বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

ঢাকার রাস্তায় অবরোধ— দাবি নাকি ভোগান্তি?

রাজধানী ঢাকায় যানজট যেন একটি চিরস্থায়ী সমস্যা। এমনিতেই এই শহরের যাতায়াতে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে অসীম ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়। এর মাঝে যখন কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন তাদের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে রাস্তায় অবরোধ করে, তখন পুরো শহরের জীবনযাত্রা যেন থমকে যায়। প্রশ্ন হলো, এই পদ্ধতিতে আদৌ কী দাবি আদায় হয়, নাকি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে? এক. […]

নিউজ ডেস্ক

১৯ নভেম্বর ২০২৪, ১৬:০৬

রাজধানী ঢাকায় যানজট যেন একটি চিরস্থায়ী সমস্যা। এমনিতেই এই শহরের যাতায়াতে প্রতিদিন সাধারণ মানুষকে অসীম ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়। এর মাঝে যখন কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন তাদের দাবি আদায়ের উদ্দেশ্যে রাস্তায় অবরোধ করে, তখন পুরো শহরের জীবনযাত্রা যেন থমকে যায়। প্রশ্ন হলো, এই পদ্ধতিতে আদৌ কী দাবি আদায় হয়, নাকি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি বাড়ে?

এক. ঢাকার রাস্তায় প্রতিনিয়তই দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের আন্দোলন।
জাতীয় প্রেসক্লাব, সায়েন্স ল্যাব, কারওয়ান বাজার, বাংলামোটর—এমন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে হয় মানববন্ধন, অবস্থান কিংবা সড়ক অবরোধ। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- চাকরি জাতীয়করণ, বেতন বৈষম্য দূরীকরণ, দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, পরীক্ষার ফলাফল বাতিল কিংবা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দাবি। এইসব কর্মসূচি জনগণের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আয়োজিত হলেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে সাধারণ মানুষের ওপর। যারা অফিসে, হাসপাতালে বা জরুরি প্রয়োজনে বের হন, তাদের সময় এবং মানসিক স্থিতি—দুটোই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

দুই. ঢাকার রাস্তা অবরোধের ফলে সারা শহরে এক প্রকার স্থবিরতা নেমে আসে। জরুরি সেবা, যেমন অ্যাম্বুলেন্স কিংবা ফায়ার সার্ভিসের কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। অনেক সময় রোগীরা সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছাতে না পারার কারণে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। একদিকে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবির প্রতি কর্তৃপক্ষের নজর আকর্ষণ করতে চান, অন্যদিকে তাদের এই পদ্ধতি জনমনে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়।
তিন. সড়ক অবরোধকে দাবি আদায়ের উপযুক্ত পদ্ধতি বলা যায় না।

একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংলাপ, স্মারকলিপি প্রদান এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা—এসব পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান সম্ভব। এই পদ্ধতিগুলো জনজীবনকে অচল না করেও দাবি আদায়ের জন্য কার্যকর হতে পারে। যখনই আন্দোলনকারীরা রাস্তায় নামেন, তখন তারা জনসমর্থন পেতে চান।

কিন্তু রাস্তায় যান চলাচল বন্ধ করার কারণে মানুষের অসন্তোষ সৃষ্টি হলে সেই সমর্থন নষ্ট হয়ে যায়।
বরং প্রাসঙ্গিক এবং যৌক্তিক দাবি নিয়ে আলোচনা করলে তা সহজে সমাধান পায় এবং জনগণের মনোভাবও ইতিবাচক থাকে।
চার. অবরোধের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা আমাদের ভাবতে বাধ্য করে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি আমাদের আস্থা কতটা শক্তিশালী? আন্দোলনকারীদের উচিত তাদের দাবি একটি গঠনমূলক উপায়ে উপস্থাপন করা। স্মারকলিপি প্রদান, গণস্বাক্ষর সংগ্রহ কিংবা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ—এগুলোই দাবি আদায়ের আরও সুশৃঙ্খল ও কার্যকর পদ্ধতি হতে পারে।

শেষ কথা

সড়ক অবরোধের মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রবণতা শুধু জনজীবনকে দুর্বিষহ করে তোলে না বরং আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্যকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে কোনো গোষ্ঠী বা সংগঠন তাদের দাবি আদায়ের জন্য রাস্তা বন্ধ করার মতো কর্মসূচি থেকে বিরত থাকবে।

সমাধান আসুক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে—আলোচনা, সমঝোতা এবং জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে। এই পথেই আমরা গড়তে পারি একটি সুশৃঙ্খল ও সমৃদ্ধ সমাজ।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।