বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

সারাদেশ

মাদক দিয়ে দিনমজুরকে ফাঁসানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন

(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি কুড়িগ্রামের রৌমারীতে লাল মিয়ার নামের এক নিরিহ দিনমজুরকে ষড়যন্ত্র করে মাদক ব্যবসীয় বানিয়ে পুলিশের সোর্স সেকেন্দার আলীর মাধ্যমে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর প্রতিবাদে পুলিশের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার ৯ জানুয়ারী দিবাগত ভোর রাতে রৌমারী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়াইবাড়ি গ্রামের লাল মিয়াকে মাদকসহ আটক করে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি […]

নিউজ ডেস্ক

১১ জানুয়ারী ২০২৫, ২১:৩৯

(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে লাল মিয়ার নামের এক নিরিহ দিনমজুরকে ষড়যন্ত্র করে মাদক ব্যবসীয় বানিয়ে পুলিশের সোর্স সেকেন্দার আলীর মাধ্যমে মাদক দিয়ে ফাঁসানোর প্রতিবাদে পুলিশের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। গত বুধবার ৯ জানুয়ারী দিবাগত ভোর রাতে রৌমারী থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বড়াইবাড়ি গ্রামের লাল মিয়াকে মাদকসহ আটক করে কুড়িগ্রাম জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে রৌমারীর সদর ইউনিয়নের  ৬ নং ওয়ার্ড বড়াইবাড়ি গ্রামে।
জানা গেছে, বিপুল সংখ্যক পুলিশ সীমান্তের নো-ম্যানস ল্যান্ডের কাছে ভারত -বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া দিনমজুর লাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালান। এব্যাপারে লাল মিয়ার ভাই আনোয়ার হোসেন বলেন, হটাৎ রাত আনুমানিক ভোর ৩টা ৩০ মিনিটের সময় আমার শয়ন কক্ষের বাহিরে দরজায় কড়া নেড়ে আমাকে দরজা খুলতে বলে । আমি হতচকিত হয়ে দরজা খুলে দেই। দরজা খুলে দেখি প্রায় ১৫/২০ জন পুলিশ বাহিরে দাড়িয়ে আছে বস্তা হাতে। আমি বাহির হইলে পুলিশ আমাকে আমার বড় ভাই লাল মিয়াকে ডাকতে বলে। আমি ভাবীকে ডেকে দরজা খুলতে বললে ভাবী দরজা খুলে দেয়। দরজা খোলার সংঙ্গে সংঙ্গে পুলিশ মাদকের বস্তাটি ভাইয়ের ঘরে ঢুকিয়ে দিয়ে ঘরে মাদক পাওয়া গেছে বলে আমার ভাই লাল মিয়াকে ধরে রৌমারী থানায় নিয়ে যায়। এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে গ্রামের নারী পুরুষ সম্মিলিত দিমজুর লাল মিয়ার পক্ষে পুলিশ ও ষড়যন্তকারীর বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
মানববন্ধনে এলাকাবাসী দাবী করেন, লাল মিয়া একজন অসহায় দিনমজুর। সে কখনো মাদক কান্ডে জরিত নয়। এনিয়ে লাল মিয়ার স্ত্রী’র সাথে কথা বললে তিনি জানান, বিগত কয়েক বছর আগে লাল মিয়ার  কন্যা লাভলী খাতুন একই গ্রামের তমছের পুত্র সেকেন্দার আমার মেয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করলে মেয়ে সইতে না পেরে আতœহত্যা করে। যে কারণে সেকেন্দারের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে। তারই জের ধরে সেকেন্দার প্রতিশোধের নেশায় লাল মিয়াকে ফাসিয়েছে বলে অভিযোগ করেন।
লাল মিয়ার স্ত্রী রোজিনা বেগম আরও বলেন, পুলিশ জোড় করে মদের বস্তা আমার ঘরে ঢুকাতে ধরলে আমি বাধাঁ  দেই এতে পুলিশ ক্ষিপ্ত হয়ে আমার পায়ে বুট জুতো দিয়ে পাড়া দেয়। পরে ট্রাšক ভেঙ্গে ৫ লাখ টাকা নিয়ে যায়।
এব্যাপারে বড়াই বাড়ি গ্রামের মৃত্যু সোরহাব এর পুত্র আনার আলী বলেন, লাল মিয়া একজন দিনমজুর মানুষ। সে মাদকের সাথে জড়িত নয়। তবে একই গ্রামের তমছেরের পুত্র সেকেন্দার আলী দীর্ঘদিন ধরে কখনো পুলিশ কখনো বিএনপির প্রভাব খাটিয়ে এলাকায় চাদাবাজি করে , মাদকের লিষ্ট থেকে নাম কেটে দেওয়া মাদক দিয়ে ফাসিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছেন তিনি। এলাকাবাসী সেকেন্দরের হাত থেকে মুক্তি চায়।
সাবেক ইউপি সদস্য আসাদ হোসেন হেলাল বলেন, লাল মিয়া একজন অতিশয় গরীব দিনমজুর খেটে খাওয়া মানুষ। তার কখনো মাদকের সাথে সম্পৃক্ততা দেখিনি। এ ঘটনাটি সেকেন্দার কতৃক ষড়যন্ত্র মুলকভাবে ঘটানো হয়েছে।
এব্যাপারে সেকেন্দার আলীর সাথে একাধীকবার ফোনে যোগাযোগ করা হলে কথা বলা সম্ভব হয়নি।
রৌমারী থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লাল মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ৪১ বতল ভারতীয় মদ পাওয়া গেছে। মাদক দ্রব আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। আর সেকেন্দার আলী নামের আমাদের কোনো সোস নেই

সারাদেশ

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে […]

‘দুই মাসের মধ্যে ঢাকা ছাড়তে হতে পারে বিপুলসংখ্যক মানুষকে’

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২২:০৪

বর্তমান বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংসদের হুইপ এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান (এমপি)। তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, চলমান বৈশ্বিক সংঘাত যদি দ্রুত বন্ধ না হয়, তবে আগামী দুই মাসের মধ্যে ঢাকা শহরের বিপুলসংখ্যক মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে স্থানান্তরে বাধ্য হতে পারে।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ঢাকা থেকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় একটি প্রোগ্রামে যাওয়ার পথে কুমিল্লার লাকসাম দক্ষিণ বাইপাস এলাকায় অবস্থিত ধামৈচা জামে মসজিদে জুমার নামাজের পূর্বে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান বলেন, বিশ্বজুড়ে চলমান এ অস্থিরতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি কেবল আন্তর্জাতিক নয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার ওপরও চরম প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, বিশ্বব্যাপী এই সংঘাত অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের পরিস্থিতি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। আমাদের এখনই সচেতন হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি দেশের জনগণকে উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় মানসিকভাবে প্রস্তুত এবং আগাম সতর্ক থাকার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ও সচেতনতার সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেন হুইপ।

সারাদেশ

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ। ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার […]

শাহজাদপুরে ২ সন্তানসহ গৃহবধূর বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

০৮ এপ্রিল ২০২৬, ২৩:৪৫

মাসুম হোসেন অন্তু, শাহজাদপুর প্রতিনিধিঃ

স্বামীর উপরে অভিমান করে নিজে কীটনাশক পান করার পর ২ শিশু সন্তানকেও সেই কীটনাশক পান করিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে পাখি খাতুন (১৮) নামের এক গৃহবধূ।

ঘটনাটি ঘটেছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর পৌর শহরের পারকোলা উত্তরপাড়া গ্রামে। পাখি খাতুন ওই গ্রামের আলম প্রামাণিকের মেয়ে, শিশু সন্তানরা হলো মুস্তাকিম (৮) ও মাহিম (৪)। ঘটনার পরপর স্বজনেরা আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়।

সেখানে তাদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, বর্তমানে ২টি শিশু ও তাদের মা সেখানেই চিকিৎসাধীন রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় ১০ বছর পূর্বে উল্লাপাড়া উপজেলার বালসাবাড়ি ইউনিয়নের মধুপুর গ্রামের বাসিন্দা মানিক চাঁদের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তাকে নির্যাতন করতো। এই বিষয়ে একাধিকবার শালিস বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হয়। এর মধ্যেই তাদের ঘর আলো করে মুস্তাকিম ও মাহিম নামের দুই ছেলে সন্তান। পারিবারিক কলহের জের ধরেই স্বামীর সাথে ঝগড়ার পর আজ সকালে বাবার বাড়িতে অবস্থানকালে পাখি খাতুন প্রথমে নিজে কীটনাশক পান করে এবং পরে ২ ছেলেকে কীটনাশক পান করায়। পরে তারা যন্ত্রাণায় চিৎকার করলে স্বজনেরা দ্রুত তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার জানান, দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে ৪ বছর ও ৮ বছর বয়সী ২টি শিশু ও তাদের মা’কে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে। পরে ৮ বছর বয়সী মুস্তাকিমকে ওয়াশ করা হয়, কীটনাশক পানের সময় বেশি হ‌ওয়ায় দ্রুত সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

এই বিষয়ে শাহজাদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, কীটনাশক পান করা ২টি শিশু ও তাদের মা’কে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

সারাদেশ

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি: ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার […]

নিখোঁজের ২ দিন পর মেঘনায় ভেসে উঠলো পুলিশ সদস্যের নিথর দেহ

ছবি সংগৃহীত

প্রতিনিধি ডেস্ক

২০ মার্চ ২০২৬, ২৩:০২

লালমোহন (ভোলা) প্রতিনিধি:

ভোলার লালমোহন উপজেলায় মৎস্য অভিযানে গিয়ে লঞ্চের ধাক্কায় স্পিডবোট উল্টে নিখোঁজ হওয়ার দুইদিন পর পুলিশ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের সন্ধান মিলেছে। শুক্রবার বিকেলে দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পড়েছিল ওই পুলিশ কনস্টেবলের নিথর দেহ। তিনি লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করে লালমোহন থানার ওসি মো. অলিউল ইসলাম বলেন, গত বুধবার সন্ধ্যার পর মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাট এলাকা থেকে মেঘনা নদীতে মৎস্য অভিযানের জন্য মৎস্য অফিসের ৩ সদস্য ও একজন পুলিশ অফিসারসহ ৩ জন কনস্টেবল স্পিডবোটে করে মেঘনা নদীতে রওয়ানা দেন।

এ সময় যাত্রীবাহী লঞ্চ কর্ণফুলী-১২ এর সঙ্গে ধাক্কা লেগে স্পিডবোটটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় ওই স্পিডবোটে থাকা সবাই তীরে উঠতে পারলেও নদীতে ডুবে নিখোঁজ হয়ে যান কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলাম। তাকে উদ্ধার করতে গত দুইদিন ধরে কাজ করেছেন নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

তিনি আরও বলেন, শুক্রবার বিকেলে খবর পাওয়া যায় দৌলতখান উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মেঘনা নদীর পাড়ে পুলিশের পোশাক পরিহিত এক ব্যক্তির মরদেহ পড়েছিল।

স্থানীয়রা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দৌলতখান থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করেন। দৌলতখান থানা পুলিশের দেওয়া তথ্যে আমরা নিশ্চিত হই ওই মরদেহটি নিখোঁজ কনস্টেবল মো. ফখরুল ইসলামের। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।