মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

বাংলাদেশে হাসপাতাল বানাবে তুরস্ক ও চীন, যেতে হবে না ভারতে

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ভারতে চিকিৎসা সেবার জন্য বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। গত বছর চিন্ময় ইস্যুকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার কিছু হাসপাতাল ঘোষণা দেয় যে তারা আর বাংলাদেশি রোগীদের সেবা দেবে না। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা রোগীর সংখ্যা ৭০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়। ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ভেবেছিল, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ জানুয়ারী ২০২৫, ০০:০০

বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে ভারতে চিকিৎসা সেবার জন্য বাংলাদেশি রোগীদের সংখ্যা নাটকীয়ভাবে হ্রাস পেয়েছে। গত বছর চিন্ময় ইস্যুকে কেন্দ্র করে পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরার কিছু হাসপাতাল ঘোষণা দেয় যে তারা আর বাংলাদেশি রোগীদের সেবা দেবে না। এর ফলে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা রোগীর সংখ্যা ৭০ শতাংশেরও বেশি কমে যায়।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষ ভেবেছিল, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বাংলাদেশি রোগীদের জন্য একটি বার্তা দেওয়া যাবে। তবে বাস্তবতা ছিল পুরোপুরি ভিন্ন। এই নিষেধাজ্ঞার সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে ভারতীয় হাসপাতালগুলোর, যেগুলো বাংলাদেশি রোগীদের উপর নির্ভরশীল ছিল। বিশেষ করে কলকাতার মতো শহরগুলোতে, যেখানে প্রতিদিন অসংখ্য বাংলাদেশি চিকিৎসা নিতে আসতেন, সেখানে রোগীদের অভাবের কারণে চিকিৎসা খাতে বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া, রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রভাব হাসপাতালের বাইরেও পড়েছে। ভারতের মার্কেট ও রেস্তোরাঁগুলোর ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। এই পরিস্থিতি এতটাই মারাত্মক যে, অনেক হাসপাতাল একে একে বন্ধ হতে শুরু করেছে।

ভারতের রুপির মানও ঐতিহাসিক নিম্নস্তরে পৌঁছেছে, যা অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে আরও উদ্বেগজনক। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বাংলাদেশি রোগীদের হারানো ভারতের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক খাতে দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।

ভারতের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিবছর প্রায় ২৫ লাখ বাংলাদেশী ভারতে যান এবং তাদের স্বাস্থ্য সেবার জন্য ব্যয় হয় প্রায় ৫০ মিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার আয় থেকে একটি বড় অংশ ছিল।

এমন পরিস্থিতির মধ্যে চীন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বিনিয়োগ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। চীনের বিনিয়োগে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও, চীন বাংলাদেশী রোগী পাঠানোর বিষয়েও আলোচনা করেছে।

এদিকে, তুরস্ক এবং অন্যান্য দেশও বাংলাদেশে বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবনা দিয়েছে, তবে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তে তা বাস্তবায়িত হয়নি। কারণ, এর ফলে ভারতে আসা রোগীর সংখ্যা আরও কমে যেত।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।