মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

গলাচিপায় বছরের পর বছর বন্ধ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বাড়ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ

পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রায় সাত লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার ভরসা মাত্র একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিপুলসংখ্যক মানুষের চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের। ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার দুই থেকে তিন গুণ রোগী ভর্তি থাকছেন। এর মধ্যেই উপজেলার দুটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ থাকায় ভোগান্তি […]

গলাচিপায় বছরের পর বছর বন্ধ মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, বাড়ছে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩:৩৯

পটুয়াখালীর গলাচিপায় প্রায় সাত লাখ মানুষের চিকিৎসাসেবার ভরসা মাত্র একটি ৫০ শয্যাবিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। বিপুলসংখ্যক মানুষের চাপ সামলাতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও কর্মীদের। ৫০ শয্যার হাসপাতালটিতে প্রতিদিন ধারণক্ষমতার দুই থেকে তিন গুণ রোগী ভর্তি থাকছেন। এর মধ্যেই উপজেলার দুটি মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরে কার্যত বন্ধ থাকায় ভোগান্তি আরও বেড়েছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৪০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি থাকছেন। বিভিন্ন রোগে ভর্তি রোগী মিলিয়ে প্রতিদিন এ সংখ্যা ১০০ থেকে ১৫০ জনের মধ্যে ওঠানামা করছে। সীমিত জনবল ও অবকাঠামোগত সক্ষমতার মধ্যেও রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিয়ে যাচ্ছেন হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য কর্মীরা।

তবে উপজেলার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলোর চিত্র ভিন্ন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অধীনে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এসব স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলেও দীর্ঘদিন ধরে কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন না স্থানীয়রা।

গলাচিপা ফেরিঘাট এলাকায় ২০২১ সালে নির্মাণ করা হয় ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসক সংকটসহ নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরে সেখানে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা মিলছে না। ফলে সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ এ স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি কার্যত অচল হয়ে পড়ে আছে।

অন্যদিকে উপজেলার পানপট্টি এলাকায় ২০১৮ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয় আরও একটি ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের। নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার প্রায় আট বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি কেন্দ্রটি। দীর্ঘদিন অব্যবহৃত থাকায় সেখানে থাকা শয্যা, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও অন্যান্য যন্ত্রপাতি নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মা ও শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এসব কেন্দ্র চালু না থাকায় গর্ভবতী নারী, প্রসূতি ও শিশুসহ সাধারণ রোগীদের চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপরই নির্ভর করতে হচ্ছে। এতে একমাত্র সরকারি হাসপাতালটিতে রোগীর চাপ আরও বাড়ছে।

শুধু মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র নয়, উপজেলার ইউনিয়ন পর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্রগুলোর কার্যক্রম নিয়েও রয়েছে নানা অভিযোগ। স্থানীয়দের দাবি, এসব কেন্দ্রে পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া যায় না। এমনকি কিছু কর্মী নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিত থাকেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ অবস্থায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো দ্রুত চালু করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

বিষয়টি নিয়ে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. জিনাত রেহানার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, জনবল ও মেডিকেল অফিসারের তীব্র সংকট রয়েছে। এ কারণে সব জায়গায় কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

তিনি জানান, বর্তমানে রি-সাফলিং বা পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অস্থায়ীভাবে এসব কেন্দ্রে সেবা চালু রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রয়োজন অনুযায়ী স্থায়ী চিকিৎসক পদায়ন করা হবে।

এদিকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল ও চিকিৎসক পদায়নের মাধ্যমে বন্ধ থাকা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রগুলো চালু করা হবে। এতে একদিকে মা ও শিশুর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত হবে, অন্যদিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ওপর অতিরিক্ত রোগীর চাপও কিছুটা কমবে।

সারাদেশ

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের […]

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

বিএনপির মিছিলে ছাত্রলীগের হামলা, আহত ১০

ডেস্ক রিপোর্ট

২৮ জুন ২০২৬, ১০:৩০

পটুয়াখালীর বাউফলে বিএনপির একটি মোটরসাইকেল মিছিলে হামলা চালিয়েছে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগ। এতে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। শনিবার (২৭ জুন) রাত পৌনে ৯টার দিকে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- মধ্য দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন (৪৫), যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ (৩৫), শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক কাওসার (৪২) এবং ছাত্রদলের সহসভাপতি রাসেল (৩০)। তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মজিবর মৃধা জানান, নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে সন্ধ্যায় পৌর শহরের বাংলাবাজার এলাকা থেকে দাশপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে ৪০-৫০টি মোটরসাইকেল নিয়ে নেতাকর্মীরা মিছিল বের করেন। মিছিলটি নাজিরপুর ইউনিয়নের ডালিমা ও কালাইয়া বন্দর বেইলী ব্রিজ হয়ে দাশপাড়া বাসস্ট্যান্ডের কাছে পৌঁছালে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম খোকন অভিযোগ করে বলেন, রিয়াজ, হেলাল রাড়ী, সালাম, রাব্বি, রাসেল ও হেলালের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মোটরসাইকেলের বহরে এই হামলা চালায়। হামলাকারীরা কালাইয়া ও দাশপাড়া ইউনিয়নের নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মী এবং সমর্থক। হামলায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের ১০ নেতাকর্মী আহত হয় এবং ২০-২৫টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। ঘটনা জানার পর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক তসলিম তালুকদার আহত নেতাকর্মীদের দেখতে বাউফল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।

বাউফল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সিরাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।