বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির-এর সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম দাবি করেছেন, জুলাই আন্দোলনের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের কর্মসূচি বাস্তবায়ন পর্যন্ত সংগঠনটির সক্রিয় ভূমিকা ছিল।
সম্প্রতি এশিয়া পোস্টের ‘আলাপন’ অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন ছিল ছাত্র-জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে সংঘটিত একটি গণ-অভ্যুত্থান, যেখানে ছাত্রশিবির অন্যতম অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে।
সাদ্দামের ভাষ্য অনুযায়ী, আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়ে ছাত্রশিবির কখনো নীতিনির্ধারণ, কখনো কৌশল প্রণয়ন এবং কখনো রাজপথে নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করেছে। তবে সংগঠনটি নিজেদের ভূমিকা নিয়ে প্রচারণার পরিবর্তে জনগণের মূল্যায়নকেই বেশি গুরুত্ব দেয়।
তিনি আরও বলেন, আন্দোলনে ছাত্রশিবিরের কতজন সদস্য নিহত হয়েছেন, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক হিসাব প্রকাশ করা হয়নি। তাঁর দাবি, জুলাইয়ে প্রাণ হারানো প্রায় ১,৪০০ থেকে ১,৫০০ জনকে সংগঠনটি গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ হিসেবে সম্মান করে।
ছাত্রশিবির সভাপতি আরও বলেন, আন্দোলনের বড় অংশজুড়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ও সাধারণ মানুষ অংশ নিয়েছিলেন এবং ছাত্রশিবির তাদের পাশে থেকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। আহতদের চিকিৎসা, জরুরি সহায়তা ও অন্যান্য মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও সংগঠনটি ভূমিকা পালন করেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
তাঁর মতে, এসব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি আহত ও অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকেই এসেছে। তবে এসব বক্তব্য বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির সভাপতির নিজস্ব দাবি; এ বিষয়ে স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত পূর্ণাঙ্গ তথ্য এখানে উপস্থাপিত হয়নি।