মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬

পরীক্ষামূলক সংস্করণ

রাজনীতি

তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হলেন লন্ডনের বিএনপির যেসব শীর্ষ নেতারা

সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের পথে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। লন্ডন বিএনপির এক নেতার ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, তারেক রহমানের গাড়ির সামনে […]

তারেক রহমানের সফরসঙ্গী হলেন লন্ডনের বিএনপির যেসব শীর্ষ নেতারা

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৫ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:২২

সব জল্পনা–কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দীর্ঘ দেড় যুগের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে লন্ডনের বাসা থেকে হিথ্রো বিমানবন্দরের পথে রওনা হয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বুধবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টার দিকে তিনি বাসা থেকে বের হয়ে হিথ্রো বিমানবন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। লন্ডন বিএনপির এক নেতার ফেসবুক লাইভে দেখা যায়, তারেক রহমানের গাড়ির সামনে ও পেছনে আরও তিনটি গাড়ি ছিল, যা ঘিরে নিরাপত্তা ও প্রস্তুতির বিষয়টি স্পষ্ট হয়।

দলীয় সূত্র জানায়, বোয়িং ৭৮৭-৬ ড্রিমলাইনারে পরিচালিত বাংলাদেশ বিমানের বিজি-২০২ ফ্লাইটে বিজনেস ক্লাসে তারেক রহমানের জন্য ছয়টি টিকিট কেনা হয়েছে। নিয়মিত এই বাণিজ্যিক ফ্লাইটে তার সঙ্গে দেশে ফিরছেন তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান, কন্যা জাইমা রহমান, তার ব্যক্তিগত সচিব আব্দুর রহমান সানি, দলের প্রেস উইংয়ের সদস্য সালেহ শিবলী এবং জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা কামাল উদ্দীন।

তবে প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর দুই কন্যা—জাফিয়া রহমান ও জাহিয়া রহমান—এই সফরে চাচার সহযাত্রী হচ্ছেন কি না, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ছাড়া নিজস্ব অর্থে একই ফ্লাইটের বিজনেস ক্লাসে টিকিট কেটেছেন আরও অনেকে। তাদের মধ্যে রয়েছেন মাহিদুর রহমান, মুজিবুর রহমান মুজিব, খছরুজ্জামান খছরু, নাসির আহমদ শাহীন, রহিম উদ্দীন, আসাদুজ্জামান আহমদ, গোলাম রব্বানী, মঈন উদ্দীন, জুবায়ের বাবু, এম এ সালাম, ডালিয়া লাকুরিয়া প্রমুখ।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, যুক্তরাজ্য ছাড়াও আয়ারল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, ইতালি ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে বিএনপির নেতাকর্মীরা ইকোনমি ক্লাসের টিকিট কেটে একই ফ্লাইটে দেশে আসছেন। এর বাইরে তারেক রহমানের গৃহকর্মীরাও এই যাত্রায় রয়েছেন। সব মিলিয়ে ফ্লাইটটিতে তারেক রহমানের সঙ্গে দেশে ফিরছেন ৫০ জনের বেশি যাত্রী।

যুক্তরাজ্য বিএনপির আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে জানান, তারেক রহমান মূলত পরিবার ও ব্যক্তিগত স্টাফদের নিয়েই দেশে ফিরছেন। তবে অনেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে টিকিট কেটে একই ফ্লাইটে বাংলাদেশে যাচ্ছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন।

দীর্ঘ যাত্রাপথে সিলেটে যাত্রাবিরতির পর আগামীকাল বেলা ১১টা ২০ মিনিটে বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ অবতরণের কথা রয়েছে। সেখানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যর্থনা জানাবেন।

বিমানবন্দরের রজনীগন্ধা লাউঞ্জে প্রায় ২০ মিনিট অবস্থান করবেন তারেক রহমান। সেখানে জ্যেষ্ঠ নেতাদের সঙ্গে কৌশলগত মতবিনিময়ের পর তিনি সড়কপথে এভারকেয়ার হাসপাতাল–এর উদ্দেশে রওনা হবেন।

এভারকেয়ার হাসপাতালে যাওয়ার পথে জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে, অর্থাৎ ৩০০ ফিট সড়কে তিনি সংক্ষিপ্ত গণসংবর্ধনায় অংশ নেবেন। সেখানে দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো এবং মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায়ের কথা রয়েছে তার।

এরপর তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তার মা, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া–কে দেখতে যাবেন। সেখানে তার চিকিৎসার জন্য গঠিত মেডিকেল বোর্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে মায়ের স্বাস্থ্যের সর্বশেষ খোঁজ নেবেন। কিছু সময় মায়ের সঙ্গে কাটিয়ে তিনি গুলশানের বাসভবনের উদ্দেশে রওনা হবেন।

তারেক রহমান গুলশানে মায়ের বাসা ‘ফিরোজা’ নাকি নিজের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে উঠবেন—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে দলীয় সূত্র জানিয়েছে।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫

রাজনীতি

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি। মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন […]

‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে, অপমান হজম না হওয়া পর্যন্ত সংসদে যাচ্ছি না : এমপি মনিরুল হক

ছবি সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক

২৯ জুন ২০২৬, ১১:০২

সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় ‘অপমানিত’ হওয়ার অভিযোগে টানা ১১ দিন ধরে সংসদ অধিবেশন বর্জন করছেন কুমিল্লা-৬ আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী। গত ১৪ জুন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের এক রুলিং ও সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ১৫ থেকে ২৫ জুন পর্যন্ত তিনি সংসদে যাননি।

মনিরুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমাকে সংসদে অপমান করা হয়েছে। স্পিকার ফোন করে সংসদে ফিরতে বললেও আমি এই অপমান এখনো হজম করতে পারছি না। যেদিন পারব, সেদিনই সংসদে যাব।’

গত ১৪ জুন, বাজেট আলোচনায় মনিরুল হক চৌধুরী বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহেরের বোরকা পরিহিত স্ত্রীর অতীতের একটি প্রসঙ্গ টানেন। একই সাথে সংসদে বোরকা পরা জামায়াতের নারী এমপিদের ইঙ্গিত করে কিছু মন্তব্য করেন। এতে সরকারি দলের এমপিরা হাসলেও বিরোধী দলের সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানান।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল ব্যক্তিগত স্বাধীনতা ও পোশাক নিয়ে কথা বলতে নিষেধ করেন এবং মনিরুল হক চৌধুরীর বক্তব্যের বিতর্কিত অংশটুকু সংসদের কার্যবিবরণী থেকে বাদ (এক্সপাঞ্জ) করার ঘোষণা দেন।

এরপর মনিরুল হক চৌধুরী দুঃখপ্রকাশ করে আত্মপক্ষ সমর্থনে পুনরায় কথা বলার জন্য ফ্লোর চাইলে ডেপুটি স্পিকার তা নাকচ করে দেন। পরবর্তীতে পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানি এবং সরকারি দলের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বিষয়টি হালকা করার চেষ্টা করে মনিরুল হক চৌধুরীকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করলেও ডেপুটি স্পিকার তার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।

এই ঘটনার পর থেকেই ক্ষোভে সংসদ বয়কট করে চলেছেন এই সংসদ সদস্য।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

‘আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে’: সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে। সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন […]

নিউজ ডেস্ক

২৫ মে ২০২৬, ২০:১২

আওয়ামী লীগ রাজনীতি থেকে আউট হয়ে গেছে বা যাচ্ছে এরকম থাকবে না বলে মন্তব্য করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেছেন, আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

সম্প্রতি দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের সময় হওয়া অত্যাচার-নিপীড়ন মানুষ ভুলে যাবে এমন ইঙ্গিত করে মোহাম্মদ তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের মানুষজনের স্মৃতি শক্তি এতো দীর্ঘ না। আমার অনুমান তারা (আওয়ামী লীগ) দেশের আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।

টেলিভিশনে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে সাবেক উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন দাবি করেন, সাত সদস্যের “কিচেন কেবিনেট” অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিতো। তিনি জানান, প্রতি মঙ্গলবার নিয়মিত বৈঠক করতেন তারা। নিজ মন্ত্রণালয়ে একাধিক উপদেষ্টার প্রভাব ছিল জানিয়ে তিনবার পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।

তবে, তা গৃহীত হয়নি বলে জানান তিনি। যুক্তরাষ্ট্র্রের সাথে বহুল আলোচিত বাণিজ্য চুক্তি নিয়েও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কিছু জানতো না- দাবি করেন তৌহিদ হোসেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ১১ মে থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ রয়েছে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের।

১৩ নভেম্বর ২০২৫
poll_title
আপনি কি জাতীয় নির্বাচনের দিনেই গণভোট আয়োজনের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেন?

মোট ভোট: ৭৩৮৩

রাজনীতি

“ওসব কিছুই চাই না, আমি বড় ক্লান্ত, একেবারে অবসর চাই- শুধু ঘুমাবো” : মির্জা ফখরুল

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।” চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম […]

নিউজ ডেস্ক

০১ জুন ২০২৬, ২০:০৬

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

চব্বিশের ৫ আগস্ট-পূর্ববর্তী ১৭ বছর অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখে এমন উচ্চারণ শুনে মুহূর্তের জন্য থমকে যেতে হয়। রাজনীতির উত্তাল ময়দানে দীর্ঘদিনের দৃঢ় ও সংযত এই নেতার কণ্ঠে ক্লান্তির এমন স্বীকারোক্তি শুধু ব্যক্তিগত অনুভূতি নয়; বরং রাজনৈতিক মহলেও নতুন প্রশ্নের জন্ম দিতে পারে।

গত ২৩ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে গিয়েছিলাম তাঁর সঙ্গে দেখা করতে। বাইরে ছিল মানুষের ভিড়। প্রায় নিশ্চিত হয়েই ফিরে আসছিলাম—আজ আর দেখা হবে না। ঠিক তখনই তাঁর দীর্ঘদিনের সহকারী কৃষিবিদ ইউনুস আলী ডাক দিলেন।

মন্ত্রীর কক্ষে ঢুকেই চোখে পড়ল ভিন্ন এক মির্জা ফখরুলকে। রাজনীতির কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে লড়াইয়ে অভ্যস্ত মানুষটিকে সেদিন অস্বাভাবিক ক্লান্ত লাগছিল। চোখে ঘুমঘুম ভাব, মুখে অবসাদের রেখা।

অন্যদের বিদায় দেওয়ার পর বললাম, “আমার কোনো তদবির নেই, অনেক দিন দেখা হয় না—তাই শুধু সাক্ষাৎ করতে এলাম।”

শরীরের খোঁজ নিতেই তিনি ধীরে উত্তর দিলেন—

“আমি বড় ক্লান্ত… আমার এখন অবসর দরকার।”

কথাটি শুনে কিছুটা বিস্মিত হয়েই বললাম, “দেশের মানুষ আপনাকে এই মন্ত্রণালয়ের পর বঙ্গভবনে দেখতে চায়।”

তিনি হালকা হাসলেন। তারপর বললেন—

“ওসব কিছুই চাই না। একেবারে অবসর চাই… শুধু ঘুমাবো।”

এই কয়েকটি বাক্য যেন দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের এক অনুচ্চারিত ক্লান্তির ভাষা হয়ে উঠেছিল।

এরপর কথোপকথন গড়ায় স্মৃতির ভেতর। ২০০৮ সালে লন্ডন থেকে ফেরার পর প্রথম কোনো সাংবাদিক হিসেবে আমাকে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন তিনি।

তার কিছুদিন পর কাউন্সিলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিবের দায়িত্ব পেয়ে জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে তাঁর উত্থান ঘটে। স্মৃতিচারণে উঠে আসে বেগম খালেদা জিয়া, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা ও ইশরাক হোসেন প্রসঙ্গও।

৩০ অক্টোবর ২০২৫
poll_title
জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট প্রশ্নে আপনার মতামত কী?

মোট ভোট: ১৪৫০৫