রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে ঘিরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

আবু তাহের, জাককানইবি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে অন্তর্ভুক্তীকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরদিন (২৯ জুলাই) সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় গড়ায়। এতে আহত হন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান […]

বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে ঘিরে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে দফায় দফায় সংঘর্ষ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

৩০ জুলাই ২০২৬, ১৩:২১

আবু তাহের, জাককানইবি

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলে বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ কর্মীকে অন্তর্ভুক্তীকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) রাতে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বের জেরে শুরু হওয়া উত্তেজনা পরদিন (২৯ জুলাই) সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে এক কর্মীকে মারধরের ঘটনায় গড়ায়। এতে আহত হন বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও বর্তমান ছাত্রদল কর্মী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাতে বিদ্রোহী হলের সামনে সিনিয়র-জুনিয়র দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে শাখা ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা জড়ো হন। একপর্যায়ে সমস্যা সমাধানে শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মারুফ হাসান (মামুন সরকার) ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তার সামনেই রিজওয়ানুল করিম রাব্বী ও যুগ্ম আহ্বায়ক শাহজালাল আহমেদ জনির মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে দুই পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লে শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

অভিযোগ রয়েছে, ওই ঘটনার জের ধরে পরদিন সকালে অগ্নিবীণা হলের ডাইনিংয়ে খাবার খাওয়ার সময় রাব্বিকে ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও সংগঠনের শৃঙ্খলা নষ্টের অভিযোগ তুলে কয়েকজন নেতা-কর্মী মারধর করেন। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মারধরের ঘটনায় ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানা, শাহজালাল আহমেদ জনি , আবু সাইদসহ আরও কয়েকজন অংশ নেন। এ সময় তাদের হাতে স্ট্যাম্প, রড ও কাঠ দেখা যায়। পরে আহত অবস্থায় রাব্বিকে ত্রিশাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

পরে এই ঘটনার জেড়ে কয়েক দফায় ২ গ্রুপে ধাক্কাধাক্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

সূত্রমতে, মারধরে অংশ নেওয়া নেতা-কর্মীরা সবাই ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক ইমরান হোসেন প্রধানের অনুসারী ছিলেন। বর্তমানে তারা বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা আব্দুর রহিম ও বর্তমান কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানার অনুসারী হিসেবে পরিচিত। এছাড়া রাব্বিকে অ্যাম্বুলেন্সে হাসপাতালে নেওয়ার সময়ও বাধা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে বহিষ্কৃত নেতা আব্দুর রহিমের বিরুদ্ধে।

আবার অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালে সাংবাদিকদের মারার অভিযোগে ৩ বছরের জন্য বহিষ্কার হন সাবেক ছাত্রলীগ কর্মী রিজওয়ানুল করিম রাব্বী। তবে জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় থেকে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি বিরোধী আন্দোলনেও অংশ নেন। পর ছাত্রদলের রাজনীতিতে যোগ দেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাসেল রানা বলেন, “রাব্বী আগে ছাত্রলীগকর্মী ছিল। ৫ আগস্টের পর সে ছাত্রদলের রাজনীতিতে যুক্ত হতে চায়। তবে তার উগ্র আচরণ ও সংগঠনের ভেতরে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা আমরা মেনে নেব না। রাতের ঘটনায় সে সিনিয়র নেতাদের গায়ে হাত তোলে, যা চরম অপমানজনক। ফ্যাসিস্টদের কোনো চিহ্ন ছাত্রদলে বিশৃঙ্খলা তৈরির চেষ্টা করলে তাকে আমরা প্রতিহত করবই।”

অন্যদিকে মারধরের শিকার রিজওয়ানুল করিম রাব্বী বলেন, “ছাত্রলীগের সময় প্রোগ্রাম করা বাধ্যতামূলক থাকায় সেখানে থাকতে হয়েছে। আমার কোনো পদ ছিল না। ছাত্রলীগের রাজনীতি করার উদ্দেশ্য থাকলে পদ নিয়েই রাজনীতি করতাম। আমি জুলাই আন্দোলনে শেষ পর্যন্ত মাঠে ছিলাম এবং ভিসিবিরোধী আন্দোলন করেছি। আমার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।”

মারধরের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, “রাতের ঘটনায় সদস্য সচিবের সামনে বেয়াদবি করায় আমি প্রতিবাদ করি। তখন কয়েকজন আমার ওপর হামলা চালায়। আবার সকালে ডাইনিংয়ে বসে খাওয়ার সময় লাঠি, রড ও স্ট্যাম্প দিয়ে আমাকে মারধর করা হয়।”

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব বলেন, “সিনিয়র-জুনিয়র ঝামেলা থেকে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা হয়েছিল। বিষয়টি জানার পর আমি ও সদস্য সচিব দুই পক্ষকে ডেকে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করেছি। এমন ঘটনা মোটেও কাম্য নয়।”

শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মামুন সরকার বলেন, “ঘটনাটি ইতোমধ্যে সমাধান হয়েছে। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টির সমাধান করেছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মাহবুবুর রহমান বলেন, “ছাত্রদলের নিজেদের মধ্যে একটি ঝামেলা হয়েছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করা হয়েছে।”

সারাদেশ

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে। হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া […]

আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’, পরিচয় দেন রাজুর স্ত্রী হিসেবে

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮

কুমিল্লায় ধর্ষণ ও হত্যার শিকার স্কুলছাত্রী জান্নাতুল তাজমিনের (১৫) মৃত্যুর আগে কক্সবাজারে অবস্থানের নতুন তথ্য সামনে এসেছে। সেখানকার একটি আবাসিক হোটেলের রেজিস্টারে তার নাম লেখা হয়েছিল ‘তানজু আক্তার’। বয়স দেখানো হয় ১৮ বছর। আর সঙ্গে থাকা রিয়াজ উদ্দিন ওরফে রাজুকে পরিচয় দেওয়া হয় তার স্বামী হিসেবে।

হোটেলের রেজিস্টার, সিসিটিভি ফুটেজ এবং রিয়াজের পরিচিত ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য থেকে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান ও বাড়ি ফেরার আগের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে এসব তথ্য জানা গেছে।

হোটেলের রেজিস্টার অনুযায়ী, গত ৬ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টা ২৫ মিনিটে কক্সবাজারের কলাতলীতে কুটুমবাড়ি-সংলগ্ন সড়কের শেষ মাথায় অবস্থিত একটি তিনতলা আবাসিক হোটেলের ৩০২ নম্বর কক্ষে ওঠে তাজমিন ও রিয়াজ। সেখানে তাজমিনের নাম ‘তানজু আক্তার’ এবং বয়স ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়। রিয়াজের ঠিকানা হিসেবে বান্দরবানের লামা এলাকার তথ্য দেওয়া হয়। তার বাবার নাম লেখা হয় মনির আহমদ।

হোটেলের এক কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এক রাত অবস্থানের পর ৭ অক্টোবর বেলা ১১টার দিকে তারা হোটেল ছেড়ে চলে যান। রেজিস্টারে রিয়াজের দুটি মুঠোফোন নম্বর ও একটি জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বরও পাওয়া গেছে।

তথ্য অনুযায়ী, ৭ অক্টোবর হোটেল ছাড়ার পর রিয়াজ তাজমিনকে কুমিল্লাগামী একটি বাসে তুলে দেন। এরপর বাড়ি ফেরার পথে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠে তাজমিন। অভিযোগ অনুযায়ী, অটোরিকশাচালক সুমন মিয়া তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করেন।

পরদিন ৮ অক্টোবর সকালে কুমিল্লার লালমাই উপজেলার ভোরালজগপুর উত্তরপাড়া গ্রামের একটি ধানক্ষেতের আইল থেকে তাজমিনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় করা হত্যা মামলায় সিএনজিচালক সুমন মিয়াকে (৩৫) চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাজমিনের ব্যবহৃত আইফোন উদ্ধার করা হয়।

রিয়াজের এক সহকর্মীর দাবি, ঘটনার প্রায় ১৭ দিন আগে ফেসবুকের মাধ্যমে তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের পরিচয় হয়। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। পরে তাজমিন কক্সবাজারে গেলে তারা একসঙ্গে সময় কাটান।

তবে রিয়াজের ঘনিষ্ঠ অন্য একটি সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ মাস আগে তাদের পরিচয় হয়েছিল এবং এরপর থেকে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

তাজমিনের বাড়ি ছাড়ার বিষয়ে জানা যায়, গত ৪ অক্টোবর এক বান্ধবীকে হাতঘড়ি দেওয়া নিয়ে মায়ের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর সে বাড়ি থেকে বের হয়ে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক বান্ধবীর কাছে যায়।

সেখান থেকে মুঠোফোনে রিয়াজের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাকে কক্সবাজারে আসতে বলা হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। যাতায়াতের খরচ হিসেবে রিয়াজ বিকাশের মাধ্যমে ৫০০ টাকা পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা গেছে।

সহকর্মী জানান, কক্সবাজার থেকে ফেরার জন্য ‘আইকনিক এক্সপ্রেস’ পরিবহনের একটি বাসের টিকিট কিনে তাজমিনকে তুলে দেন রিয়াজ। টিকিটের মূল্য ছিল ৯০০ টাকা।

ওই সহকর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, কুমিল্লায় পৌঁছে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠার পরও তাজমিনের সঙ্গে রিয়াজের মুঠোফোনে যোগাযোগ হচ্ছিল। এমনকি অটোরিকশাচালক সম্পর্কে কিছু তথ্যও রিয়াজকে জানিয়েছিল তাজমিন।

তবে রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাজমিনের মুঠোফোনের লাইভ লোকেশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর তার সঙ্গে আর যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি বলে দাবি করেন ওই সহকর্মী।

পরদিন টেলিভিশনের সংবাদে তাজমিনের হত্যার খবর জানতে পেরে রিয়াজ হতবাক হয়ে পড়েন বলেও জানান তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক রিয়াজের এক সহকর্মী আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের খবর প্রকাশের পর রিয়াজ তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ সময় তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সহযোগিতা চান। তাজমিনের হত্যার সঙ্গে নিজের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

ওই সহকর্মীর তথ্য অনুযায়ী, রিয়াজ প্রায় তিন বছর ধরে কক্সবাজারের একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করছেন। ঘটনার পর তিনি কর্মস্থল থেকে ছুটিতে রয়েছেন।

এদিকে রিয়াজের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য সরাসরি জানা সম্ভব হয়নি।

লালমাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান জানিয়েছেন, তাজমিন হত্যার ঘটনায় মুঠোফোনের কললিস্টসহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, গ্রেপ্তার আসামি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তদন্ত শেষ হলে ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়ও পরিষ্কার হবে।

তবে তাজমিনের কক্সবাজারে অবস্থান, হোটেলের রেজিস্টারে ভিন্ন নাম ও বয়স ব্যবহার এবং রিয়াজের সঙ্গে তার যোগাযোগের বিষয়গুলো তদন্তে কীভাবে বিবেচিত হচ্ছে, তা এখনো বিস্তারিত জানা যায়নি।

সারাদেশ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি  নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম […]

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরি, লুট মালামাল

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭

আমজাদ শিবলু, সেনবাগ উপজেলা প্রতিনিধি 

নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার বীজবাগ নুরজাহান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চুরির ঘটনা ঘটেছে। রাতের কোনো একসময় বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে চারটি সিলিং ফ্যান, একটি ল্যাপটপ, একটি চার্জার ফ্যানসহ বিভিন্ন মূল্যবান মালামাল নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) সকালে বিদ্যালয়ে এসে বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে। পরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ও সেনবাগ থানা পুলিশকে ঘটনাটি জানান।

বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, চোরেরা অফিস কক্ষে প্রবেশের পর দুটি স্টিলের আলমিরা ও একটি ফাইল কেবিনেটের তালা ভেঙে ফেলে। এরপর সেখান থেকে বিভিন্ন মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে সেনবাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সেনবাগ থানার ওসি (তদন্ত) মো. হযরত আলী মিলন গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত চুরি যাওয়া মালামাল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি এবং এ ঘটনায় কাউকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারাদেশ

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান। কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক […]

মধুপুরে আকস্মিক ঘূর্ণিঝড়ে কৃষকের কলা ও আনারস বাগানের বেহাল অবস্থা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১

মধুপুর উপজেলার জয়নাগাছা, সোলাকুড়ীসহ আশপাশের এলাকায় ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। ভেঙে গেছে অসংখ্য কলাগাছ, ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আনারস, পেঁপেসহ বিভিন্ন ফসলের বাগান।

কৃষকদের ভাষ্য, বছরের পর বছর পরিশ্রম আর বিনিয়োগের পর ফলন পাওয়ার সময় এমন ঝড় তাদের বড় ধরনের ক্ষতির মুখে ফেলেছে। হরিণধরা গ্রামের কৃষক আবু সায়েম হোসেন বলেন, জীবনের প্রায় অর্ধেক পুঁজি তিনি আনারস ও কলাবাগানে ব্যয় করেছেন। আকস্মিক এই ঝড়ে তার সব আশা-আকাঙ্ক্ষা যেন মুহূর্তেই শেষ হয়ে গেছে।

কৃষকদের কাছে কলাগাছের মাজা ভেঙে যাওয়া শুধু একটি গাছের ক্ষতি নয়, এর সঙ্গে জড়িয়ে থাকে তাদের পরিবারের স্বপ্ন ও জীবিকার হিসাব। আকস্মিক এই ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের এখন ঘুরে দাঁড়ানোর অপেক্ষা।