সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

আনন্দের মাঝে পরিবেশের আহাজারি, থার্টি ফার্স্ট নাইট

মোঃ মেহেদী হাসান, ঢাকা(মহানগর প্রতিনিধি): নতুন বছর উদযাপনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের উৎসবমুখর আয়োজন। বাংলাদেশ কী তার ব্যাতিক্রম? না, বাংলাদেশও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিনটি উৎযাপন করা হয়। আমাদের দেশে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি জনপ্রিয় রীতি হলো ফানুস ও আতসবাজি ফোটানো। যদিও এটি দেখতে মনোমুগ্ধকর, তবে আমরা কী প্রকৃতির কান্না শুনতে পাই? ছোট্ট […]

নিউজ ডেস্ক

২৪ ডিসেম্বর ২০২৪, ১১:৩৫

মোঃ মেহেদী হাসান, ঢাকা(মহানগর প্রতিনিধি):

নতুন বছর উদযাপনকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে রয়েছে নানা ধরনের উৎসবমুখর আয়োজন। বাংলাদেশ কী তার ব্যাতিক্রম? না, বাংলাদেশও বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দিনটি উৎযাপন করা হয়। আমাদের দেশে থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের একটি জনপ্রিয় রীতি হলো ফানুস ও আতসবাজি ফোটানো।

যদিও এটি দেখতে মনোমুগ্ধকর, তবে আমরা কী প্রকৃতির কান্না শুনতে পাই? ছোট্ট চড়ুই টা বলে, “হঠাৎ কী শুরু হলো এই গভীর রাতে,দেখি একটু বেড়িয়ে” ঘরে আর ফেরা হলো না চড়ুইয়ের!! এতো এক চড়ুইয়ের গল্প, সব কৃৎপতঙ্গ ও পাখিরো হয় একই পরিস্থিতি। এর দায়ভার কী সৃষ্টির সেরা জীব মানুষের নয়?

প্রকৃতি রক্ষা করার দায়িত্ব কার? বাঁচতে পারবে না কী পতঙ্গকূল? কী দোষ ছিলো ওদের? পৃথিবীতে পতঙ্গ হয়ে জন্ম নেওয়ায় কী অপরাধ? এ কেবল পতঙ্গকূলের হয়ে। পাশের বাসার বৃদ্ধ সলিমুল্লা চাচা থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজির শব্দ শুনে আতঙ্কে হার্ডাটাক করে, হাসপাতালে নিতে নিতে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে পারলো গমন করে। এ কেবল এক সলিমুল্লাহ চাচার গল্প, এরকম হাজারো নবজাতক সহ বৃদ্ধদের জীবনাবসান ঘটছে, ফানুসের আগুনে পুড়ছে ঘরবাড়ি। গল্পগুলো অনেক পরিচিত।

তবে আমাদের পরিবেশ ও প্রকৃতি এই ভয়াবহ পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাবে না কী? চলুন বদলে যায়!!

আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়ানোর ক্ষতিকর দিক_ বায়ু দূষণ: আতসবাজি ফোটানোর সময় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ যেমন সালফার ডাই-অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বাতাসে মিশে যায়। এগুলো শুধু বায়ুর মান কমিয়ে আনে না, বরং মানুষের ফুসফুস, হৃদযন্ত্র ও ত্বকের জন্যও ক্ষতিকর।

শব্দ দূষণ: আতসবাজির উচ্চ শব্দ শুধু মানুষেরই নয়, পোষা প্রাণী ও বন্যপ্রাণীর জন্যও অত্যন্ত কষ্টদায়ক। বিশেষত শিশু ও বয়স্ক মানুষদের জন্য এই শব্দ মানসিক চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

পাখি ও বন্যপ্রাণীর ক্ষতি: ফানুস ও আতসবাজির আলো এবং শব্দ পাখি ও বন্যপ্রাণীদের দিক নির্ধারণে সমস্যা সৃষ্টি করে। আতঙ্কে তারা বাসা ছেড়ে পালায় এবং খাদ্য বা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়ে। অনেক পাখি মারা যায়।

জল দূষণ: আতসবাজি ও ফানুসের অবশিষ্টাংশ জলাশয়ে মিশে গিয়ে জলজ প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হয়। এর রাসায়নিক উপাদানগুলো জলজ প্রাণীদের শারীরিক বৃদ্ধি ও প্রজননে বাধা সৃষ্টি করে।

আগুন লাগার ঝুঁকি: ফানুস থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি অত্যন্ত বেশি। শুষ্ক শীতকালে ফানুস থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুন ঘরবাড়ি, গাছপালা বা খোলা জায়গায় ভয়াবহ ক্ষতি করতে পারে। গত ২০২৪ এর থার্টি ফার্স্ট নাইটে দেশের একাধিক স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আলো দূষণ: আতসবাজির ঝলমলে আলো পাখি ও পতঙ্গের প্রাকৃতিক জীবনচক্র ব্যাহত করে। কৃত্রিম আলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়ে তারা প্রজনন, খাদ্য সংগ্রহ ও বাসস্থান তৈরির স্বাভাবিক প্রক্রিয়া থেকে বিচ্যুত হয়।

পরিবেশবান্ধব উদযাপনে বিকল্প পথ থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনের সময় আমাদের উচিত পরিবেশের প্রতি সহানুভূতিশীল হওয়া।

ইলেকট্রনিক আলোর প্রদর্শনী: পরিবেশবান্ধব ও সাশ্রয়ী উদযাপনের জন্য এটি একটি চমৎকার বিকল্প।

গাছ লাগানোর উদ্যোগ: নতুন বছরকে উদযাপন করার জন্য গাছ লাগানো। যা আমাদের পরিবেশকে সুন্দর করবে।

সচেতনতা বৃদ্ধি: সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষতিকর দিকগুলো তুলে ধরে মানুষের মাঝে সচেতনতা তৈরি করা।

সিয়াম পালন: ইসলাম ধর্মপ্রিয় ব্যাক্তিরা এইদিন সিয়াম(রোজা) পালন করতে পারেন।

আনন্দের জন্য প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করা নয়, বরং তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা জরুরি। থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন আমাদের জীবনে আনন্দ বয়ে আনে ঠিকই, তবে তা যেন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির কারণ না হয়, সে বিষয়ে সচেতন হওয়া আমাদের দায়িত্ব। তাই, আসুন আমরা পরিবেশবান্ধব উপায়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানাই।

চলুন নিজেকে বদলায়!

সারাদেশ

৮ কেজি গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা গ্রেফতার

দুমকি প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়। র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের […]

নিউজ ডেস্ক

০৬ জুন ২০২৬, ১৪:২২

দুমকি প্রতিনিধি:

পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় র‍্যাব-৮ এর অভিযানে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজাসহ ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক চক্রের আরও এক সদস্যকে আটক করা হয়।

র‍্যাব ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৮, সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্পের একটি দল জানতে পারে যে সাকুরা পরিবহনের একটি দূরপাল্লার বাসে করে বিপুল পরিমাণ গাঁজা বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে পটুয়াখালীর দিকে আনা হচ্ছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওয়ারেন্ট অফিসার ডিএডি ওয়াজ উদ্দীনের নেতৃত্বে র‍্যাব সদস্যরা দুমকি থানাধীন লেবুখালী পাগলার মোড় টোলপ্লাজা এলাকায় অবস্থান নেন।

পরে সন্দেহভাজন বাসটি টোলপ্লাজায় পৌঁছালে র‍্যাব সদস্যরা সেটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। এ সময় বাসের এক যাত্রী, দুমকি উপজেলা শাখা ইসলামী যুব আন্দোলনের প্রচার সম্পাদক মো. সুমন হাওলাদার (৩৩)-কে আটক করা হয়। তল্লাশিকালে তার কাছ থেকে ৮ কেজি ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত সুমন হাওলাদার দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে।

র‍্যাব জানায়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সুমন তার এক সহযোগীর তথ্য দেন। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে লেবুখালী ইউনিয়নের কার্তিকপাশা মোড় এলাকা থেকে মাদক চক্রের আরেক সদস্য মো. জামাল মৃধা (৩৪)-কে গ্রেফতার করা হয়। জামাল ওই এলাকার আনোয়ার মৃধার ছেলে।

অভিযান শেষে জব্দকৃত মাদকদ্রব্যসহ গ্রেফতার দুই আসামিকে দুমকি থানায় হস্তান্তর করা হয়। এ ঘটনায় র‍্যাবের পক্ষ থেকে একটি এজাহার দায়ের করা হয়েছে।

দুমকি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেলিম উদ্দিন জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং-০২ (জিআর নং-৩৮, তারিখ: ০৫ জুন ২০২৬)। আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। […]

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

কাফরুলের চালককে মাথায় ইটের আঘাত করা ভাইরাল সেই ছিনতাইকারী গ্রেপ্তার

নিউজ ডেস্ক

১২ জুন ২০২৬, ১০:২৮

এলাকায় মোটরসাইকেলচালকের মাথায় ইটের আঘাত করে মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী মো. ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৪।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যায় কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। রাতে র‌্যাব-৪ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া ফয়সালের সঙ্গে ভুক্তভোগী মোটরসাইকেলচালক রাফির ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধ দীর্ঘদিনের। কয়েকদিন আগেও এ নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়েছিল।

ঘটনার দিন রাফি একা মোটরসাইকেল চালিয়ে যাওয়ার সময় পথে কালু, পারভেজ ও তাদের কয়েকজন সহযোগী আড্ডা দিচ্ছিল। রাফিকে একা দেখে তারা তাকে থামানোর চেষ্টা করে। প্রথমে কালু তাকে আটকাতে ব্যর্থ হলে সামনে অবস্থান নেওয়া পারভেজ একটি বড় ইটের টুকরো দিয়ে রাফির মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন।

পরে অভিযুক্তরা আহত রাফিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ঘটনাটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর র‌্যাব-৪-এর আভিযানিক দল জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযুক্তের অবস্থান শনাক্ত করে বৃহস্পতিবার কাফরুল থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ফয়সাল ওরফে কালুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।