বুধবার, ১৯ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

রাজশাহীর উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার বিএনপি-জামায়াতের

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজশাহীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা। জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপি চারটিতে এবং জামায়াতে ইসলামী দু’টি আসনে জয়লাভ করেছে। ফলাফল ঘোষণার পর কোনো আসনেই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি। বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরা পরস্পরের সাথে সাক্ষাৎ করে অঞ্চলের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার […]

রাজশাহীর উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার বিএনপি-জামায়াতের

রাজশাহীর উন্নয়নে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার বিএনপি-জামায়াতের

নিউজ ডেস্ক

১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:১৬

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর রাজশাহীতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা-কর্মীরা।

জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে বিএনপি চারটিতে এবং জামায়াতে ইসলামী দু’টি আসনে জয়লাভ করেছে।

ফলাফল ঘোষণার পর কোনো আসনেই অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।

বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরা পরস্পরের সাথে সাক্ষাৎ করে অঞ্চলের উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

গতকাল শনিবার রাজশাহী মহানগর জামায়াত নেতৃবৃন্দ সদর আসন থেকে নবনির্বাচিত বিএনপি সংসদ সদস্য (এমপি) মিজানুর রহমান মিনুকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং তার সাথে মতবিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর জামায়াতের নায়েবে আমির অ্যাডভোকেট আবু মোহাম্মদ সেলিম, মহানগর সেক্রেটারি এমাজ উদ্দিন মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক জসিম উদ্দিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

রাজশাহী-৩ আসনে নির্বাচনী লড়াই শেষে বিজয়ী ও পরাজিত প্রার্থীরা একে অপরকে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

জামায়াত প্রার্থী অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ হড়গ্রাম ইউনিয়নের আদারিয়া পাড়ায় নিজ বাসভবনে বিএনপি মনোনীত বিজয়ী অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলনকে অভিনন্দন জানান। দুই নেতা মিষ্টিমুখ করেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন।

নির্বাচন-পরবর্তী এ আচরণকে ওই আসনে রাজনৈতিক সম্প্রীতির বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

এ সময় অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন, নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবেই বিজয়ী ও পরাজিত থাকে। তিনি রাজশাহী-৩ আসনের উন্নয়নে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন বলে জানান।

অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন বলেন, নির্বাচন গণতন্ত্রের উৎসব। মতভেদ থাকলেও জনগণের সেবা করাই আমাদের সবার লক্ষ্য।

এদিকে, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ প্রথমবারের মতো রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। নির্বাচনের পরদিন সকালে তার বাসভবনে বহু মানুষ অভিনন্দন জানাতে যান।

বিএনপি নেতাকর্মীদের পাশাপাশি তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী অধ্যক্ষ নাজমুল হক ফুল ও মিষ্টি দিয়ে তাকে অভিনন্দন জানান। এ সৌজন্যমূলক আচরণ ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।

চাঁদ বলেন, রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সাথে নিয়ে আমি এই আসনের উন্নয়নে কাজ করতে চাই।

সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ এ ঘটনাকে রাজনৈতিক অঙ্গনে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সূত্র : বাসস

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫