বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রৌমারীতে বাল্য বিবাহ মুক্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের পাশে

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে। একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০০:৪৪

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:
রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে।
একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ এজিও কর্তৃক বাস্তবায়িত চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় বাল্য বিবাহ বন্ধসহ অসহায় পরিবার খুঁজে বের করে তাদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয় এই প্রকল্পটি। এ প্রকল্পটি গত ২০২৩ সালের প্রথম মাস থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নে ১৫৬টি বাল্য বিবাহ বন্ধসহ ১৫৬টি পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ করে দিয়েছে দেশের বৃহত্তম এই সংস্থাটি।
বন্দবেড় ইউনিয়নের জয়নব আক্তার বলেন, আমার পরিবারের অ-সচ্ছলতার জন্য আমার পরিার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও আমি রাজি না হয়ে আমার পরিবার কে বুঝাতে থাকি এক সময় আমি আমর পরিবার কে বোঝাতে সক্ষম হই এবং আমি আমার বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।
সিএনবি প্রকল্প আমার চোখ খুলে দিয়েছে। কারণ আমি যেদিন  আরডিআরএস ক্যাম্পাসে সিএনবি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রেভ গার্লস প্রশিক্ষনে অংশ নিই, সেদিনই আমি শপথ করি, এবং রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ বন্ধে নিরলস ভাবে আমরা গ্রুপ ওয়ারী কাজ করে যাচ্ছি। এবং আমরা সবাই একদিন এ উপজেলা কে বাল্য বিবাহ মুক্তসহ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলবো।
রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন চায়না বেগম। তার দুই মেয়ে কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্বামী জাকির হোসেন তাকে দুই মেয়েসহ প্রায় ১৬ বছর আগে ডিফোর্স দিয়ে দেয়। পরে তার দুই মেয়েকে নিয়ে চলে আসেন বাবার বাড়ী তার পরে দুই প্রতিবন্ধী মেয়ে কে নিয়ে চলে তিন বেলা ভাত জোটানোর যুদ্ধ এক পর্যায়ে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে জীবনযুদ্ধে টিকে ছিল এ পরিবারটি।
তবে ২০২৩ সালে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের জরিপের আওতায় আসে এ পরিবারটি। পরে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে গরু, ছাগল ও হঁাস-মুরগীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে এ পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল ও ছয়টি মুরগীসহ প্রয়োজনীয় কিছু আসবাবপত্র কিনে দেওয়া হয়। এগুলো সে হাতে পেয়ে আনন্দে চোখে জল আসে চায়নার।  এই সামান্য সঞ্চয় পেয়ে খুলে যায় তার ভাগ্য। তার পরে তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নী পিছনে।
  বর্তমানে বাবার দেওয়া ২ শতাংশ জায়গায় দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন চায়না বেগম। মেয়ে ফাতেমা, ফারজানা জরাজীর্ণ কন্ঠে আক্ষেভ করে বলেন, বাবা থেকেউ নেই, মা সহ তিন সদস্যের পরিবার আমরা থাকি খুবই জরাজীর্ণ একর্টি দুচালা টিনের ঘরে। আমাদের লেখাপড়া বন্ধছিলো তবে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে আমাদের ভাগ্য খুলে যায়। বর্তমানে আমরা দুই বোন জামিয়া ইসলামিয়া মিফতাহুল জান্নাদ মহিলা মাদ্রাসায় দাওরায় (বিএ) পড়ি। আগেআমাগরে না খেয়ে থাকলেও এখন চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর অর্থে এখন আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হয় না। আমরাও এখন পুষ্টিকর খাবার খাইতে পারি। এ প্রকল্পটি সুধু আমাদেরই না আমাদের মতো অনেকেরই ভাগ্য বদলিয়ে দিয়েছে এই চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)।
চাইল্ড নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর উপজেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করাসহ অসহায় পরিবারদেরকে স্বাবলম্বী করতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)। এতেকরে তৈরি হয়েছে অনেক নতুন জীবনের গল্প। খুলে দিয়েছে অনেক অসহায়ের স্বপ্নের দুয়ার। এই পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করবে।
তাদের সন্তানরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, যেই শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা রৌমারীতে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে দারিদ্রতা রৌমারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা সহ সব সময় পাশে দাড়ায় তাদের।

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।