সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

১৭০০ কোটি টাকা ঋণ, ফেরত দেওয়ার শর্তে মনোনয়ন! সব চেকই বাউন্স বিএনপির প্রার্থী আসলাম চৌধুরীর

প্রায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের দায়ে ১৩টি ব্যাংকের খেলাপি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর নিজের মনোনয়ন বাতিল ঠেকাতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। আদালত দুই মাসের জন্য তার খেলাপি পরিচয়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও শর্ত হিসেবে মোট ঋণের দুই শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ কোটি টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৪৬

চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আসলাম চৌধুরী হাইকোর্টের দেওয়া শর্ত পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় তার নির্বাচনি মনোনয়ন ঘিরে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। প্রায় এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি ঋণের দায়ে ১৩টি ব্যাংকের খেলাপি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর নিজের মনোনয়ন বাতিল ঠেকাতে তিনি হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন। আদালত দুই মাসের জন্য তার খেলাপি পরিচয়ের ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও শর্ত হিসেবে মোট ঋণের দুই শতাংশ, অর্থাৎ প্রায় ৫০ কোটি টাকা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

গত বছরের ১ ডিসেম্বর দেওয়া অন্তর্বর্তী আদেশ অনুযায়ী চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারির মধ্যে ওই অর্থ পরিশোধ করে ‘এফিডেভিট অব কমপ্লায়েন্স’ দাখিল করার কথা ছিল। তবে ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মো. আসলাম চৌধুরী ১৩টি ব্যাংকে যে চেক জমা দেন, সেগুলোর কোনোটিই অনার হয়নি। অন্তত পাঁচটি ব্যাংকের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, জমা দেওয়া চেকগুলো বাউন্স হয়ে ফেরত এসেছে।

জনতা ব্যাংকের লালদীঘি শাখার ম্যানেজার সুব্রত দাশ এবং কক্সবাজার অগ্রণী ব্যাংক শাখার ম্যানেজার শাকওতুল আমিন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার পর্যন্ত পাওয়া চেকগুলো ডিসঅনার হয়েছে। এর মধ্যে শুধু অগ্রণী ব্যাংকেই বাউন্স হওয়া টাকার পরিমাণ ২৩ কোটি টাকা। একইভাবে বেসিক ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও এবি ব্যাংকের চেকও বাউন্স হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন।

ব্যাংক কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব চেক জমা দেওয়া হয় গত ৩০ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি। সরকারি ছুটির কারণে রোববার ব্যাংক খোলার পর দেখা যায়, কোথাও পর্যাপ্ত ব্যালান্স নেই, আবার কোথাও কোনো টাকাই জমা ছিল না। এসব কারণে চেকগুলো ফেরত দেওয়া হয়। হাইকোর্টে করা রিটে আসলাম চৌধুরী দাবি করেছিলেন, তাকে জোরপূর্বক ‘ঋণখেলাপি’ বানানো হয়েছে এবং তিনি ইচ্ছাকৃত খেলাপি নন। সেই যুক্তি বিবেচনায় নিয়ে আদালত সাময়িক সুরক্ষা দিলেও শর্ত পূরণ না হওয়ায় সেই সুরক্ষা এখন ঝুঁকিতে পড়েছে।

১ ডিসেম্বর দেওয়া রায়ে আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছিলেন, আবেদনকারীদের নাম বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্রেডিট ইনফরমেশন ব্যুরো (সিআইবি) রিপোর্টে ডিফল্টার হিসেবে অন্তর্ভুক্তি দুই মাসের জন্য স্থগিত থাকবে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ৫০ কোটি টাকা পরিশোধ করে তার প্রমাণ হিসেবে হলফনামা দাখিল করতে হবে। সময়সীমার মধ্যে অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হলে আলাদা কোনো আদেশ ছাড়াই ওই স্থগিতাদেশ স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

এই রিটের প্রধান আবেদনকারী ছিলেন রাইজিং গ্রুপের চেয়ারম্যান আসলাম চৌধুরী। তার সঙ্গে সেভেনবি অ্যাসোসিয়েটস, সোনালি স্টিল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড, লার্ক পেট্রোলিয়াম কোম্পানি লিমিটেড, ফিশ প্রিজার্ভার্স লিমিটেড, কনসেপশন সি ফুডস লিমিটেড ও কনফিডেন্স এডিবল অয়েল লিমিটেডও আবেদনকারী হিসেবে যুক্ত ছিল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আসলাম চৌধুরী স্বীকার করেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। তিনি বলেন, ব্যবসায়িক দুরবস্থার কারণে কিছু পেমেন্ট আটকে গেছে, ফলে ব্যাংক হিসাবে পর্যাপ্ত ব্যালান্স ছিল না। তাই চেকগুলো অনার হয়নি, বিষয়টি ইচ্ছাকৃত নয়। তিনি দাবি করেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যেই আদালতের শর্ত পূরণে প্রয়োজনীয় অর্থ পরিশোধের চেষ্টা চলছে।

অন্যদিকে বিভাগীয় কমিশনার ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের রিটার্নিং কর্মকর্তা ড. মো. জিয়াউদ্দীন জানান, গত ৪ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় আসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ কার্যকর ছিল। সে কারণে তখন মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা ছাড়া তাদের কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি বলেন, আদালতের আদেশ নির্বাচন কমিশনের জন্য বাধ্যতামূলক। এখন নতুন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ আদালতের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়। আদালত যে নির্দেশ দেবে, নির্বাচন কমিশন সেটিই বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম-৪ আসনের বিএনপি প্রার্থী আসলাম চৌধুরীকে ঘিরে সবচেয়ে বেশি আলোচনা তার বিপুল ঋণের পরিমাণ নিয়ে। হলফনামার তথ্য অনুযায়ী তার ও পরিবারের সদস্যদের হাতে নগদ সম্পদ রয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে মাত্র ৪৮ লাখ টাকা, আর স্ত্রী ও কন্যার আয় মিলিয়ে ১৯ লাখ টাকার কিছু বেশি। তার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪৫৬ কোটি টাকা হলেও বিপরীতে তার ঋণের অঙ্ক দাঁড়িয়েছে এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার বেশি।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৬

রাজনীতি

১৫ বছর পর খালাস পেলেন বিএনপির নিখোঁজ নেতা ইলিয়াস-দিনারসহ ৩৮ জন

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন। খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক। মানবপাচার […]

নিউজ ডেস্ক

১৩ মে ২০২৬, ১৪:৫০

সিলেট নগরীর দক্ষিণ সুরমায় বাসে অগ্নিসংযোগ ও নায়িকা শাবনুরের কথিত পিতাকে পুড়িয়ে মারার মামলায় আসামিরা দীর্ঘ ১৫ বছর পর খালাস পেয়েছেন।

খালাসপ্রাপ্তরা হচ্ছেন- নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও ছাত্রদল নেতা ইফতেখার আহমদ দিনারসহ ৩৮ জন নেতাকর্মী। মঙ্গলবার দুপুরে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্য-প্রমাণ জেরা শেষে আসামিরা নির্দোষ প্রমাণিত হওয়ায় খালাস দেন বিচারক।

মানবপাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল সিলেটের (জেলা ও দায়রা জজ) বিচারক মো. শরিফুল ইসলাম এ খালাসের রায় দেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট সামসুজ্জামান জামান ও অ্যাডভোকেট এটিএম ফয়েজ। রায় ঘোষণার সময় আসামি পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন- অ্যাডভোকেট হাসান রিপন পাটোয়ারী, অ্যাডভোকেট মসরুর চৌধুরী শওকত এবং অ্যাডভোকেট সাঈদ আহমদ।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর বিএনপির কর্মসূচি চলাকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বদিকোনা এলাকায় হবিগঞ্জ সুপার এক্সপ্রেসের একটি বাসে অগ্নিসংযোগ ও অন্য একটি বাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। ওই অগ্নিকাণ্ডে বাসের ভেতরেই দগ্ধ হয়ে মারা যান চিত্রনায়িকা শাবনুরের পিতা হিসেবে পরিচয়দানকারী ৭০ বছরের বৃদ্ধ কাজী নাছির।

ঘটনার পর পুলিশ বেওয়ারিশ হিসেবে তাকে দাফন করলেও ১৩ দিন পর ২০১২ সালের ১ জানুয়ারি নিহতের দ্বিতীয় স্ত্রী জ্যোৎস্না বেগম দক্ষিণ সুরমা থানায় এসে ছবি ও ব্যবহার্য জিনিসপত্র দেখে স্বামীর পরিচয় শনাক্ত করেন। তৎকালীন দক্ষিণ সুরমা থানার ওসি আবু শ্যামা ইকবাল হায়াত জানিয়েছিলেন, নিহতের জুতা, ঘড়ি ও বেল্ট দেখে তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে।

ওই ঘটনার রাতে এসআই মো. হারুন মজুমদার বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা এবং পরিবহণ ব্যবসায়ী শাহ নূরুর রহমান দ্রুতবিচার আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বর্তমানে নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ও দিনার ছাড়াও কোহিনুর, আশিক, মকছুদ আহমদ, রাসেল, তোরন, সামছুল ইসলাম টিটু ও এমএ মান্নানসহ মোট ৪০ জনকে আসামি করা হয়েছিল। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ আদালত ইলিয়াস আলী ও দিনারসহ ৩৮ জন আসামিকে এই দায় থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানান, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এই মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল যা আজ আদালতের রায়ে প্রমাণিত হয়েছে।

উল্লেখ্য, নিখোঁজ ইলিয়াস আলী ও দিনারের সন্ধান না মিললেও আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের নাম এ মামলা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাদ পড়ল। বর্তমানে রায় পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা শেষে খালাসপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা নিশ্চিত করেছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৫
বিষয়ঃ

রাজনীতি

স্বামী সংসদে যেতে না পারলেও যাচ্ছেন স্ত্রী

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট। তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী […]

নিউজ ডেস্ক

২১ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৮

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৫ (মুক্তাগাছা) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিউর রহমান বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাকির হোসেন বাবলুর কাছে পরাজিত হন। নির্বাচনে বাবলু ১ লাখ ২৭ হাজার ৯১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন, অন্যদিকে মতিউর রহমান পান ১ লাখ ৮৭৬ ভোট।

তবে নির্বাচনে পরাজিত হলেও রাজনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়েননি তিনি; বরং তার স্ত্রী অ্যাডভোকেট সাবিকুন্নাহার মুন্নী সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াতের মনোনয়ন পেয়েছেন।

অ্যাডভোকেট মুন্নী জামায়াতের কেন্দ্রীয় মহিলা বিভাগের মানবসম্পদ, আইন ও মানবাধিকার বিষয়ক সেক্রেটারি এবং দলের নির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভানেত্রী এবং বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবেও কর্মরত। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন মানবাধিকার ও আইনি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।

দলীয় নেতাকর্মীদের মতে, কঠিন সময়ে দলের জন্য তার অবদান ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবেই তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। মতিউর রহমানও জানিয়েছেন, জামায়াত যোগ্যতা ও ত্যাগকে মূল্যায়ন করেই প্রার্থী নির্বাচন করে। সাবিকুন্নাহার মুন্নী আশা প্রকাশ করেছেন, সংসদ সদস্য হিসেবে তিনি দেশের অবহেলিত নারী সমাজের উন্নয়নে কাজ করবেন এবং জনগণের কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করবেন।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৩৭৬

রাজনীতি

বিএনপি থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলেন প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, […]

নিউজ ডেস্ক

২৩ মার্চ ২০২৬, ২০:১৮

বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ (সোমবার) বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে পাঠানো বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবীর রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার কারণে আপনি বগুড়া জেলাধীন শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। নির্দেশক্রমে আপনার পদত্যাগপত্র গৃহীত হলো।

একই সঙ্গে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি জনাব এস এম তাজুল ইসলামকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করেছে দল।

দলীয় সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োজিত থাকায় রাষ্ট্রীয় কাজে পূর্ণ মনোযোগ দিতেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭২৯৫