শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনের প্রস্তুতি আসলাম চৌধুরীর

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং নতুন নির্বাচনি সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা […]

উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনের প্রস্তুতি আসলাম চৌধুরীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ জুলাই ২০২৬, ১৩:২৪

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং নতুন নির্বাচনি সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।

সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও একটি ব্যাংকের আপিলের পর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় প্রদান করে, যার ফলে তার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায় বলে আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।

রায় ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সীতাকুণ্ডে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দেয়, যার জেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে টায়ার জ্বালিয়ে ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে, ফলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়।

দলীয় ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরপরই উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনসহ প্রচলিত সব আইনি প্রতিকার গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO), নির্বাচন কমিশনের বিধান এবং পূর্ববর্তী বিচারিক নজিরগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী ধাপে শক্তিশালী আইনি যুক্তি উপস্থাপন করা যায়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রার্থিতা বাতিল বা নির্বাচনি অযোগ্যতা সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ পিটিশনের মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার সাংবিধানিক সুযোগ থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মূল রায়ের তথ্য-প্রমাণ, ঋণের প্রকৃতি ও পুনঃতফসিলীকরণের সময়কাল এবং আইনি ব্যাখ্যার সূক্ষ্ম দিকগুলোর ওপর।

রায়ের পর সীতাকুণ্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশ এটিকে রাজনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখলেও অন্য অংশ এখনো উচ্চ আদালতের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আশাবাদী অবস্থান নিয়েছে।

তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক মামলা, কারাবাস ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আসলাম চৌধুরী-এর স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক ভিত্তি এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে, যা এই আইনি সংকটে টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দলীয় ঐক্য বজায় রাখা, কর্মীদের শান্ত থাকা এবং যেকোনো ধরনের উসকানি এড়িয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ অব্যাহত রাখা এবং আইনি লড়াই সম্পূর্ণভাবে আদালতের মাধ্যমেই পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আপিল বিভাগের এই রায় শুধু একজন ব্যক্তির প্রার্থিতা নয়, বরং চট্টগ্রাম-৪ আসনের সামগ্রিক রাজনৈতিক ভারসাম্য, ভোটের মনস্তত্ত্ব এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনি কৌশলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে সম্ভাব্য আইনি রিভিউ, নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী অবস্থান এবং ভবিষ্যতে উপনির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশলগত অবস্থান নতুন মোড় নিতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি না আসা পর্যন্ত সীতাকুণ্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকবে এবং আগামী দিনগুলোতে এই ইস্যুই নির্বাচনি মাঠের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে থেকে যাবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৬৪
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৫২

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৪৬৪