মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনের প্রস্তুতি আসলাম চৌধুরীর

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং নতুন নির্বাচনি সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে। সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা […]

উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনের প্রস্তুতি আসলাম চৌধুরীর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ জুলাই ২০২৬, ১৩:২৪

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে ঋণখেলাপির অভিযোগ সংশ্লিষ্ট এক মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কর্তৃক বিএনপির সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরীর প্রার্থিতা বাতিলের রায়কে কেন্দ্র করে সীতাকুণ্ডজুড়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা, অনিশ্চয়তা এবং নতুন নির্বাচনি সমীকরণের আলোচনা শুরু হয়েছে।

সদ্যসমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তার মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হলেও একটি ব্যাংকের আপিলের পর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই রায় প্রদান করে, যার ফলে তার সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায় বলে আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে।

রায় ঘোষণার খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সীতাকুণ্ডে রাজনৈতিক পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিক্ষোভ দেখা দেয়, যার জেরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে টায়ার জ্বালিয়ে ও যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে বিক্ষোভের ঘটনাও ঘটে, ফলে পুরো এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়।

দলীয় ও আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পরপরই উচ্চ আদালতে রিভিউ আবেদনসহ প্রচলিত সব আইনি প্রতিকার গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং একই সঙ্গে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (RPO), নির্বাচন কমিশনের বিধান এবং পূর্ববর্তী বিচারিক নজিরগুলো গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে, যাতে পরবর্তী ধাপে শক্তিশালী আইনি যুক্তি উপস্থাপন করা যায়।

আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রার্থিতা বাতিল বা নির্বাচনি অযোগ্যতা সংক্রান্ত মামলায় রিভিউ পিটিশনের মাধ্যমে পুনর্বিবেচনার সাংবিধানিক সুযোগ থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে মূল রায়ের তথ্য-প্রমাণ, ঋণের প্রকৃতি ও পুনঃতফসিলীকরণের সময়কাল এবং আইনি ব্যাখ্যার সূক্ষ্ম দিকগুলোর ওপর।

রায়ের পর সীতাকুণ্ডে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। একাংশ এটিকে রাজনৈতিকভাবে বড় ধাক্কা হিসেবে দেখলেও অন্য অংশ এখনো উচ্চ আদালতের পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নিয়ে আশাবাদী অবস্থান নিয়েছে।

তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের দাবি, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে একাধিক মামলা, কারাবাস ও সাংগঠনিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও আসলাম চৌধুরী-এর স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা ও সাংগঠনিক ভিত্তি এখনো শক্ত অবস্থানে রয়েছে, যা এই আইনি সংকটে টিকে থাকার সক্ষমতা রাখে বলে তারা মনে করছেন।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব দলীয় ঐক্য বজায় রাখা, কর্মীদের শান্ত থাকা এবং যেকোনো ধরনের উসকানি এড়িয়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে মাঠপর্যায়ে জনসংযোগ অব্যাহত রাখা এবং আইনি লড়াই সম্পূর্ণভাবে আদালতের মাধ্যমেই পরিচালনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, আপিল বিভাগের এই রায় শুধু একজন ব্যক্তির প্রার্থিতা নয়, বরং চট্টগ্রাম-৪ আসনের সামগ্রিক রাজনৈতিক ভারসাম্য, ভোটের মনস্তত্ত্ব এবং ভবিষ্যৎ নির্বাচনি কৌশলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষ করে সম্ভাব্য আইনি রিভিউ, নির্বাচন কমিশনের পরবর্তী অবস্থান এবং ভবিষ্যতে উপনির্বাচনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে রাজনৈতিক দলগুলোর কৌশলগত অবস্থান নতুন মোড় নিতে পারে বলে তারা মনে করছেন।

সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়েছে। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, চূড়ান্ত আইনি নিষ্পত্তি না আসা পর্যন্ত সীতাকুণ্ডের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনিশ্চয়তা অব্যাহত থাকবে এবং আগামী দিনগুলোতে এই ইস্যুই নির্বাচনি মাঠের প্রধান আলোচ্য বিষয় হিসেবে থেকে যাবে।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫