রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

যাদের ডাকে সন্তান মারা গেছে, তারাই খোঁজ নেয়নি, প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করেনি, জুলাই শহীদের মা

জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ জোহরা অভিযোগ করে বলেন, যাদের আহ্বানে তার সন্তান আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছিল, তারা পরবর্তীতে তার কোনো খোঁজ-খবর নেননি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও সহায়তা চেয়েও তিনি কোনো সহযোগিতা পাননি বলে দাবি করেন। শনিবার (৪ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি […]

যাদের ডাকে সন্তান মারা গেছে, তারাই খোঁজ নেয়নি, প্রয়োজনের সময় সহযোগিতা করেনি, জুলাই শহীদের মা

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০৫ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫৮

জুলাই-আগস্টের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত আব্দুল্লাহ বিন জাহিদের মা ফাতেমাতুজ জোহরা অভিযোগ করে বলেন, যাদের আহ্বানে তার সন্তান আন্দোলনে অংশ নিয়ে প্রাণ হারিয়েছিল, তারা পরবর্তীতে তার কোনো খোঁজ-খবর নেননি। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকারের কাছেও সহায়তা চেয়েও তিনি কোনো সহযোগিতা পাননি বলে দাবি করেন।

শনিবার (৪ জুলাই) জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আগারগাঁওয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ফাতেমাতুজ জোহরা জানান, আন্দোলনের সময় যাদের ডাকে তার সন্তান প্রাণ দিয়েছে, তাদের কয়েকজনের সঙ্গে একাধিকবার দেখা হলেও প্রয়োজনের সময় তারা পাশে দাঁড়াননি। তিনি বলেন, “সারজিসের সঙ্গে আমার চারবার দেখা হয়েছে। তিনি আমার বাসায়ও গিয়েছিলেন। আমি তাকে বলেছিলাম, আমার ছেলে জিসানের কেমোথেরাপির খরচ কোনোভাবে চালাতে পারব, কিন্তু অন্তত তার সার্জারির ব্যবস্থা করে দিতে। কারণ এমন কোনো দরজায় আমি কড়া নাড়িনি, যেখানে সাহায্যের আশায় যাইনি।”

তিনি আরও বলেন, তার পরিবারের ওপর একের পর এক বিপর্যয় নেমে আসে। বড় ছেলে আব্দুল্লাহ বিন জাহিদ নিহত হওয়ার মাত্র ১৪ দিন আগে তার ১৩ বছর বয়সী ছেলে জিসানের তৃতীয় ধাপের ক্যানসার ধরা পড়ে। এরপর বড় ছেলের মৃত্যুর সাত মাস ১৩ দিনের মাথায় তার স্বামী ব্রেন স্ট্রোকে মারা যান।

তিনি বলেন, “এত প্রতিকূল পরিস্থিতিতে আমি শুধু আমার ছোট ছেলেটাকে বাঁচানোর জন্য লড়াই করেছি। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে গিয়েও কোনো সহায়তা পাইনি। স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে তিনবার অসুস্থ ছেলেকে নিয়ে সারাদিন অপেক্ষা করেছি। কেমোথেরাপির পরও তিনি আমাকে বলেছেন, তার হাতে কিছু করার নেই।”

তার দাবি, চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় জিসানের চিকিৎসা ব্যাহত হচ্ছিল। পরে বিষয়টি বিএনপির সংশ্লিষ্টদের নজরে এলে তারা পাশে দাঁড়ান। তিনি বলেন, “প্রথম তিনটি কেমোথেরাপির ব্যবস্থা আমি অনেক কষ্টে করেছি। চতুর্থ কেমোথেরাপি থেকে আল্লাহর রহমতে ‘আমরা বিএনপির পরিবার’-এর মাধ্যমে সহায়তা পাই। তারা আমার ছেলে এবং আমার পাশে যেভাবে দাঁড়িয়েছেন, তা ভাষায় প্রকাশ করা কঠিন।”

তিনি আরও জানান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী লন্ডনে অবস্থানকালে জিসানের খোঁজ-খবর নিয়েছিলেন এবং তাকে মানসিকভাবে শক্ত থাকার বার্তা দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য, “তিনি শুধু আশ্বাস দেননি, সেটির বাস্তব প্রতিফলনও দেখিয়েছেন। আমার ছেলের দুটি অস্ত্রোপচার হয়েছে। গত বছরের ৮ তারিখ দ্বিতীয় অস্ত্রোপচারের সময়ও বিএনপির নেতারা হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। ‘আমরা বিএনপির পরিবার’-এর প্রতিটি সদস্য আমার এবং আমার ছেলের পাশে ছিলেন। তাদের প্রতি আমি আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।