সৌদি আরবের একটি যুদ্ধজাহাজ ও সামরিক অস্ত্রাগারে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তবে এ হামলার বিষয়ে সৌদি আরবের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সোমবার (১৭ আগস্ট) টেলিগ্রামে দেওয়া এক বিবৃতিতে হুতি মুখপাত্র ইয়াহইয়া সারি দাবি করেন, তাদের ছোড়া কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সৌদি আরবের একটি অ্যাম্ফিবিয়াস ট্রান্সপোর্ট শিপ এবং এর সঙ্গে থাকা কয়েকটি নৌযানে আঘাত হেনেছে।
হামলাটিকে ‘নিখুঁত ও সুনির্দিষ্ট’ হিসেবে উল্লেখ করে সারি দাবি করেন, এতে কয়েকটি জাহাজ ডুবে গেছে এবং অন্য কয়েকটিতে আগুন ধরে যায়।
হুতি মুখপাত্র আরও জানান, ইয়েমেনের মধ্য-পূর্বাঞ্চলীয় মারিব প্রদেশের সাহন আল-জিন সামরিক ক্যাম্পে থাকা সৌদি অস্ত্রাগার লক্ষ্য করেও একাধিক ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে।
২০১৪ সালে ইরান-সমর্থিত হুতি গোষ্ঠী ইয়েমেনের রাজধানী সানা এবং দেশটির বিস্তীর্ণ এলাকা দখলে নেয়। এরপর হুতি বাহিনী ও সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট-সমর্থিত ইয়েমেনি সরকারি বাহিনীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে সংঘাত চলে।
২০২৩ সালে ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধ শুরুর পর আঞ্চলিক সংঘাতে আরও সক্রিয় হয়ে ওঠে হুতিরা। এরপর থেকে তারা লোহিত সাগরে ইসরায়েল ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক জাহাজ লক্ষ্য করে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
তুরস্ক, সৌদি ও পাকিস্তানসহ অন্যান্য দেশ নিয়ে ইসলামি সেনাবাহিনী গড়ার উদ্যোগ নিয়েছে ইরান। আপনি কি এই আর্মি গঠনের পক্ষে?