মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

জাতীয়

​১ দিনে সরানো হলো এক ডজন সচিব, নতুন পদায়নে তোড়জোড়

নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিগত সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ৯ জন সচিবের চুক্তি বাতিল করেছে। আর তিনজন সচিবকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত করা হয়েছে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্য হওয়া এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে চলতি সপ্তাহেই নতুন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি […]

​১ দিনে সরানো হলো এক ডজন সচিব, নতুন পদায়নে তোড়জোড়

​১ দিনে সরানো হলো এক ডজন সচিব, নতুন পদায়নে তোড়জোড়

নিউজ ডেস্ক

২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৩৭

নতুন সরকার গঠনের পর প্রশাসনে ব্যাপক রদবদল করতে যাচ্ছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার।

এরই অংশ হিসেবে বিগত সরকারের সময় নিয়োগ পাওয়া ৯ জন সচিবের চুক্তি বাতিল করেছে। আর তিনজন সচিবকে ওএসডি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শূন্য হওয়া এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে চলতি সপ্তাহেই নতুন নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

প্রশাসনিক আদেশে ৩ সচিবকে মূল দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তারা হলেন, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব রেহানা পারভীন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব সাইফুল্লাহ পান্না, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন।

অন্যদিকে অন্তবর্তীকালীন সরকারের আমলে দেওয়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ বাতিল হওয়া ৯ জন হলেন, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. সাইদুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী, জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক সিদ্দিক জোবায়ের, বমি আপিল বিভাগের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মমতাজ আহমেদ, পরিকল্পনা কমিশনের আলোচিত সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেসুর রহমান, পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) এম এ আকমল হোসেন আজাদ, ড. কাইয়ুম আরা বেগম ও বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক বেগম শরিফা খান।

সচিবালয়ের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে, শূন্য হওয়া এই ১২টি পদে নতুন নিয়োগের ক্ষেত্রে বিগত সময়ে পদোন্নতি ও পদায়নে ‘বঞ্চিত’ এবং ‘ক্ষতিগ্রস্ত’ কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হতে পারে।

বিশেষ করে যারা যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও রাজনৈতিক কারণে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাননি, তাদের মধ্য থেকেই নতুন সচিব বেছে নেওয়া হবে।

ধারণা করা হচ্ছে, বিএনপি ঘরানার বা নিরপেক্ষ হিসেবে পরিচিত দক্ষ কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশ এই দফায় শীর্ষ পদে ফিরছেন।

এরমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক উচ্চ শিক্ষা বিভাগের দায়িত্ব পেতে পারেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার এপিএস নবম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা মো. শামসুল আলম।

দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বঞ্চনার শিকার এই সচিবকে কোনো মন্ত্রণালয় পদায়ন করেনি অন্তর্বর্তী সরকার।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে প্রেসিডেন্টের আদেশে পুনরায় চাকরিতে বহাল হন এবং ২০২২ সালেই তাকে সিনিয়র সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে সার-সংক্ষেপ প্রধান উপদেষ্টা ও প্রেসিডেন্ট অনুমোদন দিলেও তাকে পদায়ন করা হয়নি।

সর্বশেষ গত জুলাই মাসে শিক্ষা সচিব সিদ্দিক জুবায়ের অপসারণ করা হলে তাকে পদায়ন করার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে সরকার তাকে পদায়ন না করে রেহানা পারভীনকে সচিব করা হয়।

তাকে পদায়ন করতে শিক্ষার্থীর একটি দল বাংলাদেশ সচিবালয়ে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা, স্বরাষ্ট্র সচিব ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে স্মারকলিপি দেয়। তারপরও শুধু খালেদা জিয়ার পিএস ছিলেন, এজন্য তাকে প্রদান করেনি।

২০০৮ সালের বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যসহ প্রভাবশালী ৬২ জনের দেশত্যাগের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সীমান্তের সব ইমিগ্রেশনে তালিকা পাঠিয়ে ছিল। সেই সময় হয়রানির শিকার হয়েছিলেন শামসুল আলম।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন নিয়োগের তালিকা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায়ের সবুজ সংকেত পেলেই যেকোনো মুহূর্তে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

প্রশাসনের এই ‘মেজর ওভারহলিং’ বা বড় রদবদলে সচিবালয়জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতূহল বিরাজ করছে।

জাতীয়

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ অংশ নিতে পারবে : প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

নিউজ ডেস্ক

০৯ জুন ২০২৬, ১২:৩৬

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগসহ যেকেউ নির্ধারিত মানদণ্ড পূরণ সাপেক্ষে অংশ নিতে পারবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।

মঙ্গলবার (০৯ জুন) সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

জাতীয়

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় […]

নতুন দায়িত্ব পেলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বিডা ও এনবিআর চেয়ারম্যান

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

০২ জুলাই ২০২৬, ১১:৪২

জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন এবং দেশের ঔষধ খাতের নীতিগত কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে ২৪ সদস্যের জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ পুনর্গঠন করেছে সরকার। নতুন পরিষদে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী এবং সদস্য সচিব থাকবেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)-এর চেয়ারম্যানকে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

নতুন প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২১ জুন ২০২৬ তারিখে জারি করা আগের ২২ সদস্যের পরিষদ বাতিল করা হয়েছে। নতুন আদেশ অনুযায়ী, পরিষদ বছরে অন্তত দুইবার সভা করবে। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত সভা আয়োজন এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগও থাকবে।

পরিষদে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব, ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি, ফার্মেসি কাউন্সিল, এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) এবং বাংলাদেশ ফার্মাসিউটিক্যাল সোসাইটির প্রতিনিধিরাও সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

জাতীয় ঔষধ উপদেষ্টা পরিষদ সরকারের কাছে জাতীয় ঔষধনীতি বাস্তবায়ন, দেশীয় ঔষধ শিল্পের উন্নয়ন, অত্যাবশ্যকীয় ঔষধের তালিকা হালনাগাদ, ঔষধ উৎপাদন, আমদানি ও রপ্তানি-সংক্রান্ত নীতিগত বিষয়ে পরামর্শ দেবে।

পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জরুরি পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদানেও পরিষদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

জাতীয়

মায়ের গলিত লাশ উদ্ধার, মুখ খুললেন বুয়েট অধ্যাপক ছেলে: আমার মা সিজোফ্রেনিয়ার রোগে আক্রান্ত

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন। বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই […]

নিউজ ডেস্ক

০৪ জুন ২০২৬, ১১:১৯

গত ৩১ মে রাজধানীর মিরপুরে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হওয়া ৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ। তার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে আলোচনার মধ্যে মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান। তিনি পরিবারের বিরুদ্ধে ছড়ানো বিভিন্ন তথ্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন।

বুধবার (৩ জুন) গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এই দাবি করেন।

৭৫ বছর বয়সী নূর জাহান বেগমের মরদেহ গত ৩১ মে রাতে উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি মেয়ে ফাতিমা নাসরীন সুলতানার সঙ্গে বসবাস করতেন। মরদেহ উদ্ধারের পর বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং বৃদ্ধার শারীরিক অবস্থার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। বৃদ্ধার এক ছেলে মোংলা স্থলবন্দরের যুগ্ম সচিব। আরেক ছেলে বুয়েটের শিক্ষক। তারা মায়ের কাছে থাকতেন না।

নিহতের ছেলে বুয়েটের অধ্যাপক একেএম আশিকুর রহমান বলেন, মায়ের মৃত্যুতে পরিবার এমনিতেই মানসিক আঘাতের মধ্যে রয়েছে। এর মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার তাদের আরও বিপর্যস্ত করে তুলেছে। মায়ের অবহেলার অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় মা তার সঙ্গেই ছিলেন। করোনাকালেও তিনি মায়ের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ২০২৪ সাল থেকে মা তার মেয়ের সঙ্গে থাকছিলেন।

তিনি জানান, তাদের বাবা মো. আবুল কাশেম ২০০৮ সালে মারা যান। ২০১৭ সালে ফাতিমা নাসরীনের স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি একাই মায়ের দেখাশোনা করছিলেন। ফাতিমা নাসরীনের কোনো সন্তান নেই। তার মায়ের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহপ্রবণতা ছিল, যা সিজোফ্রেনিয়ার উপসর্গের সঙ্গে কিছুটা মিল রয়েছে।

একইভাবে স্বামী হারানোর পর তার বোনও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বলে তিনি মনে করেন। তবে তাদের কাউকেই কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া হয়নি।

বাসার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ সম্পর্কে আশিকুর রহমান বলেন, তার বোন বাইরের গৃহকর্মী রাখতে চাইতেন না। তিনি নিজে কয়েকবার সহায়তার চেষ্টা করলেও তা স্থায়ী হয়নি। এছাড়া মাও অন্যের হস্তক্ষেপ পছন্দ করতেন না। ঘটনার দিন, ৩১ মে বিকেলে ফাতিমা নাসরীন ফোন করে জানান, মায়ের কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। এরপর নার্স ডাকা, পুলিশকে অবহিত করা এবং পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান তিনি।

অন্যদিকে নূর জাহান বেগমের মরদেহ উদ্ধার প্রক্রিয়ার সময় উপস্থিত থাকা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শামছুর রহমান জানান, জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে খবর পেয়ে গিয়ে তিনি বাসাটিকে বসবাসের অনুপযোগী অবস্থায় দেখতে পান। তার দাবি, মরদেহের ডান চোখ ও পিঠে পোকা ছিল। তবে আশিকুর রহমান এ দাবি অস্বীকার করেছেন।

এদিকে পচনধরা মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মায়ের প্রতি অবহেলার দায়ে ছেলে যুগ্ম সচিব এ কে এম আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) পদ থেকে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (৩ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে, আনিসুর রহমানকে পদ থেকে সরিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বশির জানান, বৃদ্ধা তার মেয়ের বাড়িতে থাকতেন। একটি কক্ষে মা ও আরেকটি কক্ষে মেয়ে। রোববার বৃদ্ধার মেয়ে তাকে ডাকতে যান। সাড়া না পেয়ে তিনি একজন নার্সকে ডেকে আনেন।

তিনি ভেবেছিলেন, মা হয়তো অসুস্থ। পরে ওই নার্স রুমে ঢুকে দেখতে পান, বৃদ্ধা মারা গেছেন এবং শরীরে পচন ধরে মাংস খুলে বিছানায় পড়ে আছে। নার্স তাৎক্ষণিক বাইরে এসে লোকজনকে জানান। স্থানীয়রা ৯৯৯-এ কল দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়।

তিনি আরও জানান, বৃদ্ধার মেয়েকে দেখে কিছুটা অস্বাভাবিক মনে হয়েছে। মা ঘরে মরে পচে আছে, অথচ নাকে কোনো গন্ধ পাননি তিনি। বিষয়টি পুলিশকে ভাবিয়ে তুলছে। ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।