শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

রৌমারীতে বাল্য বিবাহ মুক্ত ও হতদরিদ্র পরিবারের পাশে

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি: রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে। একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ […]

নিউজ ডেস্ক

০৩ ডিসেম্বর ২০২৪, ০০:৪৪

জুয়েল রানা,রৌমারী(কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধি:
রৌমারীতে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী ১৫৬টি পরিবার। একটু স্বাচ্ছন্দ্যে জীবন চালানোর স্বপ্ন দেখে সবাই। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কেউ কেউ পৌঁছে যায়তার স্বপ্নের দুয়ারে। কেউ সুখের দেখা পায়, কেউ পায় না। চরম দরিদ্রতা বহু মানুষকে ঠেলে দেয় অসহায়ত্বের দিকে।
একটুখানি স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টায় নিয়মিত জীবনযুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া অনেক অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে আরডিআরএস বাংলাদেশ এজিও কর্তৃক বাস্তবায়িত চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের আওতায় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলায় বাল্য বিবাহ বন্ধসহ অসহায় পরিবার খুঁজে বের করে তাদের স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেয় এই প্রকল্পটি। এ প্রকল্পটি গত ২০২৩ সালের প্রথম মাস থেকে অদ্যবদি পর্যন্ত রৌমারী উপজেলা ৬টি ইউনিয়নে ১৫৬টি বাল্য বিবাহ বন্ধসহ ১৫৬টি পরিবারকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ করে দিয়েছে দেশের বৃহত্তম এই সংস্থাটি।
বন্দবেড় ইউনিয়নের জয়নব আক্তার বলেন, আমার পরিবারের অ-সচ্ছলতার জন্য আমার পরিার আমাকে বিয়ের জন্য চাপ প্রয়োগ করলেও আমি রাজি না হয়ে আমার পরিবার কে বুঝাতে থাকি এক সময় আমি আমর পরিবার কে বোঝাতে সক্ষম হই এবং আমি আমার বাল্য বিয়ে বন্ধ করি।
সিএনবি প্রকল্প আমার চোখ খুলে দিয়েছে। কারণ আমি যেদিন  আরডিআরএস ক্যাম্পাসে সিএনবি প্রকল্পের মাধ্যমে ব্রেভ গার্লস প্রশিক্ষনে অংশ নিই, সেদিনই আমি শপথ করি, এবং রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ বন্ধে নিরলস ভাবে আমরা গ্রুপ ওয়ারী কাজ করে যাচ্ছি। এবং আমরা সবাই একদিন এ উপজেলা কে বাল্য বিবাহ মুক্তসহ পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসেবে নিজেদেরকে গড়ে তুলবো।
রৌমারী উপজেলার যাদুরচর ইউনিয়নে একেবারে প্রত্যন্ত অঞ্চলে বাস করেন চায়না বেগম। তার দুই মেয়ে কিছুটা মানসিক প্রতিবন্ধী হওয়ায় স্বামী জাকির হোসেন তাকে দুই মেয়েসহ প্রায় ১৬ বছর আগে ডিফোর্স দিয়ে দেয়। পরে তার দুই মেয়েকে নিয়ে চলে আসেন বাবার বাড়ী তার পরে দুই প্রতিবন্ধী মেয়ে কে নিয়ে চলে তিন বেলা ভাত জোটানোর যুদ্ধ এক পর্যায়ে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে কোনো রকমে জীবনযুদ্ধে টিকে ছিল এ পরিবারটি।
তবে ২০২৩ সালে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) প্রকল্পের জরিপের আওতায় আসে এ পরিবারটি। পরে আরডিআরএস বাংলাদেশ ও চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে গরু, ছাগল ও হঁাস-মুরগীর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। পরে এ পরিবারটিকে স্বাবলম্বী করতে ১৬ হাজার টাকা দিয়ে দুইটি ছাগল ও ছয়টি মুরগীসহ প্রয়োজনীয় কিছু আসবাবপত্র কিনে দেওয়া হয়। এগুলো সে হাতে পেয়ে আনন্দে চোখে জল আসে চায়নার।  এই সামান্য সঞ্চয় পেয়ে খুলে যায় তার ভাগ্য। তার পরে তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নী পিছনে।
  বর্তমানে বাবার দেওয়া ২ শতাংশ জায়গায় দুই মেয়েকে নিয়ে বসবাস করছেন চায়না বেগম। মেয়ে ফাতেমা, ফারজানা জরাজীর্ণ কন্ঠে আক্ষেভ করে বলেন, বাবা থেকেউ নেই, মা সহ তিন সদস্যের পরিবার আমরা থাকি খুবই জরাজীর্ণ একর্টি দুচালা টিনের ঘরে। আমাদের লেখাপড়া বন্ধছিলো তবে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর মাধ্যমে আমাদের ভাগ্য খুলে যায়। বর্তমানে আমরা দুই বোন জামিয়া ইসলামিয়া মিফতাহুল জান্নাদ মহিলা মাদ্রাসায় দাওরায় (বিএ) পড়ি। আগেআমাগরে না খেয়ে থাকলেও এখন চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি) এর অর্থে এখন আমাদের আর না খেয়ে থাকতে হয় না। আমরাও এখন পুষ্টিকর খাবার খাইতে পারি। এ প্রকল্পটি সুধু আমাদেরই না আমাদের মতো অনেকেরই ভাগ্য বদলিয়ে দিয়েছে এই চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)।
চাইল্ড নট ব্রাইড (সিএনবি) এর প্রকল্পর উপজেলা সমন্বয়কারী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, রৌমারী উপজেলাকে বাল্য বিবাহ মুক্ত করাসহ অসহায় পরিবারদেরকে স্বাবলম্বী করতে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে চাইল্ড, নট ব্রাইড (সিএনবি)। এতেকরে তৈরি হয়েছে অনেক নতুন জীবনের গল্প। খুলে দিয়েছে অনেক অসহায়ের স্বপ্নের দুয়ার। এই পরিবারগুলো স্বাবলম্বী হয়ে নিজেদের সন্তানদের মানুষের মতো মানুষ করবে।
তাদের সন্তানরা দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করবে, যেই শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এই সংস্থা রৌমারীতে আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডে বদলে যাচ্ছে দারিদ্রতা রৌমারীতে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা সহ সব সময় পাশে দাড়ায় তাদের।

সারাদেশ

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা […]

আমি সরকারি চাকরি করি,তোমরা আমার চাকরিটা খাইয়ো না, আমি মারা যাব,তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ জুলাই ২০২৬, ২১:২০

কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মোহাম্মদ মহসিনের বদলিকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজিত মানববন্ধনে আবেগঘন এক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের সামনে কান্নায় ভেঙে পড়েন শিক্ষক মহসিন। উপস্থিত শিক্ষার্থী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আমি সরকারি চাকরি করি, তোমরা আমার চাকরিডা খাইয়ো না। তোমরা আমার কোনো ক্ষতি কইরো না। একপর্যায়ে তিনি শিক্ষার্থীদের পা ধরে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মানববন্ধনের সময় শিক্ষার্থীরা বদলির আদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় মোহাম্মদ মহসিন আন্দোলন থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এটা আমার বদলির অংশ। আমি এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দেবো না। এরপর তিনি আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এক শিক্ষার্থী বলেন, আমরা আমাদের শিক্ষকদের কোনো ক্ষতি হতে দেব না। স্যার সরকারি চাকরিজীবী। চাকরি নিয়ে শঙ্কা থেকেই তিনি আমাদের সামনে কান্না করেছেন। সামান্য বৃষ্টির পানিকে ইস্যু করে একসঙ্গে সাতজন শিক্ষককে বদলি করার কোনো যৌক্তিকতা নেই।

আরেক শিক্ষার্থী বলেন, এই মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে যদি শিক্ষকদের ওপর কোনো ধরনের চাপ সৃষ্টি করা হয়, তাহলে আন্দোলন শুধু মহিলা কলেজে সীমাবদ্ধ থাকবে না, প্রয়োজন হলে সারা দেশে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি বৃষ্টির পানি কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ সাতজন শিক্ষককে বদলির আদেশ দেওয়া হয়। এরপর থেকেই শিক্ষার্থীরা ওই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করছেন এবং বদলির আদেশ পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়ে আসছেন।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও […]

শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধা, চাঁদা দাবির অভিযোগ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২৯ জুলাই ২০২৬, ২২:০৮

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রবাসীর বাড়ি নির্মাণে বাঁধার ঘটনা ঘটেছে। পড়ে চাঁদা দাবির অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে শাহজাদপুর পৌর শহরের বাড়াবিল শিমুলপাড়া মহল্লার প্রবাসী মোঃ তারেক রহমানের বাড়িতে। তারেক রহমান ওই গ্রামের মোঃ দেরাজ প্রামানিকের ছেলে। অভিযুক্তরা তাদের প্রতিবেশী আনসার প্রামাণিক ও তার তিন ছেলে রোশনাই, আল মাহমুদ ও আলম।

আজ বুধবার দুপুরে সরেজমিনে ভুক্তভোগী প্রবাসী তারেক রহমানের বাড়িতে গেলে তারা অভিযোগ করে বলেন। বাড়ির কাজ করার জন্য ইট ও রড নিয়ে আসার সময় অভিযুক্তরা বাঁধা দেয়। এসময় তারা আমাদের জায়গা দিয়ে বাড়ির পেছনে অবস্থিত জলাশয়ে যাওয়ার রাস্তা দাবি করেন।

পরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বাড়ীর পূর্ব পাশের দেয়াল ভেঙে তাদের রাস্তা দেওয়া হয়। আজ তাদের বাড়ির সামনে দিয়ে শ্রমিকরা আসার সময় তারা বাধা দেয় ও গালাগালি করলে শ্রমিকরা ফিরে যায়। পরে আমরা বিষয়টি জানতে গেলে আমাদের সাথেও দুর্ব্যবহার করে এবং অসুস্থ দেরাজ প্রামানিককে ধাক্কা দেয়।

এসময় তারা আরো বলেন, আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলেরা এখন বাড়ির মাঝ দিয়ে রাস্তা চায়। নাহলে তারা আমাদের বাঁড়ি করতে দিবে না। এছাড়া লোক মারফত আমাদের কাছে ১ লাখ টাকা দাবি করেছে, টাকা দিলে আর বাধা দিবে না।

এই ঘটনায় আনসার প্রামাণিক ও তার ছেলে আল মাহমুদ ও রোশনাই বলেন, আমাদের জায়গা দিয়ে রাস্তা হয়েছে তাদের বাড়ি দিয়েও রাস্তা দেয়ার কথা ছিল এবং সেই মোতাবেক খুঁটি লাগানো ছিল। এখন বাড়ির মাঝখান দিয়ে রাস্তা না দিলে আমরা যেতে দেবো না।

সারাদেশ

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি […]

আইফোনের জন্য কুবি শিক্ষকের ছেলে অপ্রতীমকে হত্যা, আটক ১

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৬:৩৪

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমের (১৩) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে তুহিন নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়, দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বাসা থেকে বের হওয়ার পর অপ্রতীম আর ফেরেনি। পরিবারের অজান্তে সে তার মায়ের একটি আইফোন নিয়ে বের হয়েছিল। দীর্ঘ সময় খোঁজ করেও সন্ধান না পাওয়ায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় নিখোঁজের সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে তার মা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছেলের নিখোঁজের তথ্য জানালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সংগঠন ও শিক্ষার্থীরাও বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন।

এর মধ্যে শনিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদূরের জঙ্গলে পাঞ্জাবি পরা অপ্রতীমের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।

পরিবারের দাবি, মায়ের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই অপ্রতীমকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হতে তদন্ত করছে পুলিশ।

সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘মোবাইল ফোনের জন্যই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে আমরা অনেকটা নিশ্চিত।’ আটক তুহিনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। অপ্রতীমের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।