বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

মো. আব্দুর রহমান। বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবেই এলাকায় বেশি পরিচিত। ’৯০ দশকে তার পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা ছিল। আর বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। আব্দুর রহমানের বাবা জসিমউদ্দীন বোদা সরকারি খাদ্য গুদামের মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক সময় বিভিন্ন […]

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৫, ১২:০৭

মো. আব্দুর রহমান। বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবেই এলাকায় বেশি পরিচিত। ’৯০ দশকে তার পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা ছিল। আর বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। আব্দুর রহমানের বাবা জসিমউদ্দীন বোদা সরকারি খাদ্য গুদামের মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসাবে কাজ করতেন।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক সময় বিভিন্ন প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ আসা চাল-গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) কিনে নিতেন। প্রায় অর্ধেক মূল্যে প্রকল্পের চাল-গম কিনে বেশি দামে বিক্রি করতেন। এই ব্যবসার জন্য তিনি বোদা বাজারের মনবি সিনেমাহল রোডে প্রকাশ্যেই গদিঘর খুলে বসেন। প্রকল্পের চাল-গম বিক্রির জন্য দাদন হিসাবে বিভিন্ন ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের আগাম টাকা প্রদানও করতেন রহমান।

এ জন্য সবাই তাকে ‘ডিও ব্যবসায়ী রহমান’ নামেই ডাকতেন। এই ডিও ব্যবসা করেই আব্দুর রহমান এখন বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক। পঞ্চগড়-২ আসনের সাবেক এমপি নূরুল ইসলাম সুজনের আশীর্বাদ ও ছত্রছায়ায় আব্দুর রহমান ‘ডিও ব্যবসা’ পরিচালনা করতেন। নূরুল ইসলাম সুজন রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তার ব্যবসায় আয়-উন্নতি দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। এই টাকার জোরে আব্দুর রহমান বিনা ভোটে পরপর দু’বার জেলা পরিষদের কাউন্সিল নির্বাচিত হন। এরপর শুরু করেন নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা। এভাবে অল্প সময়েই আব্দুর রহমান বনে যায় বিপুল বিত্ত ভৈববের মালিক।

জনশ্রুতি রয়েছে, সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবে তার আর্থিক বিষয়াদি দেখভাল করতেন আব্দুর রহমান। এমনকি অবৈধভাবে সুজনের আয় করা কোটি কোটি টাকাও তার কাছেই রক্ষিত। জুলাই-বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দিলেও আব্দুর রহমান এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে হেন কোনো অপকর্ম নেই, যা তিনি করেননি।

জানা গেছে, বিভিন্ন বিভাগের টেন্ডারের কোটি কোটি টাকার কাজের নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি ব্যবসা, তদবির বাণিজ্য, রেল বিভাগের কাজের তদবির, হাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণ করতেন আব্দুর রহমান। এই অবৈধ আয়ের টাকায় বোদা পৌরসভা সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের দুই বিঘা জমি এবং পৌরসভা এলাকার খোকা মাস্টারের বোনের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকায় এক বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। বোদা বাজারে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তুলেছেন মোটরসাইকেলের শো-রুম।

এছাড়া বোদা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে কিনেছেন প্রায় শতাধিক বিঘা জমি। অথচ তার দৃশ্যমান বা বৈধ কোনো ব্যবসা কখনই ছিল না। প্রকল্পের চাল-গম কেনাবেচাই ছিল তার একমাত্র পেশা।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ দোসর হয়েও চলতি বছর ৪০ লাখ টাকা খরচ করে বোদা পৌরসভার অন্তর্গত নগর কুমারী হাটের ইজারা বাগিয়ে নিয়েছেন আব্দুর রহমান।

বোদা থানার ওসি আজিমউদ্দীন বলেন, আবদুর রহমানের নামে কোনো মামলা নাই। তাছাড়া বর্তমানে তিনি ‘একটিভ’ নন, এ জন্য তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রচারণা মাত্র।

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।