শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। তাদের যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন […]

জুলাই শহীদদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন স্মরণ করবে: প্রধানমন্ত্রী

ছবি সংগৃহীত

ডেস্ক রিপোর্ট

০৪ জুলাই ২০২৬, ১৬:১৮

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের আত্মত্যাগ এবং আহতদের অবদান জাতি চিরদিন স্মরণ করবে। তাদের যথাযথ সম্মান, স্বীকৃতি ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শনিবার (৪ জুলাই) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘জুলাই জাতীয় সম্মেলন’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের যথাযথ মূল্যায়ন এবং পুনর্বাসন করা সরকারের পবিত্র দায়িত্ব।” তিনি জানান, শহীদদের সর্বোচ্চ সম্মান ও স্বীকৃতি নিশ্চিত করার পাশাপাশি আহতদের জীবনমান উন্নয়ন এবং পূর্ণাঙ্গ পুনর্বাসনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

বক্তব্যে তিনি ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অনুষ্ঠান চলাকালে বারবার তাঁর মায়ের কথা মনে পড়ছিল। তাঁর ভাষায়, যদি তিনি মাকে জিজ্ঞাসা করতে পারতেন অন্যায়ের প্রতিশোধ নেওয়া উচিত কি না, তাহলে তাঁর বিশ্বাস, মা বলতেন—সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে দেশকে এগিয়ে নেওয়াই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। একই কথা তাঁর ভাইও বলতেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।

জুলাই হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচার অবশ্যই হবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচার অবশ্যই আইনের ভিত্তিতে হতে হবে এবং বিচারের নামে যেন কারও প্রতি অবিচার না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে বিচার প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগুক, তবে প্রকৃত অপরাধীর সঠিক বিচার নিশ্চিত করা হবে।

তারেক রহমান বলেন, জুলাই আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন বা ত্যাগ স্বীকার করেছেন, তাদের লক্ষ্য ছিল দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন। তাই ৫ আগস্টের অর্জন কোনো ব্যক্তি বা একক রাজনৈতিক দলের নয়; এটি দেশের সব গণতন্ত্রকামী মানুষের সম্মিলিত ত্যাগের ফসল।

জাতীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিভক্ত জাতি নিয়ে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। শহীদ পরিবার ও আহতদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রিয়জন হারানোর বেদনা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। তবে সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হলে একদিন তাদের আত্মত্যাগ দেশের উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে গর্বের সঙ্গে স্মরণ করা হবে। তিনি দেশ, মাটি ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

‘জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ ও ‘আমরা জুলাই যোদ্ধা’ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ সম্মেলনে শতাধিক শহীদ পরিবার ও আহত জুলাইযোদ্ধা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা, বেদনা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন। স্বজন হারানোর স্মৃতিচারণে পুরো মিলনায়তনে আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। পরে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত, জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং জুলাই আন্দোলনের ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। এবারের জাতীয় সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সবার আগে বাংলাদেশ’

অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শহীদ পরিবারের সদস্যদের হাতে ‘জুলাই স্মৃতি স্মারক’ তুলে দেন। এ সময় শহীদ মিরাজের বাবা রব মিয়া, শহীদ সেলিমের ভাই উজ্জ্বল হোসেন, জুলাই অভ্যুত্থানে আহত আল মিরাজ এবং জুলাই যোদ্ধা আমিনুল ইসলাম ঈমন তাঁর কাছ থেকে স্মারক গ্রহণ করেন। পরে অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের কাছেও স্মারক পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানানো হয়।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে শহীদ পরিবারের পক্ষ থেকেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে একটি স্মৃতি স্মারক তুলে দেওয়া হয়।

জাতীয়

মাদ্রাসা ছাত্ররা ভালোভাবে কোরআন শেখেনি বলেই আমরা ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ দিতে পারছিনা : শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার […]

নিউজ ডেস্ক

১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১৮:০৮

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার নানা সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, মাদরাসা থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে না পারায় ধর্মীয় শিক্ষক পদে নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

বুধবার সিলেটে এক মতবিনিময় সভায় তিনি জানান, প্রায় ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক পদ খালি থাকলেও উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না। তার মতে, অনেক শিক্ষার্থী কোরআনের যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারছে না এবং কওমি ধারার শিক্ষার্থীদের স্বীকৃত সমমানের ডিগ্রির অভাবও একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এই সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং এটি একদিনে তৈরি হয়নি। তিনি শিক্ষা সংস্কারে সরকারের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া-এর সময়কার শিক্ষা উন্নয়নের কথাও উল্লেখ করেন।

নৈতিক শিক্ষার ঘাটতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন তিনি। তার মতে, পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার ওপর জোর না দিলে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়।

এই প্রেক্ষাপটে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং যোগ্য শিক্ষক তৈরি ও নিয়োগ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।