ইরানের সঙ্গে একটি সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে আলোচনায় বসতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অনাগ্রহ দেখালেও এবার তিনি অবস্থান কিছুটা নমনীয় করার ইঙ্গিত দিয়েছেন। খবর টাইমস অব ইসরায়েলের।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইরান দ্রুত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়। তবে ওয়াশিংটন আলোচনায় বসবে কি না, সে সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন।
ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র ইরান দ্রুত ও মরিয়া হয়ে একটি চুক্তি করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র আলোচনায় বসবে কি না, আমি সিদ্ধান্ত নেব। তবে এ সম্ভাবনার বিষয়ে আমরা উন্মুক্ত।’
চলমান উত্তেজনার মধ্যেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে কয়েক দফা আলোচনা হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন ইস্যুতে মতপার্থক্যের কারণে আগের উদ্যোগগুলো বাস্তবায়নে অগ্রগতি হয়নি।
জুনে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে ইসলামাবাদে একটি সমঝোতা হয়। পরে হরমুজ প্রণালি নিয়ে মতবিরোধের কারণে সেই সমঝোতার বাস্তবায়ন স্থবির হয়ে পড়ে।
এরপর আগস্টে ইরানে নতুন করে সামরিক হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশের সামরিক স্থাপনায় হামলা চালায় তেহরান।
ইরানের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে ট্রাম্পের সর্বশেষ মন্তব্যকে তার আগের অবস্থান থেকে কিছুটা পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে তিনি একাধিকবার বলেছিলেন, আলোচনার চেয়ে ইরানের ওপর সামরিক ও অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর দিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ওয়াশিংটন।
তবে এবার ট্রাম্প জানিয়েছেন, আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি বন্ধ নয়। ফলে চলমান সংঘাতের মধ্যেই ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক আলোচনার পথ তৈরি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?