সোমবার, ১৭ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

কালকে আমি প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় নামলেই বাস ভাঙচুরের অভিযোগে আমাকে গ্রেপ্তার করা হবে: নাহিদ ইসলাম

বিদ্যুৎ ও গ্যাস–সংকট নিয়ে কর্মসূচিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হঠকারিতা আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে বিরোধী দলগুলোর নিপীড়নের বয়ান তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে বলা হচ্ছে হঠকারিতা। বলা হচ্ছে, আগের মত বাস ভাঙচুর, রাস্তায় বিক্ষোভ চাই না।’ কিন্তু রাস্তায় বসে বিক্ষোভ বৈধ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পদ্ধতি। আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর […]

কালকে আমি প্ল্যাকার্ড হাতে রাস্তায় নামলেই বাস ভাঙচুরের অভিযোগে আমাকে গ্রেপ্তার করা হবে: নাহিদ ইসলাম

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

১৭ আগস্ট ২০২৬, ২২:০৫

বিদ্যুৎ ও গ্যাস–সংকট নিয়ে কর্মসূচিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হঠকারিতা আখ্যা দেওয়ার মাধ্যমে বিরোধী দলগুলোর নিপীড়নের বয়ান তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

তিনি বলেছেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিবাদকে বলা হচ্ছে হঠকারিতা। বলা হচ্ছে, আগের মত বাস ভাঙচুর, রাস্তায় বিক্ষোভ চাই না।’ কিন্তু রাস্তায় বসে বিক্ষোভ বৈধ গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পদ্ধতি।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ডেমোক্রেটিক জার্নালিস্ট অ্যালায়েন্স (ডিজেএ) আয়োজিত ‘সাংবাদিকের চোখে জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন বিরোধীদলীয় চিফহুইপ নাহিদ ইসলাম।

গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী এনসিপির উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে—গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে; এগুলো হঠকারিতা।…রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভাঙচুর করার রাজনীতির দিন এখন নেই।’

এর জবাবে নাহিদ বলেছেন, ‘কালকে যখন আমি রাস্তায় নামব প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে, তখন বলা হবে আমি বাস ভাঙচুরের জন্য নামছি এবং আমাকে গ্রেপ্তার করা হবে, মামলা দেওয়া হবে। এই ন্যারেটিভ (বয়ান) সরকারের জায়গা থেকে তৈরি করা হচ্ছে।’

চলমান জ্বালানিসংকটের প্রতিবাদে গত শুক্রবার যাত্রাবাড়ীতে সড়ক অবরোধ করে গণসমাবেশ করে এনসিপি। সেখানে লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে হারিকেন প্রদর্শন করেন নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির নেতারা।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে এনসিপির আহ্বায়ক সোমবার বলেন, গ্যাস বা বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করার দাবিকে সরকারের সর্বোচ্চ জায়গা থেকে বলা হচ্ছে হঠকারিতা। আমরা কোন দিকে যাচ্ছি, তা সবার বোঝা উচিত।

বিরোধী দল সংসদ ও রাজপথে কথা বলবে জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেছেন, এটাই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও আন্দোলনের চরিত্র। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অহিংসভাবে উপায়ে যেকোনো কথা প্রকাশ করতে পারি। সেই জায়গায় থেকে মনে হচ্ছে গণতন্ত্র সংকুচিত হয়ে আসছে। এখানে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমের কাছ থেকে আমরা নিরপেক্ষ ভূমিকা চাই।

মতপ্রকাশের বর্তমান স্বাধীনতা কতদিন থাকবে তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে নাহিদ বলেছেন, ধীরে ধীরে গণতন্ত্র ও কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে আসছে। সংকোচন ঠেকাতে হবে সবাই মিলেই। সাংবাদিকেরা সাংবাদিকদের ভূমিকাটা পালন করলেই হয়। সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদটা প্রচার করলেই যথেষ্ট। রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা আমাদের ভূমিকা পালন করব।

বিএনপি ক্ষমতায় এসে অনেক সাংবাদিককে গণমাধ্যম থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন নাহিদ। সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। নাহিদ বলেন, এনসিপির সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহর একটি বক্তব্যের পর তাঁকে নিয়ে একটি গণমাধ্যমের ৪৮ ঘণ্টায় ২০-৩০টি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

এটা কোন ধরনের সাংবাদিকতা? ছাত্রনেতাদের চরিত্রহননের চেষ্টা বিভিন্ন সাংবাদিক ও গণমাধ্যম থেকে করা হয়েছে।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় আন্দোলনের পক্ষে থাকা কয়েকজন সাংবাদিক অনুষ্ঠানে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। নাহিদ ইসলাম বলেন, অভ্যুত্থানের সময় নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করে সাংবাদিকদের অনেকে কাজ করে গেছেন।

পেশার ঊর্ধ্বে গিয়েই দেশপ্রেম, মানবিকতা ও বিবেকবোধের জায়গা থেকে সাংবাদিকদের অনেকে ভূমিকা পালন করেছেন। সাংবাদিকদের সক্রিয়তা না থাকলে আন্দোলন সফল হতো না। সাংবাদিকদের অনেকে প্রকাশ্যে, পরোক্ষভাবে বা গোপনে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন।

তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। অভ্যুত্থানের পর হয়তো আপনাদের সঙ্গে বসা উচিত ছিল, অনেক কিছু করা উচিত ছিল। সেটা করতে না পারায় দুঃখ প্রকাশ করি।

আলোচনা সভায় জুলাইয়ের শহীদ সাংবাদিক তাহির জামান প্রিয়র মা শামসি আরা জামান সাংবাদিকদের পেশাগত সুরক্ষা নিশ্চিতের দাবি জানান।

সভায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রেসসচিব শফিকুল আলম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য দেন।

উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া প্রমুখ।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৪

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩