দেড় মাস ধরে চলা তীব্র গ্যাস সংকটের পর অবশেষে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২ হাজার ৬১০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত হয়েছে।
গতকাল সোমবার দেশের শীর্ষস্থানীয় একুশটি ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কলকারখানায় চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার যে ঘোষণা দিয়েছিলেন, তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এই ইতিবাচক পরিবর্তন এল।
জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ার ফলে শিল্প ও আবাসিক খাতে গ্যাসের চাপ ও সরবরাহ কিছুটা বৃদ্ধি পেলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন এবং সার কারখানাগুলোতে এখনো চাহিদার তুলনায় ঘাটতি রয়েছে। ফলে এসব খাতে গ্যাসের সংকট পুরোপুরি কাটতে সময় লাগবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় চলতি সেপ্টেম্বর মাসে মোট ১০টি এলএনজি কার্গো আমদানির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছিল। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে বারবার দরপত্র আহ্বান করা সত্ত্বেও সব কটি কার্গো নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। এর পাশাপাশি দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় শেষ পর্যন্ত মোট ৯টি এলএনজি কার্গো আমদানি নিশ্চিত করা গেছে।
সংগৃহীত এই এলএনজি কার্গোগুলোর মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসছে দুটি, স্বল্পমেয়াদি চুক্তির আওতায় সৌদি আরবের আরামকো থেকে আসছে দুটি এবং খোলাবাজার থেকে স্পট মার্কেট বা ওপেন মার্কেট থেকে ক্রয় করা হয়েছে আরও পাঁচটি কার্গো।