শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

মো. আব্দুর রহমান। বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবেই এলাকায় বেশি পরিচিত। ’৯০ দশকে তার পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা ছিল। আর বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। আব্দুর রহমানের বাবা জসিমউদ্দীন বোদা সরকারি খাদ্য গুদামের মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসাবে কাজ করতেন। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক সময় বিভিন্ন […]

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

‘নুন আনতে পান্তা ফুরাতো’ সেই আ.লীগ নেতা এখন কোটিপতি

নিউজ ডেস্ক

২৩ মে ২০২৫, ১২:০৭

মো. আব্দুর রহমান। বোদা উপজেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ। সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবেই এলাকায় বেশি পরিচিত। ’৯০ দশকে তার পরিবারে নুন আনতে পান্তা ফুরায় অবস্থা ছিল। আর বর্তমানে তিনি কোটি কোটি টাকার মালিক। আব্দুর রহমানের বাবা জসিমউদ্দীন বোদা সরকারি খাদ্য গুদামের মাস্টাররোলে পরিচ্ছন্নকর্মী হিসাবে কাজ করতেন।

এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক সময় বিভিন্ন প্রকল্পের অনুকূলে বরাদ্দ আসা চাল-গমের ডেলিভারি অর্ডার (ডিও) কিনে নিতেন। প্রায় অর্ধেক মূল্যে প্রকল্পের চাল-গম কিনে বেশি দামে বিক্রি করতেন। এই ব্যবসার জন্য তিনি বোদা বাজারের মনবি সিনেমাহল রোডে প্রকাশ্যেই গদিঘর খুলে বসেন। প্রকল্পের চাল-গম বিক্রির জন্য দাদন হিসাবে বিভিন্ন ইউপির চেয়ারম্যান ও সদস্যদের আগাম টাকা প্রদানও করতেন রহমান।

এ জন্য সবাই তাকে ‘ডিও ব্যবসায়ী রহমান’ নামেই ডাকতেন। এই ডিও ব্যবসা করেই আব্দুর রহমান এখন বিপুল বিত্ত বৈভবের মালিক। পঞ্চগড়-২ আসনের সাবেক এমপি নূরুল ইসলাম সুজনের আশীর্বাদ ও ছত্রছায়ায় আব্দুর রহমান ‘ডিও ব্যবসা’ পরিচালনা করতেন। নূরুল ইসলাম সুজন রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তার ব্যবসায় আয়-উন্নতি দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। এই টাকার জোরে আব্দুর রহমান বিনা ভোটে পরপর দু’বার জেলা পরিষদের কাউন্সিল নির্বাচিত হন। এরপর শুরু করেন নামে-বেনামে ঠিকাদারি ব্যবসা। এভাবে অল্প সময়েই আব্দুর রহমান বনে যায় বিপুল বিত্ত ভৈববের মালিক।

জনশ্রুতি রয়েছে, সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের ক্যাশিয়ার হিসাবে তার আর্থিক বিষয়াদি দেখভাল করতেন আব্দুর রহমান। এমনকি অবৈধভাবে সুজনের আয় করা কোটি কোটি টাকাও তার কাছেই রক্ষিত। জুলাই-বিপ্লবের পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা গা-ঢাকা দিলেও আব্দুর রহমান এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। অথচ বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের শাসনামলে হেন কোনো অপকর্ম নেই, যা তিনি করেননি।

জানা গেছে, বিভিন্ন বিভাগের টেন্ডারের কোটি কোটি টাকার কাজের নিয়ন্ত্রণ, ঠিকাদারি ব্যবসা, তদবির বাণিজ্য, রেল বিভাগের কাজের তদবির, হাটের ইজারা নিয়ন্ত্রণ করতেন আব্দুর রহমান। এই অবৈধ আয়ের টাকায় বোদা পৌরসভা সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের দুই বিঘা জমি এবং পৌরসভা এলাকার খোকা মাস্টারের বোনের কাছ থেকে প্রায় ১ কোটি টাকায় এক বিঘা জমি ক্রয় করেছেন। বোদা বাজারে দুই কোটি টাকা ব্যয়ে গড়ে তুলেছেন মোটরসাইকেলের শো-রুম।

এছাড়া বোদা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নামে-বেনামে কিনেছেন প্রায় শতাধিক বিঘা জমি। অথচ তার দৃশ্যমান বা বৈধ কোনো ব্যবসা কখনই ছিল না। প্রকল্পের চাল-গম কেনাবেচাই ছিল তার একমাত্র পেশা।

অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী সরকারের ঘনিষ্ঠ দোসর হয়েও চলতি বছর ৪০ লাখ টাকা খরচ করে বোদা পৌরসভার অন্তর্গত নগর কুমারী হাটের ইজারা বাগিয়ে নিয়েছেন আব্দুর রহমান।

বোদা থানার ওসি আজিমউদ্দীন বলেন, আবদুর রহমানের নামে কোনো মামলা নাই। তাছাড়া বর্তমানে তিনি ‘একটিভ’ নন, এ জন্য তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। এ ব্যাপারে আব্দুর রহমান তার বিরুদ্ধে আনীত সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ভিত্তিহীন ও মিথ্যা প্রচারণা মাত্র।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।