শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

প্রধানমন্ত্রী পদে অবাধ ক্ষমতা রেখে জবাবদিহিতা মূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : আলী রীয়াজ

সংস্কার আগে না নির্বাচন, এমন প্রশ্নে কোনো ধরনের চাপ নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংসদ ভবনে অবস্থিত নিজ কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন। গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতার ভারসাম্য। কিন্তু যখন প্রধানমন্ত্রী পদে অবাধ […]

প্রধানমন্ত্রী পদে অবাধ ক্ষমতা রেখে জবাবদিহিতা মূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় : আলী রীয়াজ

ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৫, ১৫:৪০

সংস্কার আগে না নির্বাচন, এমন প্রশ্নে কোনো ধরনের চাপ নেই বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি ও সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান আলী রীয়াজ।

বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) সকাল ১০টায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংসদ ভবনে অবস্থিত নিজ কার্যালয়ে তিনি এ কথা বলেন।

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মূল ভিত্তি হলো জবাবদিহিতা, ন্যায়বিচার এবং ক্ষমতার ভারসাম্য। কিন্তু যখন প্রধানমন্ত্রী পদে অবাধ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হয়, তখন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়ে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও অধ্যাপক আলী রীয়াজ মনে করেন, বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর হাতে একচ্ছত্র ক্ষমতা থাকা রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে। তার মতে, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ছাড়া এবং ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ছাড়া একটি প্রকৃত জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়।

বর্তমানে বাংলাদেশের শাসনব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী পদে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ক্ষমতা বিরাজমান। সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাহী ক্ষমতা প্রায় এককভাবে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত হয়েছে, যার ফলে সংসদ, বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলো কার্যকরভাবে তাদের ভূমিকা পালন করতে পারছে না। বিরোধী দলের মতামত উপেক্ষিত হয় এবং নীতিনির্ধারণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব দেখা দেয়।

গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সংসদীয় ব্যবস্থার অন্যতম কাজ হলো সরকারকে জবাবদিহিতার মধ্যে রাখা। কিন্তু বাস্তবে বাংলাদেশের সংসদ কার্যকর বিরোধী দলের অভাবে একপক্ষীয় সিদ্ধান্তের জায়গায় পরিণত হয়েছে।

একইভাবে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, কারণ উচ্চ আদালতেও রাজনৈতিক প্রভাব লক্ষ করা যায়। আলী রীয়াজের মতে, যদি বিচার বিভাগ ও সংসদ স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তাহলে প্রধানমন্ত্রীর অবাধ ক্ষমতা রাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায়।

প্রধানমন্ত্রীর হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা থাকার ফলে প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে পারে না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমশ দলীয় স্বার্থে পরিচালিত হচ্ছে, যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথে বড় বাধা।

আলী রীয়াজের মতে, প্রশাসনের ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ থাকলে তা ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয় এবং সাধারণ জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়।

ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ: রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে এমন ব্যবস্থা করতে হবে, যাতে সিদ্ধান্ত গ্রহণে একক ক্ষমতার পরিবর্তে সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক পদ্ধতি কার্যকর হয়।

২. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা: রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত একটি শক্তিশালী বিচার ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
৩. সংসদের কার্যকারিতা বাড়ানো: বিরোধী দলকে যথাযথ ভূমিকা পালনের সুযোগ দিতে হবে, যাতে সংসদে প্রকৃত অর্থে বিতর্ক ও নীতিনির্ধারণ সম্ভব হয়।
৪ . গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা: মুক্ত ও স্বাধীন গণমাধ্যম এবং শক্তিশালী নাগরিক সমাজ ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।

উপসংহার

এককেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থার ফলে রাষ্ট্রে জবাবদিহিতা হ্রাস পায় এবং ক্ষমতার অপব্যবহার বাড়ে। আলী রীয়াজের মতে, প্রধানমন্ত্রী পদে অবাধ ক্ষমতা রেখে জবাবদিহিতামূলক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব নয়। প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন ক্ষমতার ভারসাম্য, স্বাধীন প্রতিষ্ঠান এবং জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।