রবিবার, ০৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় রাজনৈতিক দলগুলো

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আর সন্দেহ দেখা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ধোঁয়াশা কাটাতে তাই সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় দলগুলো। নেতারা বলছেন, নির্বাচন এড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা চলছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে তারা আশ্বস্ত হতেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাব্বীর আহমেদের মতে, রোডম্যাপের দাবি যৌক্তিক-বাস্তবসম্মত। কেননা এর ওপরই নির্ভর করছে দল ও কমিশনের […]

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় রাজনৈতিক দলগুলো

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৮

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আর সন্দেহ দেখা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ধোঁয়াশা কাটাতে তাই সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় দলগুলো। নেতারা বলছেন, নির্বাচন এড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা চলছে।

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে তারা আশ্বস্ত হতেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাব্বীর আহমেদের মতে, রোডম্যাপের দাবি যৌক্তিক-বাস্তবসম্মত। কেননা এর ওপরই নির্ভর করছে দল ও কমিশনের নির্বাচনী প্রস্তুতি।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুরুতে ৬ মাসের মধ্যে, কখনও যৌক্তিক সময় থেকে এক বছর; আর সবশেষ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভোটের দাবিতে অটল দলটি। দুই দফা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও আশ্বস্ত হতে পারেনি বিএনপি।

কেন বারবার নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন-তারিখ চাইছে বিএনপি? এমন প্রশ্নে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলছেন, আমরা মনে করি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রদানের সাথে সাথে জনমনে স্বস্তির ভাব আসবে।

সত্যিকারভাবে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আশ্বস্ত হতে পারবে কখন, কীভাবে নির্বাচনের জন্য আগাতে হবে। অনিশ্চিত পরিবেশে বিনিয়োগ-ব্যবসা হয় না। রাজনৈতিক অস্থিরতাও বিদ্যমান থাকে।

অন্যদিকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, পরস্পরের সম্মানবোধের বাইরে গিয়ে সাংঘর্ষিক রাজনীতির দিকে যাবে। সেই জায়গাটা কিন্তু স্বৈরাচারের দিকে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন। গণতান্ত্রিক সম্মানের দিকে যতক্ষণ না যাবেন, স্বৈরাচারের জন্য জায়গা করে দিচ্ছেন।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করা দলগুলোর নেতারাও মনে করেন, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, রোডম্যাপের স্পষ্ট একটা ধারণা পাওয়া যেত তাহলে দ্বিধা-সন্দেহ কাজ করছে, সেটার অবসান হতো। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন নির্বাচন কমিশন। সরকার কমিশনকে তার একটা রাজনৈতিক নির্দেশনা দিতে পারেন। রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে রাজনৈতিক, সাংগঠনিক প্রস্তুতিটা তারা বিবেচনায় আনতে পারতেন।

তবে বিএনপি কিংবা অন্য দলগুলোর নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বীর আহমেদ। তিনি বললেন, আমার কাছে এটা যৌক্তিক।

কারণ তারা যেটার জন্য রাজনীতি করে, তারা সেটাই চাইছে। এর বাইরে তো কিছুই চাইছে না। তারা চাচ্ছে নির্বাচনটা সুনির্দিষ্টভাবে কবে হবে? একদম সুস্পষ্ট তারিখ জানতে চাচ্ছে। এটা যে শুধু দলের প্রস্তুতি না, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিরও ব্যাপার আছে। বারবার তারা বলছে, বিচারের তো বিরোধী না। আগে বিচার, পরে নির্বাচন— এটা তো সময় ক্ষেপণের কৌশল মাত্র।

উল্লেখ্য অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দুই মাস আগে ঘোষণা করা হবে রোডম্যাপ। কিন্তু সরকারের এই অবস্থানের সঙ্গে একমত নয় বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। তারা বলছে, রাজপথের চেয়ে আলোচনার টেবিলেই হোক সমাধান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।