রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

দেশে তেল নেই, তাহলে হাজার হাজার গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে: শামা ওবায়েদ

দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে শামা […]

দেশে তেল নেই, তাহলে হাজার হাজার গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে: শামা ওবায়েদ

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০:২৯

দেশে জ্বালানি সংকট নিয়ে বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে রাজনৈতিক দলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম।

শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ফরিদপুরের নগরকান্দায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালি, বৃক্ষরোপণ ও মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধী দলের লংমার্চ কর্মসূচির প্রসঙ্গ তুলে শামা ওবায়েদ বলেন, একদিকে বলা হচ্ছে দেশে তেল ও গ্যাস নেই, অন্যদিকে ২ থেকে ৩ হাজার গাড়ি নিয়ে লংমার্চ করা হচ্ছে। গাড়িগুলো কি পানিতে চলে, নাকি তেলে চলে? দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে এত গাড়ি নিয়ে লংমার্চ কীভাবে হচ্ছে?

তিনি বলেন, লংমার্চে তেল খরচ না করে রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সংসদে এসে নিজেদের দাবি-দাওয়া তুলে ধরা। আলোচনা ও তর্ক-বিতর্কের মাধ্যমে জাতীয় সমস্যাগুলোর সমাধান করা সম্ভব।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হলে বিএনপি সরকারের হাত ধরেই তা করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জ্বালানি পরিস্থিতির জন্য বর্তমান সরকারকে দায়ী না করে শামা ওবায়েদ বলেন, বিগত স্বৈরাচার সরকারের সময়ে জ্বালানি খাতে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার প্রভাব এখনো মোকাবিলা করতে হচ্ছে। বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করা হলেও প্রয়োজনীয় উৎপাদন সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়নি। দেশের মজুত থাকা গ্যাস উত্তোলনেও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছরের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রভাব অল্প সময়ে দূর করা সম্ভব নয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সরকার বিকল্প ও বহুমুখী উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করছে। প্রয়োজনে নতুন উৎস থেকেও জ্বালানি আমদানি করা হবে।

সারের সংকট নিয়েও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে দাবি করে তিনি বলেন, দেশে সারের কোনো সংকট নেই। এ ধরনের প্রচারণার মাধ্যমে কৃষকদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।

শামা ওবায়েদ বলেন, গণতন্ত্র ফিরে এলেও ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার এখনো চলছে। দেশের সংকটকে রাজনৈতিক সংঘাতের দিকে না নিয়ে জনগণের সমস্যা ও দাবি সংসদে তুলে ধরে গঠনমূলক রাজনীতির চর্চা করা উচিত।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথমবার অংশগ্রহণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি। বলেন, সবার আগে বাংলাদেশ পররাষ্ট্রনীতির আলোকে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে বাংলাদেশকে গণতান্ত্রিক, আত্মবিশ্বাসী, দায়িত্বশীল ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র হিসেবে তুলে ধরবেন। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করবেন বলেও জানান তিনি।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নগরকান্দায় দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করা হয়। সকালে বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে র‌্যালিতে অংশ নেন। পরে এম এন একাডেমি স্কুল মাঠে বৃক্ষরোপণ এবং কুমার নদীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এ সময় জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার ফজলুল হক টুলু, নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুল, সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলী শরিফ, আইনবিষয়ক সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট জুয়েল মুন্সি সুমন, কেন্দ্রীয় যুবদল নেতা হাফিজ শরীফ, নগরকান্দা পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি তৈয়াবুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।