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ২২:৪৮

শেকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ১৫১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটিতে স্থান পেয়েছেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শেকৃবি) সাবেক শিক্ষার্থী কৃষিবিদ সানোয়ার আলম। নবগঠিত কমিটিতে তাকে কেন্দ্রীয় কৃষি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়। কমিটিতে আব্দুল মোনায়েম মুন্নাকে সভাপতি এবং মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে কৃষিবিদ সানোয়ার আলম সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন এবং তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কার্যক্রমকে শক্তিশালী করতে তার ভূমিকা রয়েছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

নেতাকর্মীরা জানান, সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মনিষ্ঠা ও দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবেই কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তাকে এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়েছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন দায়িত্বে তিনি যুবদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি কৃষি ও কৃষক সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।

এদিকে যুবদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নতুন নেতৃত্বের মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রম আরও বেগবান হবে বলে প্রত্যাশা করছেন তারা।

শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ […]

শিক্ষার্থীরা পড়ার টেবিলে ফিরে যাক, আমরাই তাদের চেয়ে বেশি উদ্বিগ্ন, প্রয়োজনে ফের পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৪ জুলাই ২০২৬, ১৮:০৬

বৈরী আবহাওয়ার কারণে কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিতে না পারলে প্রয়োজন হলে পুনরায় পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন না করে পড়াশোনায় মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সরকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) জাতীয় সংসদে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, সারা দেশের সার্বিক পরিস্থিতি, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিবেদন এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস পর্যালোচনা করেই নির্ধারিত সময়ে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তিনি বলেন, পরীক্ষার আগে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, বিভাগীয় কমিশনার, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সঙ্গে একাধিক দফায় আলোচনা করা হয়েছিল।

তবে পরীক্ষার দিন সকালে কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে আকস্মিক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হলে তাৎক্ষণিকভাবে কেন্দ্র পরিবর্তনের নির্দেশ দেওয়া হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

পদার্থবিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ত্রুটির বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ৬ ও ৭ নম্বর প্রশ্নে ভুল থাকায় ওই দুটি প্রশ্নের জন্য সব পরীক্ষার্থীকে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রশ্নপত্র প্রস্তুতের প্রক্রিয়া দীর্ঘমেয়াদি হওয়ায় সেগুলো বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের আগেই চূড়ান্ত করা হয়েছিল।

সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, যেসব এলাকায় বন্যা বা প্রশাসনিক কারণে পরীক্ষার্থীরা অংশ নিতে পারেননি, তাদের জন্য প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে ইতোমধ্যে এমন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, সরকার তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তাই আন্দোলনের পরিবর্তে সবাইকে পড়ার টেবিলে ফিরে গিয়ে পরীক্ষার প্রস্তুতি চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

শিক্ষাঙ্গন

যবিপ্রবির প্রথম উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান

যবিপ্রবি প্রতিনিধি: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান। রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা […]

নিউজ ডেস্ক

২৮ জুন ২০২৬, ২২:২০

যবিপ্রবি প্রতিনিধি:

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) প্রথম বারের মতো উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান।

রবিবার (২৮ জুন) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সহকারী সচিব মো: শাহ আলম সিরাজ স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি ও চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ২০০১ এর ১০(১) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসানকে উপ-উপাচার্য পদে নিয়োগ প্রদান করা হল।

যোগদানের তারিখ থেকে তিনি চার বছর মেয়াদে উপ-উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনকালে তিনি তাঁর মূল পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতাদি পাবেন এবং বিধি অনুযায়ী পদ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুযোগ সুবিধা ভোগ করবেন। পাশাপাশি তাঁকে সার্বক্ষণিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে অবস্থান করতে হবে।

সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত উপ-উপাচার্য অধ্যাপক শেখ মাহমুদুল হাসান বলেন, প্রজ্ঞাপনটি আমি হাতে পেয়েছি। আমার এখানে কিছু কাজ বাকি আছে। এগুলো শেষ করে আজকে বা কালকের মধ্যে আমি যবিপ্রবিতে জয়েন করবো। 

উল্লেখ্য, তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন( আইবিএ) থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনে শিক্ষকতা শুরু করেন।