রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে দেরি কেন, বিএনপি জানতে চায়

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সংযোগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে তিন ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর পরপরই, পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়—সরকারের নিরপেক্ষতা কি আদৌ আছে? এই প্রশ্ন তীব্রতর হয়েছে যখন এক ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ‘জাতীয় নাগরিক […]

নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে দেরি কেন, বিএনপি জানতে চায়

ছবি : সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৫, ২৩:০৭

অন্তর্বর্তী সরকারের নিরপেক্ষতা নিয়েই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠেছে—আর তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নির্বাচন এবং ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সংযোগ। জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে তিন ছাত্র প্রতিনিধি যুক্ত হন। এর পরপরই, পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ দেখা দেয়—সরকারের নিরপেক্ষতা কি আদৌ আছে?

এই প্রশ্ন তীব্রতর হয়েছে যখন এক ছাত্র উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’ নামে একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বে যোগ দেন। আর এখনো সরকারে রয়েছেন আরও দুই ছাত্র প্রতিনিধি, যাদের ভূমিকাকে কেন্দ্র করে সরকারের পক্ষপাতদুষ্ট আচরণের অভিযোগ তুলেছে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, “আমরা আশা করেছিলাম অন্তর্বর্তী সরকার নিরপেক্ষ থাকবে। কিন্তু এখন বিভিন্ন মহল থেকে সরকারের পক্ষপাতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। আমরা চাই না, এই সরকারকে নিয়ে জনগণের মনে অবিশ্বাস তৈরি হোক। কিন্তু সেই অবিশ্বাস যদি গভীর হয়, তাহলে সেটি হবে জাতীয় দুর্ভাগ্য।”

বিএনপির পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন—নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হচ্ছে না কেন? এই বিষয়ে স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “জনগণের পক্ষ থেকেই প্রশ্ন উঠছে—প্রধান উপদেষ্টা কি নতুন রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নে সময় দিচ্ছেন? নইলে রোডম্যাপ ঘোষণা বিলম্বিত হচ্ছে কেন? আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশনকে কার্যকরভাবে সহযোগিতা করা হচ্ছে না।”

সরকারের নিরপেক্ষতার ঘাটতিকে বিএনপি সরাসরি ‘ফ্যাসিবাদের উন্মুক্ত পথ’ বলে আখ্যায়িত করেছে। আমীর খসরু বলেন, “যখন সরকার নিজেরা নির্বাচন নিয়ে দ্বিধায় থাকে, তখন ফ্যাসিস্টদের জন্য পথ পরিষ্কার হয়ে যায়। এটা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দেশের মানুষ আজ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত। সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত করতে হলে, সরকারকে নিরপেক্ষ থাকতে হবে—কোনো রাজনৈতিক পক্ষের ছত্রচ্ছায়ায় নয়।”

সরকারি দায়িত্বে থাকা ছাত্র প্রতিনিধিদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নেতারা। বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, “যদি সরকার ছাত্রদের পক্ষ নেয়, তাহলে দেশের রাজনৈতিক শক্তিগুলো একে ভিন্নভাবে দেখবে। ইতোমধ্যে তাই দেখা যাচ্ছে। ছাত্ররা যদি নিজেই রাজনৈতিক দল করে এবং ক্ষমতার অংশে থাকে, তাহলে তারা স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত সুবিধা পাবে। তাই তাদের উচিত এখনই সরে যাওয়া।”

সরকারের বিভিন্ন দফতর ও মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত ছাত্র প্রতিনিধিদেরও অপসারণের দাবি উঠেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকার যদি নিজেদের নিরপেক্ষ দাবি করতে চায়, তবে তাদের এই ছাত্ররাজনীতি ঘেঁষা কাঠামো থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

বিএনপির স্পষ্ট ভাষায় দাবি—এই সরকারকে প্রমাণ করতে হবে, তারা কোনো রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের অংশ নয়, বরং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের জন্যই গঠিত অন্তর্বর্তী কাঠামো। আর এই প্রমাণের প্রথম ধাপ—নির্বাচনের রোডম্যাপ দ্রুত ঘোষণা করা।

জনগণ এখন অপেক্ষায়—রোডম্যাপ আসবে, নাকি আবারও সময় টেনে ক্ষমতা ধরে রাখার চক্রান্ত চলবে?

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৪১