শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় রাজনৈতিক দলগুলো

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আর সন্দেহ দেখা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ধোঁয়াশা কাটাতে তাই সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় দলগুলো। নেতারা বলছেন, নির্বাচন এড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা চলছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে তারা আশ্বস্ত হতেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাব্বীর আহমেদের মতে, রোডম্যাপের দাবি যৌক্তিক-বাস্তবসম্মত। কেননা এর ওপরই নির্ভর করছে দল ও কমিশনের […]

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা, সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় রাজনৈতিক দলগুলো

ছবি : সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৬ এপ্রিল ২০২৫, ১০:৩৮

নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা আর সন্দেহ দেখা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে। ধোঁয়াশা কাটাতে তাই সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চায় দলগুলো। নেতারা বলছেন, নির্বাচন এড়িয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা চলছে।

নির্বাচনের দিনক্ষণ ঘোষণা হলে তারা আশ্বস্ত হতেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাব্বীর আহমেদের মতে, রোডম্যাপের দাবি যৌক্তিক-বাস্তবসম্মত। কেননা এর ওপরই নির্ভর করছে দল ও কমিশনের নির্বাচনী প্রস্তুতি।

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর থেকেই দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। শুরুতে ৬ মাসের মধ্যে, কখনও যৌক্তিক সময় থেকে এক বছর; আর সবশেষ চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভোটের দাবিতে অটল দলটি। দুই দফা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেও আশ্বস্ত হতে পারেনি বিএনপি।

কেন বারবার নির্বাচনের নির্দিষ্ট দিন-তারিখ চাইছে বিএনপি? এমন প্রশ্নে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলছেন, আমরা মনে করি, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ প্রদানের সাথে সাথে জনমনে স্বস্তির ভাব আসবে।

সত্যিকারভাবে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। রাজনৈতিক দলগুলো আশ্বস্ত হতে পারবে কখন, কীভাবে নির্বাচনের জন্য আগাতে হবে। অনিশ্চিত পরিবেশে বিনিয়োগ-ব্যবসা হয় না। রাজনৈতিক অস্থিরতাও বিদ্যমান থাকে।

অন্যদিকে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, পরস্পরের সম্মানবোধের বাইরে গিয়ে সাংঘর্ষিক রাজনীতির দিকে যাবে। সেই জায়গাটা কিন্তু স্বৈরাচারের দিকে উন্মুক্ত করে দিচ্ছেন। গণতান্ত্রিক সম্মানের দিকে যতক্ষণ না যাবেন, স্বৈরাচারের জন্য জায়গা করে দিচ্ছেন।

বিএনপির সঙ্গে যুগপৎ আন্দোলন করা দলগুলোর নেতারাও মনে করেন, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ নিয়ে সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, রোডম্যাপের স্পষ্ট একটা ধারণা পাওয়া যেত তাহলে দ্বিধা-সন্দেহ কাজ করছে, সেটার অবসান হতো। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবেন নির্বাচন কমিশন। সরকার কমিশনকে তার একটা রাজনৈতিক নির্দেশনা দিতে পারেন। রাজনৈতিক দলগুলোর দিক থেকে রাজনৈতিক, সাংগঠনিক প্রস্তুতিটা তারা বিবেচনায় আনতে পারতেন।

তবে বিএনপি কিংবা অন্য দলগুলোর নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপের দাবিকে যৌক্তিক মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. সাব্বীর আহমেদ। তিনি বললেন, আমার কাছে এটা যৌক্তিক।

কারণ তারা যেটার জন্য রাজনীতি করে, তারা সেটাই চাইছে। এর বাইরে তো কিছুই চাইছে না। তারা চাচ্ছে নির্বাচনটা সুনির্দিষ্টভাবে কবে হবে? একদম সুস্পষ্ট তারিখ জানতে চাচ্ছে। এটা যে শুধু দলের প্রস্তুতি না, নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতিরও ব্যাপার আছে। বারবার তারা বলছে, বিচারের তো বিরোধী না। আগে বিচার, পরে নির্বাচন— এটা তো সময় ক্ষেপণের কৌশল মাত্র।

উল্লেখ্য অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের দুই মাস আগে ঘোষণা করা হবে রোডম্যাপ। কিন্তু সরকারের এই অবস্থানের সঙ্গে একমত নয় বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। তারা বলছে, রাজপথের চেয়ে আলোচনার টেবিলেই হোক সমাধান।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।