বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

আগ্রাসী ভারতকে হতাশ করে যে চমক দেখালেন ড. ইউনূস

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায়। কিন্তু এর কয়েক মাসের ব্যবধানে কিছুটা ফাটল দেখা দেয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের মধ্যে। কিছু ক্ষেত্রে দূরত্ব দেখা দেয় স্বৈরাচার মুক্ত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও। এই সুযোগে একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করে দেশকে অভ্যন্তরীণভাবে অস্থিতিশীল করে রেখেছিল ফ্যাসিবাদের দোসররা। ছাত্র-জনতার […]

নিউজ ডেস্ক

০৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৩:২৮

৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার ঐক্যবদ্ধ গণঅভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যায়। কিন্তু এর কয়েক মাসের ব্যবধানে কিছুটা ফাটল দেখা দেয় আওয়ামী ফ্যাসিবাদ বিরোধী ঐক্যের মধ্যে। কিছু ক্ষেত্রে দূরত্ব দেখা দেয় স্বৈরাচার মুক্ত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেও।

এই সুযোগে একটার পর একটা ষড়যন্ত্র করে দেশকে অভ্যন্তরীণভাবে অস্থিতিশীল করে রেখেছিল ফ্যাসিবাদের দোসররা। ছাত্র-জনতার সরকারকে উৎখাতে দেশের সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হানার মত নিকৃষ্ট ট্রাম কার্ডটিও খেলে ফেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসররা। ‘প্রভু দেশ’ ভারতকে দিয়ে দেশ ও দেশের বাইরে থকে ভয়াবহ ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে তারা। কিন্তু দিনশেষে হতাশ হতে হল দেশবিরোধী কুচক্রীমহলকে।

আজ সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে ধর্ম-বর্ণ, দলমত নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ। পতিত দেশবিধ্বংসী স্বৈরাচার ও আগ্রাসী ভারতকে হতাশ করে শক্তিশালী জাতি উপহার দিতে এক ঐতিহাসিক উদ্যোগ গ্রহণ করে প্রশংসায় ভাসছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তার এই মহতী উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন দেশের সর্বস্তরের মানুষ। এমনকি যে ধর্মীয় সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিয়ে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে, দেশপ্রেমিক সনাতন ধর্মাবলম্বীরাও এই ঐক্যের পতাকাতলে হাজির হচ্ছেন।

প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণে জাতীয় ঐক্যের সংলাপে অংশ নেয় দেশের ডান বাম সকল ধারার রাজনৈতিক দলগুলো। বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইসলামী দলগুলোর নেতা থেকে শুরু করে কমিউনিস্ট পার্টির নেতারাও উপস্থিত হয়েছিলেন।

সংলাপে অংশ নেন বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম, খেলাফত মজলিস, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, জমিয়তে ওলামায়ে ইসলাম, খেলাফত আন্দোলন, ইসলামী ঐক্যজোট। এতে আর অংশ নেয় নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণ সংহতি আন্দোলন, গণ অধিকার পরিষদ, এবি পার্টি, ভাসানী অনুসারী পরিষদ, এনপিপি, বাসদ, কমিউনিস্ট পার্টি।

এরআগে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান নিয়ে গত মঙ্গলবার বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে এ বৈঠক হবে। এতে সরকারের উপদেষ্টারা অংশ নেবেন।

এদিকে, বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য আলোচনা সভায় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ, ক্যাম্পাস ছাত্র রাজনীতিতে ছাত্রসংসদ চালু, রাজনীতিতে ফ্যাসিস্ট কালচার মূলোচ্ছেদসহ দেশের সংকট নিরসনে নানা বিষয়ে ঐক্যমতের ঘোষণা করেন বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির ১২টি দলের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।বুধবার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক জোটের আয়োজনে বিজ্ঞান অনুষদ চত্ত্বরে ‘বিপ্লবোত্তর ছাত্র ঐক্য’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির অধিকাংশ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে ড. মুহাম্মদ ইউনূস শপথ নেওয়ার আগেই ভারতের সংবাদমাধ্যম এনিডিটিভকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে দিল্লিকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, বাংলাদেশকে কেউ অস্থিতিশীল করতে চাইলে চারদিকে অস্থিতিশীলতা ছড়িয়ে পড়বে। প্রতিবেশী মিয়ানমার, ভারতের সেভেন সিস্টার্স, পশ্চিমবঙ্গ সব জায়গাতেই ছড়িয়ে পড়বে অস্থিরতা।

ড. ইউনূসের এই হুঁশিয়ারি স্বাভাবিকভাবে নেয়নি আওয়ামী লীগকে সেবা দাস বানিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে বাংলাদেশকে শোষণ করা ভারত। এবার সরকার গঠনের তিন মাসের মাথায় সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে নয়াদিল্লিকে এক কড়া বার্তা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা। ফ্যাসিস্ট হাসিনা ও ভারত যতই ষড়যন্ত্র করুক না কেন তাদের হতাশ হতেই হবে বলে মনে করেন দেশ প্রেমিক জনতা।

নেটিজেনরা বলছেন, ষড়যন্ত্র যত বেশি হবে ঐক্য তত মজবুত হবে ইনশাআল্লাহ। যুগ যুগে সত্য জয়লাভ করে আর মিথ্যা পরাজিত হয়। দেশটা আমাদের সবার। ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়াই হবে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যে জাতি সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা অর্জন করছে, যে দেশে আবু সাঈদ, মুগ্ধদের জন্ম হয়, যে জাতি ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বুলেটের সামনে নিরস্ত্র অবস্থায় বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, সেই জাতিকে দেশি-বিদেশি কোনো অপশক্তি পদানত করতে পারবে না। অন্তর্বর্তী সরকারের হারানোর কিছু নেই। স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে গোটা জাতি ঐক্যবদ্ধ। দেশের প্রয়োজনে যেকোনো ত্যাগ শিকারে জাতি প্রস্তুত।

ফেসবুকে একজন লিখেছেন, বিদেশী আধিপত্য ও ফ্যাসিবাদমুক্ত স্বাধীন-সার্বভৌম মর্যাদার উন্নয়নশীল বাংলাদেশ গাড়তে জাতীয় ঐক্যের কোন বিকল্প নাই। একটা দেশ যখন দীর্ঘদিনের বিদেশি আধিপত্য, প্রভূত্ব এবং গেড়েবসা ফ্যাসিবাদী সরকার থেকে মুক্তি খুজতে চায়, তখন জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই সেই মুক্তি অর্জন করতে হয় এবং জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমেই সেই মুক্তি বা স্বাধীনতাকে টিকিয়ে রাখতে হয়।

অনৈক্যের ফলে একটা সদ্য স্বাধীন দেশ কেমন ঝুঁকিতে পরে বা কিভাবে স্বাধীনতা ছিনতাই হয়, সেটা আমরা ৭২-৭৫ এ দেখেছি। ২৪ এর বিপ্লব ও অভ্যুত্থান এর ফলে যে নতুন স্বাধীনতা সেটা যেন আর ছিনতাই না হয়, বিকৃত না হয় এবং বাংলাদেশ একটি স্বকীয় উন্নত মর্যাদা নিয়ে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারে সে জন্য আমাদেরকে দল-মত-জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে বাংলাদেশ জাতীয়তার ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। আজকের এই জাতীয় ঐক্যের প্রতিশ্রুতি অটুট থাক। বাংলাদেশ নতুন ও মজবুত বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে উঠুক। এবং চিরকাল অটুট বন্ধনে এক হয়ে থাক, সেই প্রত্যাশা রাখি।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই […]

মোটরসাইকেলসহ সব গাড়ির মালিক-চালকদের জন্য বড় সুখবর

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:২৭

মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের মোটরযানের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স জরিমানা ছাড়াই হালনাগাদের সময়সীমা আগামী ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এ সময়ের মধ্যে শুধু মূল কর ও ফি পরিশোধ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিআরটিএ জানায়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো জরিমানা ছাড়াই মোটরযানের ফিটনেস, ট্যাক্স-টোকেন ও রুট পারমিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হালনাগাদ করা যাবে। একই সুবিধা পাওয়া যাবে ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেও।

গ্রাহকদের জন্য এটিকে শেষ সুযোগ উল্লেখ করে আগামী ২৯ অক্টোবরের মধ্যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স হালনাগাদ করে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

এদিকে, গাড়ি বিক্রির পর দ্রুত মালিকানা পরিবর্তনের বিষয়েও সতর্ক করেছে বিআরটিএ। সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮ অনুযায়ী মোটরযান বিক্রির পর মালিকানা পরিবর্তন বাধ্যতামূলক। কিন্তু অনেক ক্রেতা মালিকানা পরিবর্তন না করেই গাড়ি ব্যবহার করছেন। এতে পুরনো মালিককে বিভিন্ন আইনি ও আর্থিক জটিলতায় পড়তে হচ্ছে।

বিআরটিএ জানিয়েছে, মালিকানা পরিবর্তনের প্রক্রিয়া এখন আরও সহজ করা হয়েছে। অনলাইনে আবেদন করার পর বিক্রেতার বায়োমেট্রিক বা আঙুলের ছাপ যাচাই করে একই দিনেই মালিকানা পরিবর্তনের কার্যক্রম সম্পন্ন করা হচ্ছে। নতুন মালিকও ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেটের জন্য বায়োমেট্রিক দিতে পারছেন।

নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী দ্রুত মালিকানা পরিবর্তন না করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে বিআরটিএ।

অন্যদিকে, সড়ক পরিবহন আইন কঠোরভাবে কার্যকরের অংশ হিসেবে ড্রাইভিং লাইসেন্সের পয়েন্ট কর্তনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। প্রতিটি ড্রাইভিং লাইসেন্সে ১২টি পয়েন্ট থাকে। আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে জরিমানা বা কারাদণ্ডের পাশাপাশি চালকের লাইসেন্স থেকে দোষসূচক পয়েন্টও কেটে নেওয়া হচ্ছে।

জাতীয়

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার […]

বারিধারায় পাকিস্তানি হাইকমিশনারের বাসভবনে আগুন, আইসিইউতে হাইকমিশনার

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৬ আগস্ট ২০২৬, ২২:২৬

রাজধানীর বারিধারায় পাকিস্তান হাইকমিশনারের সরকারি বাসভবনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় হাইকমিশনার ইমরান হায়দার ও তার স্ত্রী নাইমা ইমরান অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ভোরে ৪টা ৫৬ মিনিটে আগুনের সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ফায়ার সার্ভিসের সদরদপ্তরের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা আনোয়ারুল ইসলাম দোলন বলেন, আজ বৃহস্পতিবার ভোর চারটা ৫৬ মিনিটে গুলশান ডিপ্লোমাটিক এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পেয়ে বারিধারা ফায়ার স্টেশন থেকে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়।

ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট সেখানে গিয়ে দেখতে পায়, রুমে তেমন আগুন নেই তবে ধোয়া ছিল। পরে বালতি ও মগে করে পানি দিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়।

তিনি বলেন, ফায়ার সার্ভিস পূর্ণাঙ্গ চেক করে মেশিন দ্বারা ধোঁয়া বের করে ফেলে। প্রাথমিকভাবে আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে জানা যায় বাসায় টিভিতে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে আগুনের সৃষ্টি হয়।

জানা যায়, আগুন নিয়ন্ত্রণের সময় এবং পর পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী মোটামুটি সুস্থ ছিলেন। তবে প্রচণ্ড ধোয়া সৃষ্টি হওয়ার কারণে তারা অসুস্থ হয়ে পড়লে সকাল ৯টার দিকে তাদের গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সন্ধ্যার পর কন্টিনেন্টাল হাসপাতালের অ্যাডমিশন বিভাগে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আজ সকালে পাকিস্তানি হাই কমিশনার ও তার স্ত্রী হাসপাতালটিতে ভর্তি হয়েছেন। হাইকমিশনের স্ত্রী বর্তমানে ক্যাবিনে এবং হাইকমিশনার নিজে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।